খবর প্রতিদিন ২৪

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘এইচ’-এর প্রথম ম্যাচেই এক বড় ধরনের অঘটনের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন তথা ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী পরাশক্তি স্পেনকে গোলশূন্য (০-০) ড্রয়ে থা‌মি‌য়ে দিয়েছে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে।প

সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের সা‌থে প‌য়েন্ট ভাগাভা‌গি নবাগত কেপ ভার্দের



সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের সা‌থে প‌য়েন্ট ভাগাভা‌গি নবাগত কেপ ভার্দের
সুত্র: কালেক্টেড

​এই ম্যাচে স্পেনের অন্যতম বড় ভরসা রিয়াল সোসিয়াদাদের মিডফিল্ডার মিকেল ওইয়ারসাবাল এক অদ্ভুত ও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের জন্ম দেন। ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি মাঠে পুরোপুরি অদৃশ্য ছিলেন এবং পায়ে একটিবারের জন্যও বল ছোঁয়াতে পারেননি।

১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের ডাটা সংরক্ষণের ইতিহাসে কোনো ফুটবলারের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম ঘটল। অবশ্য শুরুর সেই ধাক্কা সামলে পরবর্তীতে দলের আক্রমণে কিছুটা ভূমিকা রাখেন ওইয়ারসাবাল, কিন্তু তা স্পেনের জয় নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

প্রথম ম্যাচেই এমন হোঁচট খাওয়ার পর টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে স্পেনের পরবর্তী ম্যাচ দুটি হবে উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘এইচ’-এর প্রথম ম্যাচেই এক বড় ধরনের অঘটনের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন তথা ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী পরাশক্তি স্পেনকে গোলশূন্য (০-০) ড্রয়ে থা‌মি‌য়ে দিয়েছে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে।

পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের একচেটিয়া আধিপত্য থাকলেও কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণ ও গোলরক্ষকের বীরত্বে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এবং ঐতিহাসিক এই ফল অর্জন করেছে নবাগত দলটি।

​ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের আক্রমণভাগ কেপ ভার্দের রক্ষণভাগকে চেপে ধরে। পুরো ম্যাচে লা রোজা গোলের উদ্দেশ্যে মোট ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ৭টি শট ছিল একেবারে লক্ষ্যে। বিপরীতে আফ্রিকার দেশটির শট ছিল মাত্র ৬টি।

তবে স্পেনের একের পর এক আক্রমণ আলোর মুখ না দেখার মূল কারণ ছিলেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। প্রথমার্ধের শেষদিকে স্পেনের তারকা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের একটি দুর্দান্ত শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং ফিরতি বলে মিকেল ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন ভোজিনিয়া।

এরপর প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে তোরেস ও এমেরিক লাপোর্তের আরও দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ রুখে দিয়ে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

​বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কেপ ভার্দেও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার স্পেনের শিবিরে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু ভালো ফিনিশারের অভাবে তারা গোল পায়নি।

অন্যদিকে স্পেনের আক্রমণগুলো বারবার ভোজিনিয়া ও কেপ ভার্দের রক্ষণে আটকে যাচ্ছিল। অবস্থা বেগতিক দেখে ম্যাচের ৭০ মিনিটে চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠা তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ।

তবে এই চটজলদি পরিবর্তনেও শেষ রক্ষা হয়নি। স্পেনের আক্রমণভাগকে পুরোপুরি নিষ্প্রভ করে দিয়ে ম্যাচটি গোলশূন্যভাবেই শেষ করতে সক্ষম হয় কেপ ভার্দে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

খবর প্রতিদিন ২৪

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের সা‌থে প‌য়েন্ট ভাগাভা‌গি নবাগত কেপ ভার্দের

প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬

featured Image

​এই ম্যাচে স্পেনের অন্যতম বড় ভরসা রিয়াল সোসিয়াদাদের মিডফিল্ডার মিকেল ওইয়ারসাবাল এক অদ্ভুত ও অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডের জন্ম দেন। ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিনি মাঠে পুরোপুরি অদৃশ্য ছিলেন এবং পায়ে একটিবারের জন্যও বল ছোঁয়াতে পারেননি।

১৯৬৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের ডাটা সংরক্ষণের ইতিহাসে কোনো ফুটবলারের ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম ঘটল। অবশ্য শুরুর সেই ধাক্কা সামলে পরবর্তীতে দলের আক্রমণে কিছুটা ভূমিকা রাখেন ওইয়ারসাবাল, কিন্তু তা স্পেনের জয় নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

প্রথম ম্যাচেই এমন হোঁচট খাওয়ার পর টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে স্পেনের পরবর্তী ম্যাচ দুটি হবে উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘এইচ’-এর প্রথম ম্যাচেই এক বড় ধরনের অঘটনের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন তথা ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী পরাশক্তি স্পেনকে গোলশূন্য (০-০) ড্রয়ে থা‌মি‌য়ে দিয়েছে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে।

পুরো ম্যাচজুড়ে স্পেনের একচেটিয়া আধিপত্য থাকলেও কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণ ও গোলরক্ষকের বীরত্বে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এবং ঐতিহাসিক এই ফল অর্জন করেছে নবাগত দলটি।

​ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের আক্রমণভাগ কেপ ভার্দের রক্ষণভাগকে চেপে ধরে। পুরো ম্যাচে লা রোজা গোলের উদ্দেশ্যে মোট ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ৭টি শট ছিল একেবারে লক্ষ্যে। বিপরীতে আফ্রিকার দেশটির শট ছিল মাত্র ৬টি।

তবে স্পেনের একের পর এক আক্রমণ আলোর মুখ না দেখার মূল কারণ ছিলেন কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। প্রথমার্ধের শেষদিকে স্পেনের তারকা ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের একটি দুর্দান্ত শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে এবং ফিরতি বলে মিকেল ওইয়ারসাবালের নেওয়া হেড অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন ভোজিনিয়া।

এরপর প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে তোরেস ও এমেরিক লাপোর্তের আরও দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ রুখে দিয়ে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।

​বিরতির পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কেপ ভার্দেও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার স্পেনের শিবিরে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু ভালো ফিনিশারের অভাবে তারা গোল পায়নি।

অন্যদিকে স্পেনের আক্রমণগুলো বারবার ভোজিনিয়া ও কেপ ভার্দের রক্ষণে আটকে যাচ্ছিল। অবস্থা বেগতিক দেখে ম্যাচের ৭০ মিনিটে চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠা তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে মাঠে নামান স্প্যানিশ কোচ।

তবে এই চটজলদি পরিবর্তনেও শেষ রক্ষা হয়নি। স্পেনের আক্রমণভাগকে পুরোপুরি নিষ্প্রভ করে দিয়ে ম্যাচটি গোলশূন্যভাবেই শেষ করতে সক্ষম হয় কেপ ভার্দে।


খবর প্রতিদিন ২৪

প্রকাশক
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)
সম্পাদক
খন্দকার আমিনুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
মোঃ তরিকুল ইসলাম
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম [পরিচালক] বাংলাদেশ স্যাটেলাইট
আইন উপদেষ্টা
মুহাম্মদ গোলাম হোসেন (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের সা‌থে প‌য়েন্ট ভাগাভা‌গি নবাগত কেপ ভার্দের
0:00 / 0:00
1x