মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী দুর্গম আলোকদিয়াচর এলাকায় যমুনা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ধারাবাহিকভাবে নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি,জনস্বার্থ,পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় আইনকে উপেক্ষা করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রকাশ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলন এবং শতাধিক বাল্কহেডে লোড-আনলোড কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং একটি সক্রিয় চক্র এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া-দৌলতপুরে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। একের পর এক নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে পড়েছে চারতলা একটি মাদ্রাসা ভবনও। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে বালু তোলায় ভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
তিন দফা নদীভাঙনের ক্ষত বুকে নিয়েও ২০ বছর আগে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মন্দী গ্রামে নতুন করে জীবন শুরু করেছিলেন শান্তি বেগম। রোববার (৫ জুলাই২৬) রাতে পদ্মা-যমুনার আগ্রাসী স্রোত আচমকা নদী গর্ভে চলে গেছে তার শেষ সম্বল বসত-ভিটুকুও।
রবিবার(১৯ জুলাই ২৬ইং) গণমাধ্যমকে শান্তি বেগম বলেন,তিনবার নদী ভাঙার ফলে,চার ছেলে নিয়ে এখন কোথায় যাবো জানি না? ঘরে চালও নাই,ডালও নাই। এখন কী করবো? থাকার কোনো জায়গা নেই। হাতেও কোনো টাকা নাই।
শুধু শান্তি বেগমই নন,বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়েছে শতাধিক বসতভিটা ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় অনেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন ঘরবাড়ি। কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। নদী ভাঙনে পড়া স্থানীয়রা জানান,এখন আর তাদের যাওয়ার মতো কোনো জায়গাও নেই।
এদিকে,ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা। যমুনা নদী থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরে থাকা চারতলা ভবনের সীমানা দেয়াল এরই মধ্যে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা,দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি ভবনও যে কোনো সময় নদীতে হারিয়ে যেতে পারে। মাদ্রাসার একজন ছাত্র বলেন,‘মাদ্রাসা যদি নদীতে ভাঙে যায়,তাহলে আমাদের পড়াশোনা করার মতো কোনো জায়গা নেই।
মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন,
জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে যমুনার অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। নদীর আগ্রাসন থামাতে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া না হলে বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সংকট তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৯ জুলাই ২৬ সকাল আনুমানিক ৮টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আলোকদিয়াচর এলাকায় জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ৭ ও ৮ নম্বর টাওয়ারের প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে যমুনার বিভিন্ন পয়েন্টে ১০টিরও বেশি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার দিয়ে ব্যাপকহারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শতাধিক বাল্কহেডে বালু লোড ও আনলোডের কার্যক্রম চলতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের পর দিন প্রকাশ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসনের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তাদের দাবি, প্রভাবশালী রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণে অভিযুক্ত চক্রটি কার্যত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
যমুনা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাষ্ট্রীয় আইন যদি প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হয় এবং প্রশাসন তা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে জনস্বার্থ ও আইনের শাসন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়। তাদের অভিযোগ, অব্যাহত অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হচ্ছে, তীব্র ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং জনপদ,কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়ছে।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন,২০১০ অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আইনের ধারা ১৫-এ এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, অথবা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন,আপনাদের কয়েকটি প্রতিবেদন আমি দেখেছি। স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউএনও অভিযানও পরিচালনা করেছেন।"তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন,যদি অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে,তাহলে এখনো কীভাবে একাধিক ড্রেজার ও শতাধিক বাল্কহেডে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন এবং পরিবহন কার্যক্রম চলমান রয়েছে? তাদের দাবি,বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, বরং আইনের কঠোর ও ধারাবাহিক প্রয়োগের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী দুর্গম আলোকদিয়াচর এলাকায় যমুনা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ধারাবাহিকভাবে নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।স্থানীয়দের দাবি,জনস্বার্থ,পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় আইনকে উপেক্ষা করে সংঘবদ্ধ একটি চক্র প্রকাশ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার ব্যবহার করে বালু উত্তোলন এবং শতাধিক বাল্কহেডে লোড-আনলোড কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে এবং একটি সক্রিয় চক্র এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া-দৌলতপুরে যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। একের পর এক নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা ও ফসলি জমি। হুমকির মুখে পড়েছে চারতলা একটি মাদ্রাসা ভবনও। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে বালু তোলায় ভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
