আসন্ন ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১ নম্বর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সহকারী অধ্যাপক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি পুনরায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন। গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের শাহ্ মাহমুদিয়া কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা শেষে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন।
এ ছাড়া তিনি কাঁচাবালিয়া বি.কে. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্বও ছিলেন। শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা স্থানীয়ভাবে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, সহকারী অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একটি শক্তিশালী জনসম্পৃক্ততা গড়ে তুলেছেন।
এদিকে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ব্যাপকভাবে আলোচনায় থাকলেও এখন পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি।
সম্ভাব্য প্রার্থিতা প্রসঙ্গে সহকারী অধ্যাপক মো. রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার এই প্রতিবেদককে বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে ১ নম্বর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুশাসিত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়নে পরিণত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমার অঙ্গীকার। জনগণের সুখ-দুঃখে সব সময় পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ মুহূর্তে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে কোনো পূর্বাভাস দেওয়ার সুযোগ নেই। দলীয় মনোনয়ন, প্রার্থীদের জনগ্রহণযোগ্যতা, নির্বাচনী প্রচারণা, স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ এবং নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির ওপরই চূড়ান্ত ফলাফল অনেকাংশে নির্ভর করবে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই-বাছাই এবং অন্যান্য আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রার্থীদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিত্র স্পষ্ট হবে। ফলে বর্তমানে যাঁদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে, তাঁদের প্রার্থিতা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
উল্লেখ্য, সহকারী অধ্যাপক মো. রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতাকে স্থানীয় অনেকেই ইউনিয়নের নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
আসন্ন ঝালকাঠি সদর উপজেলার ১ নম্বর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সহকারী অধ্যাপক এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তিনি এলাকায় পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি ১৯৯৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি পুনরায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবন। গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের শাহ্ মাহমুদিয়া কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দীর্ঘদিন শিক্ষকতা শেষে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন।
এ ছাড়া তিনি কাঁচাবালিয়া বি.কে. মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির দায়িত্বও ছিলেন। শিক্ষা বিস্তার, সামাজিক উন্নয়ন এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তাঁর সম্পৃক্ততা স্থানীয়ভাবে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, সহকারী অধ্যাপক রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি এলাকায় একটি শক্তিশালী জনসম্পৃক্ততা গড়ে তুলেছেন।
এদিকে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ব্যাপকভাবে আলোচনায় থাকলেও এখন পর্যন্ত তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি।
সম্ভাব্য প্রার্থিতা প্রসঙ্গে সহকারী অধ্যাপক মো. রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার এই প্রতিবেদককে বলেন, “দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ তাদের মূল্যবান ভোটে নির্বাচিত করেন, তাহলে ১ নম্বর গাভা রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুশাসিত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নয়নমুখী ইউনিয়নে পরিণত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করব। মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলাই হবে আমার অঙ্গীকার। জনগণের সুখ-দুঃখে সব সময় পাশে থেকে তাদের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে কাজ করতে চাই।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা থাকলেও এ মুহূর্তে নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে কোনো পূর্বাভাস দেওয়ার সুযোগ নেই। দলীয় মনোনয়ন, প্রার্থীদের জনগ্রহণযোগ্যতা, নির্বাচনী প্রচারণা, স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ এবং নির্বাচনকালীন পরিস্থিতির ওপরই চূড়ান্ত ফলাফল অনেকাংশে নির্ভর করবে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা, মনোনয়নপত্র দাখিল, যাচাই-বাছাই এবং অন্যান্য আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই প্রার্থীদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিত্র স্পষ্ট হবে। ফলে বর্তমানে যাঁদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে, তাঁদের প্রার্থিতা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।
উল্লেখ্য, সহকারী অধ্যাপক মো. রিয়াছুল আমীন জামাল সিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও শিক্ষাজীবনের অভিজ্ঞতাকে স্থানীয় অনেকেই ইউনিয়নের নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করছেন।
