আগুন, ভূমিকম্প কিংবা যেকোনো আকস্মিক দুর্যোগ—এসব পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সঠিক সিদ্ধান্ত ও দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা। দুর্যোগের মুহূর্তে কীভাবে জীবন রক্ষা করা যায় এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তারই বাস্তবধর্মী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে ঝালকাঠিতে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারের লক্ষ্যে সোমবার (২৯ জুন) ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসার বহুতল ভবনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একটি উদ্ধার মহড়া (মকড্রিল) আয়োজন করে। এতে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে ভবনের ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারের বিভিন্ন কৌশল বাস্তব পরিস্থিতির আদলে প্রদর্শন করা হয়।
মহড়ায় ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর শ্রীবাস বাড়ইয়ের নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্দুল মালেকসহ ১৭ সদস্যের একটি প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল অংশ নেয়। তারা অত্যাধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধাপে ধাপে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। পুরো মহড়াটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি করে।
ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর শ্রীবাস বাড়ই বলেন, “ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ মকড্রিলের আয়োজন করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় কীভাবে দ্রুত, সঠিক ও সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে হয়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের মহড়া মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে এবং সংকটময় মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রতি মাসেই এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।”
মহড়া শেষে শিক্ষার্থীরা উদ্ধার কার্যক্রম, দুর্যোগের সময় করণীয় এবং প্রাথমিক নিরাপত্তাবিষয়ক নানা প্রশ্ন করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের নিরাপদে ভবন ত্যাগের কৌশল, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় এবং প্রাথমিক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে শুধু উদ্ধারকারী বাহিনীর সক্ষমতা যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষের সচেতনতা, পূর্বপ্রস্তুতি এবং নিয়মিত অনুশীলনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের বাস্তবধর্মী মহড়া দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
আগুন, ভূমিকম্প কিংবা যেকোনো আকস্মিক দুর্যোগ—এসব পরিস্থিতিতে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সঠিক সিদ্ধান্ত ও দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা। দুর্যোগের মুহূর্তে কীভাবে জীবন রক্ষা করা যায় এবং উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তারই বাস্তবধর্মী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে ঝালকাঠিতে।
জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদারের লক্ষ্যে সোমবার (২৯ জুন) ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসার বহুতল ভবনে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একটি উদ্ধার মহড়া (মকড্রিল) আয়োজন করে। এতে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে ভবনের ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া ব্যক্তিদের নিরাপদে উদ্ধারের বিভিন্ন কৌশল বাস্তব পরিস্থিতির আদলে প্রদর্শন করা হয়।
মহড়ায় ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর শ্রীবাস বাড়ইয়ের নেতৃত্বে ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আব্দুল মালেকসহ ১৭ সদস্যের একটি প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল অংশ নেয়। তারা অত্যাধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম ব্যবহার করে ধাপে ধাপে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। পুরো মহড়াটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি করে।
ওয়্যারহাউস ইন্সপেক্টর শ্রীবাস বাড়ই বলেন, “ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এ মকড্রিলের আয়োজন করা হয়েছে। দুর্যোগের সময় কীভাবে দ্রুত, সঠিক ও সমন্বিতভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে হয়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের মহড়া মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে এবং সংকটময় মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স প্রতি মাসেই এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।”
মহড়া শেষে শিক্ষার্থীরা উদ্ধার কার্যক্রম, দুর্যোগের সময় করণীয় এবং প্রাথমিক নিরাপত্তাবিষয়ক নানা প্রশ্ন করেন। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের নিরাপদে ভবন ত্যাগের কৌশল, জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয় এবং প্রাথমিক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে শুধু উদ্ধারকারী বাহিনীর সক্ষমতা যথেষ্ট নয়; সাধারণ মানুষের সচেতনতা, পূর্বপ্রস্তুতি এবং নিয়মিত অনুশীলনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের বাস্তবধর্মী মহড়া দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষের আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
