আসন্ন ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৪ নং কেওড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. তোহিদুল ইসলাম রাসেল জনসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় কার্যক্রম জোরদার করেছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, কুশল বিনিময় এবং উন্নয়ন-ভাবনা তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন কামনা করছেন তিনি।
জনসংযোগকালে তোহিদুল ইসলাম রাসেল নিজেকে একজন তরুণ, শিক্ষিত ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, জনগণ তাকে নির্বাচিত করার সুযোগ দিলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।
তিনি আরও জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া, কেওড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদে পরিণত করতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে ধারাবাহিক জনসংযোগের মাধ্যমে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-প্রত্যাশার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে শুনছেন বলে জানান।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
আসন্ন ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৪ নং কেওড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. তোহিদুল ইসলাম রাসেল জনসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময় কার্যক্রম জোরদার করেছেন। ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়ায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময়, কুশল বিনিময় এবং উন্নয়ন-ভাবনা তুলে ধরে ভোটারদের সমর্থন কামনা করছেন তিনি।
জনসংযোগকালে তোহিদুল ইসলাম রাসেল নিজেকে একজন তরুণ, শিক্ষিত ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, জনগণ তাকে নির্বাচিত করার সুযোগ দিলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।
তিনি আরও জানান, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধ, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এছাড়া, কেওড়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত জনপদে পরিণত করতে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা, পরামর্শ ও দোয়া কামনা করেন।
স্থানীয়দের সঙ্গে ধারাবাহিক জনসংযোগের মাধ্যমে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-প্রত্যাশার বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে শুনছেন বলে জানান।
