ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম জানিয়েছেন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি পরিচ্ছন্নতা-সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে এবং এর নিষ্পত্তির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন বলে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএসসিসির নগর ভবনে আয়োজিত ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অভিযোগ করতে সিটি করপোরেশনে এসে অভিযোগ না করে এই ক্লিন কেয়ার আ্যাপসের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করা যাবে। এর মাধ্যমে অভিযোগের বিরুদ্ধে কতটুকু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, সেটিও ক্লিন কেয়ার অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে।
কোন এলাকায় দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে হবে- সেটিও এই ক্লিন কেয়ার অ্যাপের মাধ্যমে মনিটরিং করবে সিটি করপোরেশন। এই ক্লিন কেয়ার অ্যাপ সিটি করপোরেশনের জবাবদিহিতার সেতুবন্ধন হবে’, যোগ করেন তিনি।
আব্দুস সালাম বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সনাতন থেকে ডিজিটাল রূপান্তরের দিকে নিয়ে যেতে কাজ করছে সিটি করপোরেশন। কোন এলাকায় কতটুকু আবর্জনা হচ্ছে, কোন আবর্জনা কতটুকু হচ্ছে-- তা ডেটাবেজের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন,জনগণকে সচেতন করা আমাদের কাজ। জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ, আর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ।’
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম জানিয়েছেন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকরা সরাসরি পরিচ্ছন্নতা-সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে এবং এর নিষ্পত্তির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন বলে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ডিএসসিসির নগর ভবনে আয়োজিত ‘ক্লিন কেয়ার’ অ্যাপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে অভিযোগ করতে সিটি করপোরেশনে এসে অভিযোগ না করে এই ক্লিন কেয়ার আ্যাপসের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করা যাবে। এর মাধ্যমে অভিযোগের বিরুদ্ধে কতটুকু পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, সেটিও ক্লিন কেয়ার অ্যাপের মাধ্যমে জানা যাবে।
কোন এলাকায় দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে হবে- সেটিও এই ক্লিন কেয়ার অ্যাপের মাধ্যমে মনিটরিং করবে সিটি করপোরেশন। এই ক্লিন কেয়ার অ্যাপ সিটি করপোরেশনের জবাবদিহিতার সেতুবন্ধন হবে’, যোগ করেন তিনি।
আব্দুস সালাম বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে সনাতন থেকে ডিজিটাল রূপান্তরের দিকে নিয়ে যেতে কাজ করছে সিটি করপোরেশন। কোন এলাকায় কতটুকু আবর্জনা হচ্ছে, কোন আবর্জনা কতটুকু হচ্ছে-- তা ডেটাবেজের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন,জনগণকে সচেতন করা আমাদের কাজ। জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ, আর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ।’
