খবর প্রতিদিন ২৪

এইচএসসি পরীক্ষা না পেছানোর ব্যাখ্যা সংসদে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী



এইচএসসি পরীক্ষা না পেছানোর ব্যাখ্যা সংসদে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ব্যাখ্যা করেছেন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে সমালোচনা ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যেই সরকারের অবস্থান। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা পদ্ধতির সিস্টেম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, ডিসি-ইউএনওরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন যে পরীক্ষা নেওয়া যাবে কি না। তারা দুর্যোগ দেখলে পরীক্ষা নেওয়া বন্ধও করতে পারেন। আমরা তাদের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করেছি। তারা জানিয়েছেন ঠিকমতোই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদেরও মায়া আছে। সেজন্য আমরা সবসময় মনিটরিং করেছি।’

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন,টানা বৃষ্টিতে ঢাকাসহ বড় বড় শহর পানিতে তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা অনুরোধ করেছিল পরীক্ষা পেছানোর। কিন্তু পরীক্ষা পেছানো হয়নি। যেকারণে আজকে আন্দোলন হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন, দুই একদিনের জন্য পরীক্ষা পেছাতে কী সমস্যা ছিল?’

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন,এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সারাদেশে ৬৪ জেলায় ২৭০০ সেন্টার রয়েছে। সবগুলোতেই একসঙ্গে পরীক্ষা শুরু হয়। চট্টগ্রামে যখন বন্যা শুরু হলো তখন আমরা একে একে প্রথমে রাঙামাটি-বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং পরবর্তীতে পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। আমরা দেখছিলাম বৃষ্টি হচ্ছিল, আমরা মনিটরিং করছিলাম। আমরা সব জেলার এসপি, ৮টি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইউএনও সবার সঙ্গে কথা বলেছি। এমনকি আবহাওয়াবিদদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি।

তিনি বলেন,আবহাওয়াবিদরা বলেছিলেন বৃষ্টি হবে না। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত আমরা বসে থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, সকলেই বললো আবহাওয়া ভালো হবে। সেজন্য আমরা পরীক্ষা রেখেছিলাম। ‍কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি কুমিল্লা সরকারি কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দিই। এছাড়া সারাদেশের ইউএনও, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তারা জানিয়েছে কোথাও পরীক্ষা ঘিরে কোনো দুর্যোগ ঘটেনি। শুধু কুমিল্লা মহিলা কলেজেই এমনটি হয়েছে। যে মেয়েটির কাপড় ভিজে গিয়েছিল, তার জন্য শুকনো কাপড় এনে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময়সীমাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন,ফিজিক্সের ৬ এবং ৭ দুটি প্রশ্ন ভুল হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। এই প্রশ্ন আগের মডারেটররা করেছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে কোনো প্রশ্ন তৈরি করিনি। বিগত সরকারের (অন্তর্র্বতী সরকার) মডারেটররাই প্রশ্ন করেছে। তবুও আমরা তাৎক্ষণিক ঘোষণা দিয়েছি, প্রশ্ন দুটির ফুল মার্ক দিয়ে দেবো।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

খবর প্রতিদিন ২৪

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬


এইচএসসি পরীক্ষা না পেছানোর ব্যাখ্যা সংসদে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ব্যাখ্যা করেছেন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া নিয়ে সমালোচনা ও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মধ্যেই সরকারের অবস্থান। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা পদ্ধতির সিস্টেম অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার, ডিসি-ইউএনওরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবেন যে পরীক্ষা নেওয়া যাবে কি না। তারা দুর্যোগ দেখলে পরীক্ষা নেওয়া বন্ধও করতে পারেন। আমরা তাদের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করেছি। তারা জানিয়েছেন ঠিকমতোই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদেরও মায়া আছে। সেজন্য আমরা সবসময় মনিটরিং করেছি।’

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এদিন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা শিক্ষামন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন,টানা বৃষ্টিতে ঢাকাসহ বড় বড় শহর পানিতে তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থীরা অনুরোধ করেছিল পরীক্ষা পেছানোর। কিন্তু পরীক্ষা পেছানো হয়নি। যেকারণে আজকে আন্দোলন হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন, দুই একদিনের জন্য পরীক্ষা পেছাতে কী সমস্যা ছিল?’

জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন,এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য সারাদেশে ৬৪ জেলায় ২৭০০ সেন্টার রয়েছে। সবগুলোতেই একসঙ্গে পরীক্ষা শুরু হয়। চট্টগ্রামে যখন বন্যা শুরু হলো তখন আমরা একে একে প্রথমে রাঙামাটি-বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং পরবর্তীতে পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছি। আমরা দেখছিলাম বৃষ্টি হচ্ছিল, আমরা মনিটরিং করছিলাম। আমরা সব জেলার এসপি, ৮টি বিভাগীয় কমিশনার, প্রতিটি বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইউএনও সবার সঙ্গে কথা বলেছি। এমনকি আবহাওয়াবিদদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি।

তিনি বলেন,আবহাওয়াবিদরা বলেছিলেন বৃষ্টি হবে না। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত আমরা বসে থেকে সিদ্ধান্ত নিলাম যে, সকলেই বললো আবহাওয়া ভালো হবে। সেজন্য আমরা পরীক্ষা রেখেছিলাম। ‍কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি কুমিল্লা সরকারি কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের নির্দেশ দিই। এছাড়া সারাদেশের ইউএনও, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, তারা জানিয়েছে কোথাও পরীক্ষা ঘিরে কোনো দুর্যোগ ঘটেনি। শুধু কুমিল্লা মহিলা কলেজেই এমনটি হয়েছে। যে মেয়েটির কাপড় ভিজে গিয়েছিল, তার জন্য শুকনো কাপড় এনে এক ঘণ্টা পর পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার সময়সীমাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন,ফিজিক্সের ৬ এবং ৭ দুটি প্রশ্ন ভুল হয়েছে। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস। এই প্রশ্ন আগের মডারেটররা করেছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে কোনো প্রশ্ন তৈরি করিনি। বিগত সরকারের (অন্তর্র্বতী সরকার) মডারেটররাই প্রশ্ন করেছে। তবুও আমরা তাৎক্ষণিক ঘোষণা দিয়েছি, প্রশ্ন দুটির ফুল মার্ক দিয়ে দেবো।


খবর প্রতিদিন ২৪

প্রকাশক
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)
সম্পাদক
খন্দকার আমিনুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
মোঃ তরিকুল ইসলাম
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম [পরিচালক] বাংলাদেশ স্যাটেলাইট
আইন উপদেষ্টা
মুহাম্মদ গোলাম হোসেন (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
এইচএসসি পরীক্ষা না পেছানোর ব্যাখ্যা সংসদে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী
0:00 / 0:00
1x