শিরোপা জিতেছে স্পেন ২০২৬ বিশ্বকাপের। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে বদলি ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লা রোজা।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। শেষ দিকে এনজো ফের্নান্দেস লাল কার্ড দেখায় একজন কম নিয়ে খেলতে হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। সেই সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে খুব বেশি সময় নেয়নি স্পেন।
অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মাত্র ৩৭ সেকেন্ডের মাথায় ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে লা রোজা। পেদ্রো পোরোর ক্রস দূরের পোস্টে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। দারুণ দক্ষতায় বল নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড এক মুহূর্তও দেরি না করে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে স্পেনকে এগিয়ে দেন ১-০ ব্যবধানে।
১০৬ মিনিটের সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হন ফেরান তোরেস। ২০১৪ সালে জার্মানির মারিও গ্যোটজের পর তিনিই প্রথম বদলি হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়লেন।
গোল হজমের পর লিওনেল মেসিকে সামনে রেখে মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। তবে স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ আর সময়ক্ষেপণের কৌশল ভেদ করে আর জালের দেখা পায়নি আলবিসেলেস্তেরা।
পুরো ম্যাচে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখানো স্পেন শেষ পর্যন্ত প্রাপ্য জয়ই তুলে নেয়। ফেরান তোরেসের অতিরিক্ত সময়ের সেই একমাত্র গোলেই ১৬ বছর পর আবারও ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ মুকুট নিজেদের করে নিল স্প্যানিশরা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোপা জিতেছে স্পেন ২০২৬ বিশ্বকাপের। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে বদলি ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১০ জনের আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল লা রোজা।
নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ে গড়ায় ম্যাচ। শেষ দিকে এনজো ফের্নান্দেস লাল কার্ড দেখায় একজন কম নিয়ে খেলতে হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে। সেই সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে খুব বেশি সময় নেয়নি স্পেন।
অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মাত্র ৩৭ সেকেন্ডের মাথায় ডান প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে লা রোজা। পেদ্রো পোরোর ক্রস দূরের পোস্টে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। দারুণ দক্ষতায় বল নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড এক মুহূর্তও দেরি না করে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে স্পেনকে এগিয়ে দেন ১-০ ব্যবধানে।
১০৬ মিনিটের সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হন ফেরান তোরেস। ২০১৪ সালে জার্মানির মারিও গ্যোটজের পর তিনিই প্রথম বদলি হিসেবে বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করার কীর্তি গড়লেন।
গোল হজমের পর লিওনেল মেসিকে সামনে রেখে মরিয়া হয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। তবে স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ আর সময়ক্ষেপণের কৌশল ভেদ করে আর জালের দেখা পায়নি আলবিসেলেস্তেরা।
পুরো ম্যাচে বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখানো স্পেন শেষ পর্যন্ত প্রাপ্য জয়ই তুলে নেয়। ফেরান তোরেসের অতিরিক্ত সময়ের সেই একমাত্র গোলেই ১৬ বছর পর আবারও ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ মুকুট নিজেদের করে নিল স্প্যানিশরা।
