বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের কম খরচে বিভিন্ন চিকিৎসা–সংক্রান্ত পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তিন নারী দালালকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দায়িত্বরত সদস্যরা।
১৮ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের নিচতলার আউটডোর এলাকায় দায়িত্বরত আনসার সদস্যা মোছা. নাসরিন আক্তার তিনজন নারীকে রোগীদের সঙ্গে সন্দেহজনকভাবে কথা বলতে ও ঘোরাফেরা করতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. নাগর আলীকে অবহিত করেন।
প্লাটুন কমান্ডারের উপস্থিতিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা স্বীকার করেন যে, হাসপাতালের রোগীদের কম খরচে বিভিন্ন চিকিৎসা–সংক্রান্ত পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হাসপাতালের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যেতেন। এসব প্রতিষ্ঠানে রোগীদের পরীক্ষা করানোর বিনিময়ে তারা কমিশন গ্রহণ করতেন।
স্বীকারোক্তির পর তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—মোছা. মিতু আক্তার, মোছা. খদিজা এবং মোছা. হাফেজা বেগম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক তিন নারীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সরকারি হাসপাতালসমূহে দালালচক্রের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সেবার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের কম খরচে বিভিন্ন চিকিৎসা–সংক্রান্ত পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে তিন নারী দালালকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর দায়িত্বরত সদস্যরা।
১৮ জুলাই ২০২৬ (শনিবার) সকাল আনুমানিক ১০টা ৩০ মিনিটে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের নিচতলার আউটডোর এলাকায় দায়িত্বরত আনসার সদস্যা মোছা. নাসরিন আক্তার তিনজন নারীকে রোগীদের সঙ্গে সন্দেহজনকভাবে কথা বলতে ও ঘোরাফেরা করতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মো. নাগর আলীকে অবহিত করেন।
প্লাটুন কমান্ডারের উপস্থিতিতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা স্বীকার করেন যে, হাসপাতালের রোগীদের কম খরচে বিভিন্ন চিকিৎসা–সংক্রান্ত পরীক্ষা করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হাসপাতালের বাইরে অবস্থিত বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যেতেন। এসব প্রতিষ্ঠানে রোগীদের পরীক্ষা করানোর বিনিময়ে তারা কমিশন গ্রহণ করতেন।
স্বীকারোক্তির পর তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন—মোছা. মিতু আক্তার, মোছা. খদিজা এবং মোছা. হাফেজা বেগম। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আটক তিন নারীকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা সরকারি হাসপাতালসমূহে দালালচক্রের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, রোগী ও তাদের স্বজনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সেবার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সার্বক্ষণিক সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