তিন দফা নদীভাঙনের ক্ষত বুকে নিয়েও ২০ বছর আগে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের বাঘুটিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মন্দী গ্রামে নতুন করে জীবন শুরু করেছিলেন শান্তি বেগম। রোববার (৫ জুলাই২৬) রাতে পদ্মা-যমুনার আগ্রাসী স্রোত আচমকা নদী গর্ভে চলে গেছে তার শেষ সম্বল বসত-ভিটুকুও।
রবিবার(১৯ জুলাই ২৬ইং) গণমাধ্যমকে শান্তি বেগম বলেন,তিনবার নদী ভাঙার ফলে,চার ছেলে নিয়ে এখন কোথায় যাবো জানি না? ঘরে চালও নাই,ডালও নাই। এখন কী করবো? থাকার কোনো জায়গা নেই। হাতেও কোনো টাকা নাই।
শুধু শান্তি বেগমই নন,বাঘুটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়েছে শতাধিক বসতভিটা ও বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। সর্বস্ব হারানোর শঙ্কায় অনেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন ঘরবাড়ি। কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। নদী ভাঙনে পড়া স্থানীয়রা জানান,এখন আর তাদের যাওয়ার মতো কোনো জায়গাও নেই।
এদিকে,ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে চরকালিকাপুর শুকুরিয়া দাখিল মাদ্রাসা। যমুনা নদী থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরে থাকা চারতলা ভবনের সীমানা দেয়াল এরই মধ্যে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা,দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দুটি ভবনও যে কোনো সময় নদীতে হারিয়ে যেতে পারে। মাদ্রাসার একজন ছাত্র বলেন,‘মাদ্রাসা যদি নদীতে ভাঙে যায়,তাহলে আমাদের পড়াশোনা করার মতো কোনো জায়গা নেই।
মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বলেন,
জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিতে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে যমুনার অব্যাহত ভাঙনে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। নদীর আগ্রাসন থামাতে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া না হলে বসতভিটা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সংকট তৈরির আশঙ্কা রয়েছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৯ জুলাই ২৬ সকাল আনুমানিক ৮টায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আলোকদিয়াচর এলাকায় জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের ৭ ও ৮ নম্বর টাওয়ারের প্রায় ২ থেকে ৩ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে যমুনার বিভিন্ন পয়েন্টে ১০টিরও বেশি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ড্রেজার দিয়ে ব্যাপকহারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শতাধিক বাল্কহেডে বালু লোড ও আনলোডের কার্যক্রম চলতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনের পর দিন প্রকাশ্যে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি কিংবা প্রশাসনের দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। তাদের দাবি, প্রভাবশালী রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণে অভিযুক্ত চক্রটি কার্যত ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
যমুনা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাষ্ট্রীয় আইন যদি প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হয় এবং প্রশাসন তা কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়, তবে জনস্বার্থ ও আইনের শাসন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি হয়। তাদের অভিযোগ, অব্যাহত অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হচ্ছে, তীব্র ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ছে এবং জনপদ,কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হুমকির মুখে পড়ছে।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন,২০১০ অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া বালু উত্তোলন একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। আইনের ধারা ১৫-এ এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড, অথবা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন,আপনাদের কয়েকটি প্রতিবেদন আমি দেখেছি। স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউএনও অভিযানও পরিচালনা করেছেন।"তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন,যদি অভিযান পরিচালিত হয়ে থাকে,তাহলে এখনো কীভাবে একাধিক ড্রেজার ও শতাধিক বাল্কহেডে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন এবং পরিবহন কার্যক্রম চলমান রয়েছে? তাদের দাবি,বিচ্ছিন্ন অভিযান নয়, বরং আইনের কঠোর ও ধারাবাহিক প্রয়োগের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
