নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সালিশি বৈঠকে অস্ত্র উচিয়ে গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনায় সেই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী রানা মিয়াকে গ্রেফতার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ।
রবিবার রাতে গোপন সংবাদ এর ভিওিতে রূপগঞ্জ থানার কায়েতপারা ইউনিয়ন এর অন্তর্গত বড়ালুপারাগাঁও ( ডাক্তারখালী) গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে ।
গ্রেফতারকৃত রানা মিয়া রূপগঞ্জ উপজেলার মাছিমপুর এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন।
পুলিশ জানায়, ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা সাইট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বরুনা এলাকায় আলাল খাঁ নামের এক যুবককে মারপিট করে একই এলাকার ফরিদ, সজিব, রিপনসহ তাদের লোকজন।
এ নিয়ে গত ১১ মে বেলা ১১টার দিকে বরুনা মধ্যপাড়া মসজিদে সামনে সালিশি বৈঠক বসে। ওই সালিশি বৈঠকে আসামিদের পক্ষে সন্ত্রাসীরা ভুক্তভোগী আলাল খাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় রানা মিয়াসহ কয়েকজন পিস্তল খুঁচিয়ে সন্ত্রাসীরা এলাকায় মোহড়া দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষন করেন।
এ সময় সন্ত্রাসীরা বিএনপি'র কার্যালয়সহ ওই এলাকার জয়নাল আবেদীন, টুকু বুরি, ও নবীর হোসেনসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর লুটপাট চালায়। এ সময় হামলাকারীরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। শুধু তাই নয় ওই সময় মোমেন মিয়াসহ বেশ কয়েকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
ওই ঘটনায় আহত মোমেনের ভাই রিপন খা বাদী হয়ে ২২ জনকে নামীয় অজ্ঞাত ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পলাতক আসামী রানা মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ আরো জানান গ্রেপ্তার কৃত রানা মিয়ার নামে ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সালিশি বৈঠকে অস্ত্র উচিয়ে গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনায় সেই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী রানা মিয়াকে গ্রেফতার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ।
রবিবার রাতে গোপন সংবাদ এর ভিওিতে রূপগঞ্জ থানার কায়েতপারা ইউনিয়ন এর অন্তর্গত বড়ালুপারাগাঁও ( ডাক্তারখালী) গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে ।
গ্রেফতারকৃত রানা মিয়া রূপগঞ্জ উপজেলার মাছিমপুর এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এএইচএম সালাউদ্দিন।
পুলিশ জানায়, ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা সাইট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বরুনা এলাকায় আলাল খাঁ নামের এক যুবককে মারপিট করে একই এলাকার ফরিদ, সজিব, রিপনসহ তাদের লোকজন।
এ নিয়ে গত ১১ মে বেলা ১১টার দিকে বরুনা মধ্যপাড়া মসজিদে সামনে সালিশি বৈঠক বসে। ওই সালিশি বৈঠকে আসামিদের পক্ষে সন্ত্রাসীরা ভুক্তভোগী আলাল খাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় রানা মিয়াসহ কয়েকজন পিস্তল খুঁচিয়ে সন্ত্রাসীরা এলাকায় মোহড়া দিয়ে এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষন করেন।
এ সময় সন্ত্রাসীরা বিএনপি'র কার্যালয়সহ ওই এলাকার জয়নাল আবেদীন, টুকু বুরি, ও নবীর হোসেনসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি ঘরে হামলা ভাঙচুর লুটপাট চালায়। এ সময় হামলাকারীরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে। শুধু তাই নয় ওই সময় মোমেন মিয়াসহ বেশ কয়েকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
ওই ঘটনায় আহত মোমেনের ভাই রিপন খা বাদী হয়ে ২২ জনকে নামীয় অজ্ঞাত ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
ওই মামলায় পলাতক আসামী রানা মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ আরো জানান গ্রেপ্তার কৃত রানা মিয়ার নামে ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
