কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ঝালকাঠি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকিরসহ চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে তাদের ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রবেশপথ, এজলাসের আশপাশসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো আদালত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়।
আদালতে হাজির করার পর বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলার নিয়মিত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি থাকলেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি ছিল শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আদালতের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
তবে মামলার অগ্রগতি কিংবা পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পর্কে আদালত বা সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ঝালকাঠি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকিরসহ চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে তাদের ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হলে আদালত প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। প্রবেশপথ, এজলাসের আশপাশসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন। সম্ভাব্য যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুরো আদালত এলাকায় কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়।
আদালতে হাজির করার পর বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলার নিয়মিত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি থাকলেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি ছিল শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আদালতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আদালতের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
তবে মামলার অগ্রগতি কিংবা পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পর্কে আদালত বা সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
