খবর প্রতিদিন ২৪

এয়ারপোর্টের অকশন ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার পরিচয়ে প্রতারণা: সিআইডির অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার



এয়ারপোর্টের অকশন ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার পরিচয়ে  প্রতারণা: সিআইডির অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অকশন ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে অকশনে কম মূল্যে আইফোনসহ দামি মোবাইল, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্য সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)’র সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম অভিযুক্ত মো.  ইব্রাহিম হোসেন@রবিন শিকদার (২৮), পিতা- মো. মোস্তফা, মাতা- মুসলিমা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা/সাং- বাড়ী নং- ক-১৯২/২, সারুলিয়া, ইউনিয়ন ও পোস্ট-সারুলিয়া, থানা- ডেমরা, জেলা- ঢাকা। সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ০৬/০৭/২০২৬ খ্রি.(০৫/০৭/২০২৬ খ্রি. দিবাগত ) মধ্যরাতে ডিএমপির ভাটারা ও বাড্ডা থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উত্তর বাড্ডার কমিশনার গলি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদী ঢাকার একটি বেসরকারি জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত। প্রতারক চক্রের সদস্যরা প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বাদীর সাথে যোগাযোগ করে। চক্রটি নিজেদেরকে বিমানবন্দরের অকশন ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা এবং পরবর্তীতে অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জন করে। কথোপকথনের একপর্যায়ে তারা জানায়, বিমানবন্দরের অকশনে জব্দকৃত বা অব্যবহৃত আইফোন, স্যামসাং মোবাইল, ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন মূল্যবান ইলেকট্রনিক্স পণ্য বাজারমূল্যের তুলনায় অত্যন্ত কম দামে বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি তারা দাবি করে, তাদের অধীনে কর্মরত প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী জীবনবীমার পলিসি গ্রহণে আগ্রহী, যার মাধ্যমে ভুক্তভোগীর সঙ্গে একটি বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক তৈরি করা হয়।

পরবর্তীতে প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীকে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং ব্যবসার বৈধতা প্রমাণের জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে জাল অনুমোদনপত্র, কথিত সরকারি নথি, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ (সিএএবি) এর ভুয়া ডকুমেন্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন জাল কাগজপত্র সরবরাহ করে। এসব নথি দেখে ভুক্তভোগী প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়।

এরপর ১১০টি আইফোন, ৭০টি স্যামসাং মোবাইল এবং ৫৪৩টি ল্যাপটপ সরবরাহের কথা বলে বিভিন্ন ধাপে ০২টি ব্যাংক হিসাব ও ০৩টি এমএফএস অ্যাকাউন্টে মোট প্রায় ৩০ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্রটি। টাকা গ্রহণের পর তারা কোনো পণ্য সরবরাহ না করে বিভিন্ন অজুহাত দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তখন ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন যে তিনি একটি সু-পরিকল্পিত প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ডিএমপির পল্টন (ডিএমপি) থানার মামলা নং- ৩৩, তারিখ- ২২/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা- সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর ২১/২২/২৪/২৭ রুজু করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। প্রযুক্তিগত তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতারণার সঙ্গে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেন@ রবিন সিকদার এর সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া যায়। গ্রেফতারকালীন তার কাছ থেকে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত আইফোনসহ ০৫টি মোবাইল ফোন ও ০৭টি সিম জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম, পরিচয় এবং জাল নথিপত্র ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করত। এরপর বিমানবন্দরের অকশনে স্বল্পমূল্যে মূল্যবান ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিত। তদন্তে চক্রটির অন্যান্য সদস্য, ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট এবং প্রতারণার নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেন@রবিন সিকদার ডিএমপির ভাটারা থানার একটি ডিজিটাল প্রতারণা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। গ্রেফতারকৃতর বিরুদ্ধে আরও মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।   

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে  বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান।বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভন, অনলাইনে প্রাপ্ত কথিত সরকারি অনুমোদনপত্র কিংবা অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া ব্যবসায়িক প্রস্তাবে বিশ্বাস করে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সিআইডি জনগণকে সতর্কতা জানাচ্ছে। যেকোনো বিনিয়োগ বা ক্রয়ের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ থানা অথবা সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারে অভিযোগ জানানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

