ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। তবে অপ্রয়োজনীয় ফাউল এড়িয়ে দারুণ এক সংগঠিত রক্ষণভাগ গড়ে তোলে কেপ ভার্দে। তাদের এই জমাট রক্ষণভাগের কারণে স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা মিকেল ওইয়ারসাবাল, ফেরান তোরেস এবং গাভি সহজে কোনো ফাঁকফোকর তৈরি করতে পারেননি।
স্পেন বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করলেও কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা যেন দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার একের পর এক অনবদ্য সেভ স্পেনকে গোল পাওয়া থেকে দূরে রাখে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে এসে স্প্যানিশরা নিজেদের আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু গোলের দেখা তাও মেলেনি। তোরেসের একটি জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে ফিরতি বলে হেড নেন ওইয়ারসাবাল।
তবে সেটিও দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ভোজিনিয়া। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে তোরেস ও লাপোর্তের আরও দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নসাৎ করে দিয়ে মাঠ ছাড়েন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
গড় রেটিং: ৪/৫ (২ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে একের পর এক আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। তবে অপ্রয়োজনীয় ফাউল এড়িয়ে দারুণ এক সংগঠিত রক্ষণভাগ গড়ে তোলে কেপ ভার্দে। তাদের এই জমাট রক্ষণভাগের কারণে স্পেনের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসা মিকেল ওইয়ারসাবাল, ফেরান তোরেস এবং গাভি সহজে কোনো ফাঁকফোকর তৈরি করতে পারেননি।
স্পেন বেশ কয়েকটি বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করলেও কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনহা যেন দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তার একের পর এক অনবদ্য সেভ স্পেনকে গোল পাওয়া থেকে দূরে রাখে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে এসে স্প্যানিশরা নিজেদের আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু গোলের দেখা তাও মেলেনি। তোরেসের একটি জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসলে ফিরতি বলে হেড নেন ওইয়ারসাবাল।
তবে সেটিও দুর্দান্তভাবে রুখে দেন ভোজিনিয়া। প্রথমার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে তোরেস ও লাপোর্তের আরও দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নসাৎ করে দিয়ে মাঠ ছাড়েন কেপ ভার্দের এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক।
