সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ, টানা ১৮ মাস ধরে চলা তীব্র সরকারবিরোধী ও ছাত্র বিক্ষোভের মুখে অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানী বেলগ্রেডে বিশাল এক সরকারপন্থী সমাবেশে তিনি জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করবেন এবং দেশে আগাম রাষ্ট্রপতি ও সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ভুচিচ দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে তার ডানপন্থী সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি আগের চেয়েও বড় ব্যবধানে বিজয়ী হবে। তবে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে কবে নাগাদ পদত্যাগপত্র জমা দেবেন কিংবা নির্বাচনের দিনক্ষণ কী হবে, সে বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দেননি। বর্তমান মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৭ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত তার ক্ষমতায় থাকার কথা ছিল, কিন্তু দীর্ঘ ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকার পর সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে তাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলো।
গত নভেম্বর মাসে নভি সাদ রেল স্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যুর পর থেকে পুরো দেশজুড়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। মূলত তরুণ প্রজন্ম এবং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে মাসব্যাপী চলা এই বিক্ষোভ প্রেসিডেন্ট ভুচিচের দীর্ঘদিনের ক্ষমতাকে টালমাটাল করে দিয়েছে।
ভুচিচ চলমান বিক্ষোভকারীদের বারবার ‘বিদেশি এজেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বিক্ষোভ দমনে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং নির্বিচারে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এদিকে, রাষ্ট্রপতির ঘোষণার বিপরীতে রোববার মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রালিয়েভোতে নতুন করে বড় ধরনের সমাবেশের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, যেখানে তারা আগাম নির্বাচনের দাবি আরও জোরালো করবেন বলে জানা গেছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ, টানা ১৮ মাস ধরে চলা তীব্র সরকারবিরোধী ও ছাত্র বিক্ষোভের মুখে অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানী বেলগ্রেডে বিশাল এক সরকারপন্থী সমাবেশে তিনি জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করবেন এবং দেশে আগাম রাষ্ট্রপতি ও সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
ভুচিচ দাবি করেন, আগামী নির্বাচনে তার ডানপন্থী সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি আগের চেয়েও বড় ব্যবধানে বিজয়ী হবে। তবে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে কবে নাগাদ পদত্যাগপত্র জমা দেবেন কিংবা নির্বাচনের দিনক্ষণ কী হবে, সে বিষয়ে পরিষ্কার কোনো তথ্য দেননি। বর্তমান মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৭ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত তার ক্ষমতায় থাকার কথা ছিল, কিন্তু দীর্ঘ ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকার পর সৃষ্ট রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে তাকে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হলো।
গত নভেম্বর মাসে নভি সাদ রেল স্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যুর পর থেকে পুরো দেশজুড়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে। মূলত তরুণ প্রজন্ম এবং শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে মাসব্যাপী চলা এই বিক্ষোভ প্রেসিডেন্ট ভুচিচের দীর্ঘদিনের ক্ষমতাকে টালমাটাল করে দিয়েছে।
ভুচিচ চলমান বিক্ষোভকারীদের বারবার ‘বিদেশি এজেন্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বিক্ষোভ দমনে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ এবং নির্বিচারে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এদিকে, রাষ্ট্রপতির ঘোষণার বিপরীতে রোববার মধ্যাঞ্চলীয় শহর ক্রালিয়েভোতে নতুন করে বড় ধরনের সমাবেশের ডাক দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা, যেখানে তারা আগাম নির্বাচনের দাবি আরও জোরালো করবেন বলে জানা গেছে।
