আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়েই দেশে ফিরেছে। শিরোপা ধরে রাখার মিশন ব্যর্থ হলেও সাবেক চ্যাম্পিয়নদের জন্য ভালোবাসায় কোনো কমতি রাখেননি সমর্থকেরা। রাজধানী বুয়েনস এইরিসের এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল গালিচা, অর্কেস্ট্রার সুর আর হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে বরণ করে নেয়া হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় আর্জেন্টিনা দলের চার্টার্ড বিমানটি এজেইজা বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান থেকে একে একে নামেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া, প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি, কোচিং স্টাফ এবং ১৯ জন ফুটবলার। তবে সেই বহরে ছিলেন না অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ফুটবলার নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় দেশে ফেরেননি।
তবে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আগেই নিশ্চিত করেছিল যে স্কোয়াডের সব সদস্য এই ফ্লাইটে থাকবেন না। অধিনায়ক লিওনেল মেসি বিমানে না থাকায় বিমানবন্দরে তাকে নামতে দেখা যায়নি। তিনিসহ দলের কিছু খেলোয়াড় যুক্তরাষ্ট্রেই থেকে গেছেন।
এজেইজা বিমানবন্দরের কাছে জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পের বাইরে বৃষ্টি ও শীতের চরম প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভিড় জমান হাজার হাজার আলবিসেলেস্তে সমর্থক। নীল-সাদা ছাতা আর জাতীয় পতাকা হাতে ফুটবলারদের ধন্যবাদ জানাতে হাজির হন তারা।
রোববার রাতে ফাইনাল শেষের পরপরই বুয়েনস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী ওবেলিস্ক চত্বরে জমায়েত হন হাজারো সমর্থক। আতশবাজি ফুটিয়ে ও গান গেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রানার্স-আপ দলটিকে তারা অভিবাদন জানান।
তবে রাতের শেষভাগে এই উদযাপনের মাঝে কিছুটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বেশ কিছু উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ওয়াটার ক্যানন, টিয়ার গ্যাস এবং রবার বুলেট ব্যবহার করে। আর্জেন্টাইন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী এই ঘটনায় অন্তত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্বপ্নভঙ্গের হতাশা নিয়েই দেশে ফিরেছে। শিরোপা ধরে রাখার মিশন ব্যর্থ হলেও সাবেক চ্যাম্পিয়নদের জন্য ভালোবাসায় কোনো কমতি রাখেননি সমর্থকেরা। রাজধানী বুয়েনস এইরিসের এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল গালিচা, অর্কেস্ট্রার সুর আর হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে বরণ করে নেয়া হয় লিওনেল স্কালোনির দলকে।
সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় আর্জেন্টিনা দলের চার্টার্ড বিমানটি এজেইজা বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান থেকে একে একে নামেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া, প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি, কোচিং স্টাফ এবং ১৯ জন ফুটবলার। তবে সেই বহরে ছিলেন না অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন ফুটবলার নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় দেশে ফেরেননি।
তবে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আগেই নিশ্চিত করেছিল যে স্কোয়াডের সব সদস্য এই ফ্লাইটে থাকবেন না। অধিনায়ক লিওনেল মেসি বিমানে না থাকায় বিমানবন্দরে তাকে নামতে দেখা যায়নি। তিনিসহ দলের কিছু খেলোয়াড় যুক্তরাষ্ট্রেই থেকে গেছেন।
এজেইজা বিমানবন্দরের কাছে জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্পের বাইরে বৃষ্টি ও শীতের চরম প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে ভিড় জমান হাজার হাজার আলবিসেলেস্তে সমর্থক। নীল-সাদা ছাতা আর জাতীয় পতাকা হাতে ফুটবলারদের ধন্যবাদ জানাতে হাজির হন তারা।
রোববার রাতে ফাইনাল শেষের পরপরই বুয়েনস আইরেসের ঐতিহ্যবাহী ওবেলিস্ক চত্বরে জমায়েত হন হাজারো সমর্থক। আতশবাজি ফুটিয়ে ও গান গেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে রানার্স-আপ দলটিকে তারা অভিবাদন জানান।
তবে রাতের শেষভাগে এই উদযাপনের মাঝে কিছুটা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বেশ কিছু উচ্ছৃঙ্খল সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ওয়াটার ক্যানন, টিয়ার গ্যাস এবং রবার বুলেট ব্যবহার করে। আর্জেন্টাইন পুলিশের তথ্য অনুযায়ী এই ঘটনায় অন্তত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
