মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বকাপ ফাইনালে উপস্থিতিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আকাশে টহল দেবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, স্টেডিয়ামের ছাদে থাকবে স্নাইপার এবং দায়িত্ব পালন করবেন হাজারো এফবিআই এজেন্টসহ বিভিন্ন ফেডারেল ও স্থানীয় সংস্থার সদস্যরা।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রবেশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা তল্লাশির কারণে দর্শকদের বিলম্ব হতে পারে। তাই ম্যাচ শুরুর অন্তত চার ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফাইনালকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা শ্রেণি ‘লেভেল-১ স্পেশাল ইভেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান বা ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণের সমপর্যায়ের, এমনকি ‘সুপার বোল’-এর চেয়েও বড়।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্টেডিয়াম ও আশপাশের আকাশসীমায় ‘নো-ফ্লাই’ জোন ঘোষণা করা হয়েছে। সাময়িক উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করায় ইতোমধ্যে একটি ছোট বেসামরিক বিমানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বাধা দিয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় উড়তে থাকা শত শত ড্রোনও জব্দ করেছে এফবিআই।
বিশ্বকাপজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৬২৫ মিলিয়ন ডলারের ফেডারেল নিরাপত্তা অনুদান অনুমোদন করেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করেছে।
ফাইনালে ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যৌথভাবে বিজয়ী দলের হাতে শিরোপা তুলে দেবেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশ্বকাপ ফাইনালে উপস্থিতিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ক্রীড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আকাশে টহল দেবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, স্টেডিয়ামের ছাদে থাকবে স্নাইপার এবং দায়িত্ব পালন করবেন হাজারো এফবিআই এজেন্টসহ বিভিন্ন ফেডারেল ও স্থানীয় সংস্থার সদস্যরা।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে প্রবেশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা তল্লাশির কারণে দর্শকদের বিলম্ব হতে পারে। তাই ম্যাচ শুরুর অন্তত চার ঘণ্টা আগে স্টেডিয়ামে পৌঁছানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফাইনালকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা শ্রেণি ‘লেভেল-১ স্পেশাল ইভেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান বা ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণের সমপর্যায়ের, এমনকি ‘সুপার বোল’-এর চেয়েও বড়।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্টেডিয়াম ও আশপাশের আকাশসীমায় ‘নো-ফ্লাই’ জোন ঘোষণা করা হয়েছে। সাময়িক উড্ডয়ন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করায় ইতোমধ্যে একটি ছোট বেসামরিক বিমানকে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বাধা দিয়েছে। টুর্নামেন্ট চলাকালে নিষিদ্ধ আকাশসীমায় উড়তে থাকা শত শত ড্রোনও জব্দ করেছে এফবিআই।
বিশ্বকাপজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৬২৫ মিলিয়ন ডলারের ফেডারেল নিরাপত্তা অনুদান অনুমোদন করেছেন। প্রায় দুই বছর ধরে ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করেছে।
ফাইনালে ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যৌথভাবে বিজয়ী দলের হাতে শিরোপা তুলে দেবেন।
