ফেসবুকে ইসলাম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা এলাকার বাসিন্দা প্রাণেশ মোদককে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, রবিবার (৫ জুলাই) প্রাণেশ মোদক ঢাকার বনানী থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনা হয় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে প্রাণেশ মোদকের ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর একটি পোস্ট প্রকাশিত হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
তবে প্রাণেশ মোদক অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি ওই পোস্ট সম্পর্কে অবগত নন এবং নিজে এমন কোনো পোস্ট করেননি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকীব উর রাজা জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাণেশ মোদক বর্তমানে ঢাকার করাইল এলাকায় বসবাস করেন এবং ঝালমুড়ি-চানাচুর বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং স্থানীয় একটি বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে তার প্রথম সংসারের বড় ছেলে, যিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তার নামে ওই পোস্ট করে থাকতে পারেন। তবে এ দাবির সত্যতা এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
ফেসবুকে ইসলাম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা এলাকার বাসিন্দা প্রাণেশ মোদককে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, রবিবার (৫ জুলাই) প্রাণেশ মোদক ঢাকার বনানী থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আনা হয় এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে প্রাণেশ মোদকের ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর একটি পোস্ট প্রকাশিত হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
তবে প্রাণেশ মোদক অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তিনি ওই পোস্ট সম্পর্কে অবগত নন এবং নিজে এমন কোনো পোস্ট করেননি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকীব উর রাজা জানান, ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের স্বার্থে অভিযুক্তের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, প্রাণেশ মোদক বর্তমানে ঢাকার করাইল এলাকায় বসবাস করেন এবং ঝালমুড়ি-চানাচুর বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং স্থানীয় একটি বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরে তার প্রথম সংসারের বড় ছেলে, যিনি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে তার নামে ওই পোস্ট করে থাকতে পারেন। তবে এ দাবির সত্যতা এখনো তদন্তে নিশ্চিত হয়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
