মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া) আরেকটি চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় গ্রামবাসী। সোমবার (২৯ জুন) ভোরে উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১১০ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যা ঘটেছিল সেদিন ভোরে:
ভারতের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার পাথরঘাটা এলাকা থেকে ১০ জনকে কয়েক দফায় সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করে বিএসএফ।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা।
বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সীমান্তে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জড়ো হন।
বিজিবি ও জনতার যৌথ বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়দের বক্তব্য: সীমান্ত সংলগ্ন একটি পাটক্ষেতের মধ্যে অন্তত চারজনকে লুকিয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। বিজিবি ও গ্রামবাসীদের অবস্থান টের পেয়ে তারা আবার ভারতের কাঁটাতারের বেড়ার দিকে পিছু হটে।
এ বিষয়ে নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোজাম্মেল হক জানান, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টাটি সীমান্তের শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকেই ভণ্ডুল করে দেওয়া হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
মেহেরপুর সীমান্তে ঘন ঘন পুশইনের চেষ্টা:
চলতি জুন মাসেই মেহেরপুর জেলা সীমান্তে একের পর এক পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ। এর আগের ঘটনাগুলো ছিল:
৬ জুন: তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জন।
১৯ জুন: বুড়িপোতা ইউনিয়নের খালপাড়া সীমান্তে ৪ জন।
২৫ জুন: গাংনী উপজেলার সহড়াতলা সীমান্তে ৭ জন, ধলা সীমান্তে ৩ জন এবং কাজিপুর সীমান্তে ২ জন।
সীমান্তে বিএসএফের এমন ধারাবাহিক তৎপরতার কারণে স্থানীয় সীমান্তবাসীদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ বিরাজ করছে, তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে প্রতিবারই এই চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের (জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়া) আরেকটি চেষ্টা নস্যাৎ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় গ্রামবাসী। সোমবার (২৯ জুন) ভোরে উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্তের আন্তর্জাতিক ১১০ নম্বর মেইন পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যা ঘটেছিল সেদিন ভোরে:
ভারতের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার পাথরঘাটা এলাকা থেকে ১০ জনকে কয়েক দফায় সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা করে বিএসএফ।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের জোয়ানরা।
বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় গ্রামবাসীরাও সীমান্তে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে জড়ো হন।
বিজিবি ও জনতার যৌথ বাধার মুখে শেষ পর্যন্ত বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।
স্থানীয়দের বক্তব্য: সীমান্ত সংলগ্ন একটি পাটক্ষেতের মধ্যে অন্তত চারজনকে লুকিয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। বিজিবি ও গ্রামবাসীদের অবস্থান টের পেয়ে তারা আবার ভারতের কাঁটাতারের বেড়ার দিকে পিছু হটে।
এ বিষয়ে নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মোজাম্মেল হক জানান, বিএসএফের পুশইনের চেষ্টাটি সীমান্তের শূন্যরেখা (জিরো লাইন) থেকেই ভণ্ডুল করে দেওয়া হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
মেহেরপুর সীমান্তে ঘন ঘন পুশইনের চেষ্টা:
চলতি জুন মাসেই মেহেরপুর জেলা সীমান্তে একের পর এক পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ। এর আগের ঘটনাগুলো ছিল:
৬ জুন: তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জন।
১৯ জুন: বুড়িপোতা ইউনিয়নের খালপাড়া সীমান্তে ৪ জন।
২৫ জুন: গাংনী উপজেলার সহড়াতলা সীমান্তে ৭ জন, ধলা সীমান্তে ৩ জন এবং কাজিপুর সীমান্তে ২ জন।
সীমান্তে বিএসএফের এমন ধারাবাহিক তৎপরতার কারণে স্থানীয় সীমান্তবাসীদের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ বিরাজ করছে, তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে প্রতিবারই এই চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে।
