ঝালকাঠিতে সাংবাদিক পরিচয়ে সহযোগিতা করার আশ্বাসে সাংবাদিক বশির আলম খলিফার বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এক নারী স্কুল শিক্ষিকা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মেঃ বশির আলম খলিফার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত ৩ লাখ টাকার চেক জালিয়াতির মামলার বিবরণে ৫০ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাত করার কথা বলা হয়েছে। মামলাটি করেন শহরের কালীবাড়ি রোড এলাকার বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা কল্পনা রানী ইন্দু।
আদালতের বিচারক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ.এম কবির হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীর প্রতি সমন ইস্যু আদেশ দেন।
জানা গেছে, আসামী বশির আলম খলিফা ঝালকাঠী কোর্ট রোড এলাকার তাহের খলিফার ছেলে।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. আল-আমিন হোসেন ও ঝালকাঠি সদর আমলী আদালতের পেশকার জাহিদুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ৫০ লাখ টাকা ধার নেন আসামি। পরে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫০ লাখ টাকার ও ৩ লাখ টাকার চেক প্রদান করে বশির আলম খলিফা।
বাদী মামলার বিষয়ে জানান ৫০ লাখ টাকার চেক নগরায়নের জন্য তিনি ব্যাংকে চেক জমা দিলে বড় অংকের টাকার চেক হওয়ায় ব্যাংক থেকে ম্যানেজার সাংবাদিক বশির আলম খলিফা কে ফোন করলে বশির আলম ভাড়াটে মাস্তান নিয়ে ব্যাংকে এসে কল্পনার নিকট থেকে চেকটি কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলেন এবং সে আওয়ামী লীগের বড় নেতা ও বড় নেতাদের সাথে সক্ষতা থাকার কথা বলে টাকা ফেরত চাইতে না বলার জন্য হুমকি ধামকি দেয়।
বাদীর চাকরি শেষ করা সহ পেনশন তুলতে পারবেনা মর্মেও হুমকি দেয় বলে বাদী কল্পনা অভিযোগ করেন। সাংবাদিক বশিরের ভয়ে নিশ্চুপ থেকেছেন কিন্তু কল্পনা আত্মীয় স্বজনদের নিকট থেকে ধার করে এনে বশির কে দেয়া টাকা ফেরত চেয়ে চাপ দিতে থাকলে বশিরের নিকট টাকা ফেরত চাইলে টাকা আদায় করে নেয়ার কথা বলে বাদীকে দেখে নেয়ার হুমকি ধামকি অব্যহত রাখে বলে অভিযোগ করেন কল্পনা। বাদী নিরুপায় হয়ে বশিরের দেয়া অপর ৩ লাখ টাকার চেকটি নগদায়নের জন্য চলতি বছরের ৪ মে ব্যাংকে জমা করলে অপর্যাপ্ত তহবিল (Insufficient Fund) মন্তব্যে চেকটি ৫ মে ডিজঅনার হয়।
পরে গত ২১ মে ২০২৬ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামি কোনো জবাব দেননি এবং পাওনা অর্থও পরিশোধ করেননি।এ অবস্থায় আজ মঙ্গলবার আদালতে সি.আর ২৯৫/ ২৬ (ঝাল:) মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ এবং বাদীর ৫০ লাখ টাকা পাওয়ার দাবী অস্বীকার করেছেন মো. বশির আলম খলিফা। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। বিষয়টি আদালতে আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
ঝালকাঠিতে সাংবাদিক পরিচয়ে সহযোগিতা করার আশ্বাসে সাংবাদিক বশির আলম খলিফার বিরুদ্ধে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন এক নারী স্কুল শিক্ষিকা।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঝালকাঠির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মেঃ বশির আলম খলিফার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত ৩ লাখ টাকার চেক জালিয়াতির মামলার বিবরণে ৫০ লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাত করার কথা বলা হয়েছে। মামলাটি করেন শহরের কালীবাড়ি রোড এলাকার বাসিন্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা কল্পনা রানী ইন্দু।
আদালতের বিচারক চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ.এম কবির হোসেন মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীর প্রতি সমন ইস্যু আদেশ দেন।
জানা গেছে, আসামী বশির আলম খলিফা ঝালকাঠী কোর্ট রোড এলাকার তাহের খলিফার ছেলে।
বাদীর আইনজীবী অ্যাড. আল-আমিন হোসেন ও ঝালকাঠি সদর আমলী আদালতের পেশকার জাহিদুল ইসলাম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বাদীর কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে মোট ৫০ লাখ টাকা ধার নেন আসামি। পরে টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫০ লাখ টাকার ও ৩ লাখ টাকার চেক প্রদান করে বশির আলম খলিফা।
বাদী মামলার বিষয়ে জানান ৫০ লাখ টাকার চেক নগরায়নের জন্য তিনি ব্যাংকে চেক জমা দিলে বড় অংকের টাকার চেক হওয়ায় ব্যাংক থেকে ম্যানেজার সাংবাদিক বশির আলম খলিফা কে ফোন করলে বশির আলম ভাড়াটে মাস্তান নিয়ে ব্যাংকে এসে কল্পনার নিকট থেকে চেকটি কেড়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলেন এবং সে আওয়ামী লীগের বড় নেতা ও বড় নেতাদের সাথে সক্ষতা থাকার কথা বলে টাকা ফেরত চাইতে না বলার জন্য হুমকি ধামকি দেয়।
বাদীর চাকরি শেষ করা সহ পেনশন তুলতে পারবেনা মর্মেও হুমকি দেয় বলে বাদী কল্পনা অভিযোগ করেন। সাংবাদিক বশিরের ভয়ে নিশ্চুপ থেকেছেন কিন্তু কল্পনা আত্মীয় স্বজনদের নিকট থেকে ধার করে এনে বশির কে দেয়া টাকা ফেরত চেয়ে চাপ দিতে থাকলে বশিরের নিকট টাকা ফেরত চাইলে টাকা আদায় করে নেয়ার কথা বলে বাদীকে দেখে নেয়ার হুমকি ধামকি অব্যহত রাখে বলে অভিযোগ করেন কল্পনা। বাদী নিরুপায় হয়ে বশিরের দেয়া অপর ৩ লাখ টাকার চেকটি নগদায়নের জন্য চলতি বছরের ৪ মে ব্যাংকে জমা করলে অপর্যাপ্ত তহবিল (Insufficient Fund) মন্তব্যে চেকটি ৫ মে ডিজঅনার হয়।
পরে গত ২১ মে ২০২৬ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে আইনি নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামি কোনো জবাব দেননি এবং পাওনা অর্থও পরিশোধ করেননি।এ অবস্থায় আজ মঙ্গলবার আদালতে সি.আর ২৯৫/ ২৬ (ঝাল:) মামলা দায়ের করেন।
তবে মামলায় আনা অভিযোগ এবং বাদীর ৫০ লাখ টাকা পাওয়ার দাবী অস্বীকার করেছেন মো. বশির আলম খলিফা। তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। বিষয়টি আদালতে আইনগতভাবে মোকাবিলা করব।
