জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। বর্তমান বিএনপি সরকার যদি এই বিপুল জনগোষ্ঠীর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বেইমানি করে এবং সংস্কার বাস্তবায়ন না করে, তবে তাদের পতন হতে বেশি সময় লাগবে না।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে বাগেরহাট সফরকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভারতের প্রতি নমনীয়তা ও তারেক রহমানকে আহ্বান
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, ভারত থেকে পুশইনের যে ষড়যন্ত্র চলছে, সরকার তা সংসদে উত্থাপন করেনি। ভারতের বিষয়ে সরকার আপোসমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সার্বভৌমত্বের রাজনীতি থেকে সরে এসে বর্তমান সরকার ‘মুজিববাদের’ দিকে পা বাড়াচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন:
"মুজিববাদের পথ ছাড়ুন এবং এর পাহারাদার হওয়া বন্ধ করুন। ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত না করে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ান। শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করুন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করুন।"
বাগেরহাটের উন্নয়ন ও ‘শেখ পরিবারের’ রাজত্ব নিয়ে সমালোচনা
বাগেরহাটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এই তরুণ নেতা বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বাগেরহাটের শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বিগত দিনে এখানে ‘শেখ পরিবারের’ রাজত্ব ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কেবল শেখের নাম বিক্রি করেছে, কিন্তু প্রকৃত কোনো উন্নয়ন করেনি। সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাগেরহাটকে মুক্ত করায় তিনি স্থানীয় জনগণকে অভিনন্দন জানান।
এনসিপির প্রতিশ্রুতি ও অন্যান্য কর্মসূচি
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে এনসিপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বাগেরহাটের গৌরবময় ইতিহাসের প্রতীক হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এর আগে বাগেরহাটে পৌঁছে তিনি হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাট গম্বুজ মসজিদের ঘোড়াদীঘির দক্ষিণ পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেন।
এ সময় এনসিপির বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেল, নেতা আলামিন খান সুমনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী এবং ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। বর্তমান বিএনপি সরকার যদি এই বিপুল জনগোষ্ঠীর আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বেইমানি করে এবং সংস্কার বাস্তবায়ন না করে, তবে তাদের পতন হতে বেশি সময় লাগবে না।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে বাগেরহাট সফরকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভারতের প্রতি নমনীয়তা ও তারেক রহমানকে আহ্বান
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, ভারত থেকে পুশইনের যে ষড়যন্ত্র চলছে, সরকার তা সংসদে উত্থাপন করেনি। ভারতের বিষয়ে সরকার আপোসমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সার্বভৌমত্বের রাজনীতি থেকে সরে এসে বর্তমান সরকার ‘মুজিববাদের’ দিকে পা বাড়াচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উদ্দেশে বলেন:
"মুজিববাদের পথ ছাড়ুন এবং এর পাহারাদার হওয়া বন্ধ করুন। ভারতীয় আধিপত্যবাদের কাছে মাথা নত না করে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ান। শেখ হাসিনার বিচার নিশ্চিত করুন এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করুন।"
বাগেরহাটের উন্নয়ন ও ‘শেখ পরিবারের’ রাজত্ব নিয়ে সমালোচনা
বাগেরহাটের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এই তরুণ নেতা বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা বাগেরহাটের শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। বিগত দিনে এখানে ‘শেখ পরিবারের’ রাজত্ব ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কেবল শেখের নাম বিক্রি করেছে, কিন্তু প্রকৃত কোনো উন্নয়ন করেনি। সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাগেরহাটকে মুক্ত করায় তিনি স্থানীয় জনগণকে অভিনন্দন জানান।
এনসিপির প্রতিশ্রুতি ও অন্যান্য কর্মসূচি
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে এনসিপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বাগেরহাটের গৌরবময় ইতিহাসের প্রতীক হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর নামে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এর আগে বাগেরহাটে পৌঁছে তিনি হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পরে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাট গম্বুজ মসজিদের ঘোড়াদীঘির দক্ষিণ পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেন।
এ সময় এনসিপির বাগেরহাট জেলা শাখার আহ্বায়ক সৈয়দ মোরশেদ আনোয়ার সোহেল, নেতা আলামিন খান সুমনসহ স্থানীয় নেতাকর্মী এবং ছাত্রশক্তির বিভিন্ন পর্যায়ের অনুসারীরা উপস্থিত ছিলেন।