খবর প্রতিদিন ২৪

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬


এয়ারপোর্টের অকশন ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার পরিচয়ে প্রতারণা: সিআইডির অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬

featured Image

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অকশন ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে অকশনে কম মূল্যে আইফোনসহ দামি মোবাইল, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্য সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতারক চক্রের মূলহোতাকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)’র সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম অভিযুক্ত মো.  ইব্রাহিম হোসেন@রবিন শিকদার (২৮), পিতা- মো. মোস্তফা, মাতা- মুসলিমা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা/সাং- বাড়ী নং- ক-১৯২/২, সারুলিয়া, ইউনিয়ন ও পোস্ট-সারুলিয়া, থানা- ডেমরা, জেলা- ঢাকা। সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গত ০৬/০৭/২০২৬ খ্রি.(০৫/০৭/২০২৬ খ্রি. দিবাগত ) মধ্যরাতে ডিএমপির ভাটারা ও বাড্ডা থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উত্তর বাড্ডার কমিশনার গলি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বাদী ঢাকার একটি বেসরকারি জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানে চাকুরিরত। প্রতারক চক্রের সদস্যরা প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বাদীর সাথে যোগাযোগ করে। চক্রটি নিজেদেরকে বিমানবন্দরের অকশন ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা এবং পরবর্তীতে অপারেশন ম্যানেজার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর আস্থা অর্জন করে। কথোপকথনের একপর্যায়ে তারা জানায়, বিমানবন্দরের অকশনে জব্দকৃত বা অব্যবহৃত আইফোন, স্যামসাং মোবাইল, ল্যাপটপ এবং বিভিন্ন মূল্যবান ইলেকট্রনিক্স পণ্য বাজারমূল্যের তুলনায় অত্যন্ত কম দামে বিক্রি করা হবে। পাশাপাশি তারা দাবি করে, তাদের অধীনে কর্মরত প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী জীবনবীমার পলিসি গ্রহণে আগ্রহী, যার মাধ্যমে ভুক্তভোগীর সঙ্গে একটি বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক তৈরি করা হয়।

পরবর্তীতে প্রতারক চক্রটি ভুক্তভোগীকে ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং ব্যবসার বৈধতা প্রমাণের জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে জাল অনুমোদনপত্র, কথিত সরকারি নথি, সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ (সিএএবি) এর ভুয়া ডকুমেন্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্সসহ বিভিন্ন জাল কাগজপত্র সরবরাহ করে। এসব নথি দেখে ভুক্তভোগী প্রতারকদের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়।

এরপর ১১০টি আইফোন, ৭০টি স্যামসাং মোবাইল এবং ৫৪৩টি ল্যাপটপ সরবরাহের কথা বলে বিভিন্ন ধাপে ০২টি ব্যাংক হিসাব ও ০৩টি এমএফএস অ্যাকাউন্টে মোট প্রায় ৩০ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্রটি। টাকা গ্রহণের পর তারা কোনো পণ্য সরবরাহ না করে বিভিন্ন অজুহাত দিতে থাকে এবং একপর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তখন ভুক্তভোগী বুঝতে পারেন যে তিনি একটি সু-পরিকল্পিত প্রতারণার শিকার হয়েছেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী ডিএমপির পল্টন (ডিএমপি) থানার মামলা নং- ৩৩, তারিখ- ২২/০৬/২০২৬ খ্রি., ধারা- সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর ২১/২২/২৪/২৭ রুজু করেন। পরবর্তীতে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)। প্রযুক্তিগত তদন্ত, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রতারণার সঙ্গে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেন@ রবিন সিকদার এর সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া যায়। গ্রেফতারকালীন তার কাছ থেকে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত আইফোনসহ ০৫টি মোবাইল ফোন ও ০৭টি সিম জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম, পরিচয় এবং জাল নথিপত্র ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করত। এরপর বিমানবন্দরের অকশনে স্বল্পমূল্যে মূল্যবান ইলেকট্রনিক্স পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিত। তদন্তে চক্রটির অন্যান্য সদস্য, ব্যবহৃত ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট এবং প্রতারণার নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত ইব্রাহিম হোসেন@রবিন সিকদার ডিএমপির ভাটারা থানার একটি ডিজিটাল প্রতারণা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। গ্রেফতারকৃতর বিরুদ্ধে আরও মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কি না তা যাচাই করা হচ্ছে।   

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক কার্যক্রমে জড়িত থাকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষ্যে সিআইডির অভিযান চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃতদেরকে  বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান।বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।

সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে অস্বাভাবিক কম দামে পণ্য বিক্রির প্রলোভন, অনলাইনে প্রাপ্ত কথিত সরকারি অনুমোদনপত্র কিংবা অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া ব্যবসায়িক প্রস্তাবে বিশ্বাস করে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সিআইডি জনগণকে সতর্কতা জানাচ্ছে। যেকোনো বিনিয়োগ বা ক্রয়ের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্য যাচাই করার পাশাপাশি সন্দেহজনক কোনো ঘটনা ঘটলে দ্রুত নিকটস্থ থানা অথবা সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারে অভিযোগ জানানোর জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।


খবর প্রতিদিন ২৪

প্রকাশক
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)
সম্পাদক
খন্দকার আমিনুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
মোঃ তরিকুল ইসলাম
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম [পরিচালক] বাংলাদেশ স্যাটেলাইট
আইন উপদেষ্টা
মুহাম্মদ গোলাম হোসেন (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
এয়ারপোর্টের অকশন ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজার পরিচয়ে প্রতারণা: সিআইডির অভিযানে প্রতারক চক্রের মূলহোতা গ্রেফতার
0:00 / 0:00
1x