রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নাতনির মরদেহ নিয়ে আসার সময় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নানি সহ দুইজন নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা সড়াডাঙি নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহি ঢাকা কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অপর ৪ জন।
নিহতরা হলেন, পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৬) এবং অ্যাম্বুলেন্স গাড়ির ড্রাইভার রাজ হোসেন (২৭)। তাৎক্ষণিকভাবে ড্রাইভার রাজের কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া নামের বাচ্চা মেয়ে মারা যান। তার অত্মীয় স্বজনেরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনার মাহমুদপুরে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসছিল।
অ্যাম্বুলেন্স গাড়িটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙি নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে পাবনাগামী পাবনা এক্সপ্রেস নামক একটি যাত্রীবাহি বাসের চাকা ফেটে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে আঘাত করে। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ ও নিহত কেয়ার নানী বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশ ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছেন এবং নিহতদের লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নাতনির মরদেহ নিয়ে আসার সময় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নানি সহ দুইজন নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা সড়াডাঙি নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রীবাহি ঢাকা কোচের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অপর ৪ জন।
নিহতরা হলেন, পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামানিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৬) এবং অ্যাম্বুলেন্স গাড়ির ড্রাইভার রাজ হোসেন (২৭)। তাৎক্ষণিকভাবে ড্রাইভার রাজের কোনো ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
পাবনা মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কেয়া নামের বাচ্চা মেয়ে মারা যান। তার অত্মীয় স্বজনেরা একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মৃতদেহটি রাজশাহী থেকে পাবনার মাহমুদপুরে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসছিল।
অ্যাম্বুলেন্স গাড়িটি পাবনা-ঢাকা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙি নামকস্থানে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে পাবনাগামী পাবনা এক্সপ্রেস নামক একটি যাত্রীবাহি বাসের চাকা ফেটে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্সে আঘাত করে। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার রাজ ও নিহত কেয়ার নানী বুলু খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পুলিশ ঘাতক বাসটিকে জব্দ করেছেন এবং নিহতদের লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
