জোয়ার-ভাটার নিয়মে আর থমকে থাকবে না মোংলা নদীর যাতায়াত। দীর্ঘ ২৫ বছরের দুর্ভোগের ইতি টেনে অবশেষে মোংলা নদীতে শুরু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ফেরি সার্ভিস। গতকাল শনিবার (২৭ জুন) সকালে স্থায়ী বন্দর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ফেরিঘাটে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি ফেরির এই সার্বক্ষণিক সেবার উদ্বোধন করা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সেবার উদ্বোধন করেন।
এর আগে, ২০০১ সালে মোংলা নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু হলেও তা কেবল জোয়ারের সময় সচল থাকত। ভাটা পড়লেই বন্ধ হয়ে যেত পারাপার। ফলে মোংলা বন্দর, ইপিজেড এবং স্থানীয় শিল্পাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "জনগণের দুর্ভোগ দূর করতেই আমাদের এই বিশেষ উদ্যোগ। মোংলা নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এই দুটি ফেরি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সচল থাকবে।" যাত্রী হয়রানি ও অনিয়ম রুখতে ঘাটে ভাড়ার তালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনুপ দাস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি এবং মোংলা পোর্ট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জুলফিকার আলীসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মাঝে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সার্বক্ষণিক ফেরি সার্ভিসের ফলে মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা ও রামপালসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ যেমন সহজ হবে, তেমনি মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও আসবে নতুন গতি।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
জোয়ার-ভাটার নিয়মে আর থমকে থাকবে না মোংলা নদীর যাতায়াত। দীর্ঘ ২৫ বছরের দুর্ভোগের ইতি টেনে অবশেষে মোংলা নদীতে শুরু হয়েছে ২৪ ঘণ্টার নিরবচ্ছিন্ন ফেরি সার্ভিস। গতকাল শনিবার (২৭ জুন) সকালে স্থায়ী বন্দর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন ফেরিঘাটে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি ফেরির এই সার্বক্ষণিক সেবার উদ্বোধন করা হয়।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই সেবার উদ্বোধন করেন।
এর আগে, ২০০১ সালে মোংলা নদীতে ফেরি সার্ভিস চালু হলেও তা কেবল জোয়ারের সময় সচল থাকত। ভাটা পড়লেই বন্ধ হয়ে যেত পারাপার। ফলে মোংলা বন্দর, ইপিজেড এবং স্থানীয় শিল্পাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "জনগণের দুর্ভোগ দূর করতেই আমাদের এই বিশেষ উদ্যোগ। মোংলা নদীর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এই দুটি ফেরি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সচল থাকবে।" যাত্রী হয়রানি ও অনিয়ম রুখতে ঘাটে ভাড়ার তালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অনুপ দাস, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি এবং মোংলা পোর্ট পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি মো. জুলফিকার আলীসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয়দের মাঝে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সার্বক্ষণিক ফেরি সার্ভিসের ফলে মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা ও রামপালসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ যেমন সহজ হবে, তেমনি মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যেও আসবে নতুন গতি।
