মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন ইরান আলোচনার টেবিলে না ফিরলে আগামী সপ্তাহ থেকে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানোর।
মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আগামীকাল রাতে আমরা খুব কঠোর হামলা চালাব। পরের রাতেও হামলা হবে। এরপর আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও ভয়াবহ হবে। তখন লক্ষ্য হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু। আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেব, যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে।”
তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্প এই প্রথম দেননি। অতীতেও তিনি এ ধরনের কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন, যদিও সেগুলোর অনেকগুলোই বাস্তবায়ন হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনায় চাপ তৈরির কৌশল হিসেবেই ট্রাম্প প্রায়ই এমন ভাষা ব্যবহার করেন।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের বিধিনিষেধ বহাল থাকায় আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এদিকে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমে ব্যবহৃত সেতু ও অবকাঠামো আন্তর্জাতিক আইনে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হতে পারে।
তিনি বলেন, “আমি বেসামরিক অবকাঠামো বা বেসামরিক সেতুর কথা শুনিনি। আশা করি, হামলা কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুকেই কেন্দ্র করে হবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানে চলমান মার্কিন হামলা—যা টানা চতুর্থ দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে“আমি যথেষ্ট হয়েছে বলার আগ পর্যন্ত চলবে।”
সাক্ষাৎকারে ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেননি ট্রাম্প। তবে তিনি বলেন,আমি সেটা করতে চাই না। কখনো কখনো স্থল অভিযান প্রয়োজন হয়, তবে আমাদের হয়ে অন্যরা সেই অভিযান চালাতে পারে।”
ইরান-ইরাক সীমান্তে বোতলজাত পানি কারখানায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
তবে সম্ভাব্য সেই “অন্য” দেশগুলোর নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
সূত্র:সিএনএন
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন ইরান আলোচনার টেবিলে না ফিরলে আগামী সপ্তাহ থেকে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলা চালানোর।
মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “আগামীকাল রাতে আমরা খুব কঠোর হামলা চালাব। পরের রাতেও হামলা হবে। এরপর আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও ভয়াবহ হবে। তখন লক্ষ্য হবে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু। আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংস করে দেব, যদি তারা আলোচনার টেবিলে না আসে।”
তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার হুমকি ট্রাম্প এই প্রথম দেননি। অতীতেও তিনি এ ধরনের কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন, যদিও সেগুলোর অনেকগুলোই বাস্তবায়ন হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনায় চাপ তৈরির কৌশল হিসেবেই ট্রাম্প প্রায়ই এমন ভাষা ব্যবহার করেন।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ইরানের বিধিনিষেধ বহাল থাকায় আলোচনায় অগ্রগতি সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
এদিকে সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমে ব্যবহৃত সেতু ও অবকাঠামো আন্তর্জাতিক আইনে বৈধ সামরিক লক্ষ্য হতে পারে।
তিনি বলেন, “আমি বেসামরিক অবকাঠামো বা বেসামরিক সেতুর কথা শুনিনি। আশা করি, হামলা কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুকেই কেন্দ্র করে হবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানে চলমান মার্কিন হামলা—যা টানা চতুর্থ দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে“আমি যথেষ্ট হয়েছে বলার আগ পর্যন্ত চলবে।”
সাক্ষাৎকারে ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেননি ট্রাম্প। তবে তিনি বলেন,আমি সেটা করতে চাই না। কখনো কখনো স্থল অভিযান প্রয়োজন হয়, তবে আমাদের হয়ে অন্যরা সেই অভিযান চালাতে পারে।”
ইরান-ইরাক সীমান্তে বোতলজাত পানি কারখানায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
তবে সম্ভাব্য সেই “অন্য” দেশগুলোর নাম তিনি উল্লেখ করেননি।
সূত্র:সিএনএন
