প্রায় পাঁচ মাস পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন উপলক্ষে ছয় দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইরান। আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে এসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিন নিহত হন খামেনি। তার মৃত্যুর কয়েক মাস পর এই রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের অভিযোগ, বিপুল জনসমাগম নিশ্চিত করতেই এত দেরিতে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ৩ জুলাই তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের জন্য শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান হবে। ৪ ও ৫ জুলাই রাজধানীর ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় জনসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়েছে। ৬ জুলাই তেহরানে অনুষ্ঠিত হবে প্রধান শোকযাত্রা।
এরপর ৭ জুলাই কুম, ৮ জুলাই ইরাকের শিয়া ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় এবং ৯ জুলাই ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে শোকানুষ্ঠান হবে।
মাশহাদ খামেনির জন্মস্থান। সেখানেই শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে ইরাকও নিশ্চিত করেছে, নাজাফ ও কারবালায় খামেনির জানাজার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠান কভার করতে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের জন্য নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটস (পিএমইউ)।
সূত্র:সিএনএন
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
প্রায় পাঁচ মাস পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন উপলক্ষে ছয় দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইরান। আগামী ৪ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে এসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিন নিহত হন খামেনি। তার মৃত্যুর কয়েক মাস পর এই রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের অভিযোগ, বিপুল জনসমাগম নিশ্চিত করতেই এত দেরিতে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ৩ জুলাই তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের জন্য শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান হবে। ৪ ও ৫ জুলাই রাজধানীর ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় জনসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়েছে। ৬ জুলাই তেহরানে অনুষ্ঠিত হবে প্রধান শোকযাত্রা।
এরপর ৭ জুলাই কুম, ৮ জুলাই ইরাকের শিয়া ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় এবং ৯ জুলাই ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে শোকানুষ্ঠান হবে।
মাশহাদ খামেনির জন্মস্থান। সেখানেই শিয়া মুসলিমদের অন্যতম পবিত্র স্থান ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হবে।
এদিকে ইরাকও নিশ্চিত করেছে, নাজাফ ও কারবালায় খামেনির জানাজার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠান কভার করতে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের জন্য নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটস (পিএমইউ)।
সূত্র:সিএনএন
