খবর প্রতিদিন ২৪

নবীনগরের শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ !



নবীনগরের  শিবপুর  ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ !

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার পর ওই ইউপির ১ থেকে ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৯ জন ইউপি সদস্য (মেম্বার) একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানে মজিবের বিরুদ্ধে ‘অনাস্থা’ এনে এর প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান এম আর মজিব তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যে দাবি করে এ ধরনের আবেদনকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক বলেছেন।

তবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আবু সাঈদ বৃহস্পতিবার রাতে মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে জানান, অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই শিবপুরের দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই লিখিত আবেদনে ৯ ইউপি সদস্য একত্রিত হয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে প্রদেয় নগদ ৩৫ লাখ টাকার পুরোটা পরিষদের কোনো সদস্যকে না জানিয়ে চেয়ারম্যান মজিব বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ব্যাংক থেকে পুরো টাকা তুলে নিজেই আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগের স্বপক্ষে আবেদনের সঙ্গে দাখিল করা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবীনগর শাখার স্টেটমেন্টেও দেখা যায়, বিগত ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ওই চেয়ারম্যান মোট ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে ৩৫ লাখ টাকার পুরোটাই তুলে আত্মসাৎ করেন।

ডিসির কাছে দেওয়া লিখিত ওই আবেদনে বলা হয়, এসব ভুয়া প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে সর্বসম্মতভাবে পাস না করেই চেয়ারম্যান মজিব এককভাবে ৩৫ লাখ টাকার সমুদয়টা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে আবদনকারী স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া বলেন,দুর্নীতিবাজ  চেয়ারম্যান মজিবের অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর লিখে শেষ করা যাবে না৷ শুধু সরকারের ভূমি হস্তান্তর করের প্রদেয় ১ শতাংশের ৩৫ লাখ টাকা কীভাবে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন, সেটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই পরিষ্কার বুঝা যাব।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান এম আর মুজিব বৃহস্পতিবার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদনকারীদের সব তথ্যই অসত্য। মূলত সামনে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে আমার ক্লিন ইমেজকে বিনষ্ট করতেই কিছু কুচক্রী মহল এসব অপকর্ম করাচ্ছেন৷

তিনি জানান, ৩৫ লাখ টাকা নয়, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা হয়ত তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজও ইতোমধ্যেই সম্পন্নও করেছি, ইনশাআল্লাহ।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বৃহস্পতিবার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদনটি এখনও হাতে পাইনি। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

খবর প্রতিদিন ২৪

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬


নবীনগরের শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ !

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনার পর ওই ইউপির ১ থেকে ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৯ জন ইউপি সদস্য (মেম্বার) একত্রিত হয়ে অভিযুক্ত দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানে মজিবের বিরুদ্ধে ‘অনাস্থা’ এনে এর প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান এম আর মজিব তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যে দাবি করে এ ধরনের আবেদনকে সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক বলেছেন।

তবে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আবু সাঈদ বৃহস্পতিবার রাতে মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে জানান, অভিযোগের সত্যতা পেলে অবশ্যই শিবপুরের দুর্নীতিবাজ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই লিখিত আবেদনে ৯ ইউপি সদস্য একত্রিত হয়ে লিখিতভাবে অভিযোগ করেন, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে প্রদেয় নগদ ৩৫ লাখ টাকার পুরোটা পরিষদের কোনো সদস্যকে না জানিয়ে চেয়ারম্যান মজিব বিভিন্ন ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ব্যাংক থেকে পুরো টাকা তুলে নিজেই আত্মসাৎ করেন।

অভিযোগের স্বপক্ষে আবেদনের সঙ্গে দাখিল করা বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবীনগর শাখার স্টেটমেন্টেও দেখা যায়, বিগত ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ওই চেয়ারম্যান মোট ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে ৩৫ লাখ টাকার পুরোটাই তুলে আত্মসাৎ করেন।

ডিসির কাছে দেওয়া লিখিত ওই আবেদনে বলা হয়, এসব ভুয়া প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে সর্বসম্মতভাবে পাস না করেই চেয়ারম্যান মজিব এককভাবে ৩৫ লাখ টাকার সমুদয়টা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

এ বিষয়ে আবদনকারী স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া বলেন,দুর্নীতিবাজ  চেয়ারম্যান মজিবের অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর লিখে শেষ করা যাবে না৷ শুধু সরকারের ভূমি হস্তান্তর করের প্রদেয় ১ শতাংশের ৩৫ লাখ টাকা কীভাবে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে আত্মসাৎ করেছেন, সেটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই পরিষ্কার বুঝা যাব।

তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান এম আর মুজিব বৃহস্পতিবার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদনকারীদের সব তথ্যই অসত্য। মূলত সামনে ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে আমার ক্লিন ইমেজকে বিনষ্ট করতেই কিছু কুচক্রী মহল এসব অপকর্ম করাচ্ছেন৷

তিনি জানান, ৩৫ লাখ টাকা নয়, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা হয়ত তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজও ইতোমধ্যেই সম্পন্নও করেছি, ইনশাআল্লাহ।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ বৃহস্পতিবার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, আবেদনটি এখনও হাতে পাইনি। তবে অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


খবর প্রতিদিন ২৪

প্রকাশক
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)
সম্পাদক
খন্দকার আমিনুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
মোঃ তরিকুল ইসলাম
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম [পরিচালক] বাংলাদেশ স্যাটেলাইট
আইন উপদেষ্টা
মুহাম্মদ গোলাম হোসেন (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
নবীনগরের শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ !
0:00 / 0:00
1x