অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। বিলটি পাসের আগে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীর সুপারিশ করেন। পরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সব প্রস্তাব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত আয়করের করমুক্ত সীমা বৃদ্ধি, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার বিধান প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন খাতে শুল্ক ও কর কমানোর প্রস্তাব দেন।
এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা, পার্বত্য অঞ্চল ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিল্পের কাঁচামাল ও চিংড়ি খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-ভ্যাট কমানোর সুপারিশও করেন তিনি।
সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও করদাতাবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে।
বাজেট আলোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সব সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও জানান, কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদিদোকান করের আওতার বাইরে থাকবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ছয় হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বেসরকারি খাত, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি বাজেট বাস্তবায়নের জন্য ১০টি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সমাপনী বক্তব্য শেষে অর্থমন্ত্রী অর্থবিল-২০২৬ এবং সংশ্লিষ্ট বিলগুলো পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
অর্থবিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। বিলটি পাসের আগে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনীর সুপারিশ করেন। পরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সব প্রস্তাব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত আয়করের করমুক্ত সীমা বৃদ্ধি, ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার বিধান প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন খাতে শুল্ক ও কর কমানোর প্রস্তাব দেন।
এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা, পার্বত্য অঞ্চল ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কর-সুবিধা বৃদ্ধি এবং শিল্পের কাঁচামাল ও চিংড়ি খাতের বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে শুল্ক-ভ্যাট কমানোর সুপারিশও করেন তিনি।
সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও করদাতাবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে।
বাজেট আলোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সব সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছে। সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও জানান, কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদিদোকান করের আওতার বাইরে থাকবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরে ব্যাংক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ছয় হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বেসরকারি খাত, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উদ্ভাবনকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি বাজেট বাস্তবায়নের জন্য ১০টি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সমাপনী বক্তব্য শেষে অর্থমন্ত্রী অর্থবিল-২০২৬ এবং সংশ্লিষ্ট বিলগুলো পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
