৭০ বছর আগে মাটি দিয়ে সড়ক নির্মিত হলেও কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর বাজার-তালতলা সংযোগ সড়কটি সাত দশক পরও পাকা হয়নি। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই কাঁচা সড়কটির কারণে বছরের পর বছর চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মোহনপুর, তালতলা ও আশপাশের তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মোহনপুর বাজার থেকে তালতলা গ্রামের একমাত্র প্রধান সংযোগ সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি প্রায় অচল হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান কিংবা পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে না পারায় কৃষিপণ্য বাজারজাত করতেও চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়াও হয়ে ওঠে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। প্রায়ই কাদায় পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
তালতলা গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন বলেন, এই রাস্তা যেন আমাদের জন্য মরণফাঁদ। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কাদায় ঢেকে যায়। তখন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারে না, বয়স্ক মানুষ হাঁটতেও পারেন না। বাজার থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল আনা-নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। দেশের সব জায়গায় উন্নয়ন হলেও আমাদের এই সড়কটি এখনো অবহেলিত। দ্রুত রাস্তা পাকাকরণ করা হলে মানুষ দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে এলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হাসান বলেন, মোহনপুর-তালতলা সড়কটি পাকাকরণের জন্য প্রাক্কলন (এস্টিমেট) প্রকল্প পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে সড়ক পাকাকরণের কাজ শুরু করা হবে।
গড় রেটিং: ১/৫ (১ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুলাই ২০২৬
৭০ বছর আগে মাটি দিয়ে সড়ক নির্মিত হলেও কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর বাজার-তালতলা সংযোগ সড়কটি সাত দশক পরও পাকা হয়নি। প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই কাঁচা সড়কটির কারণে বছরের পর বছর চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন মোহনপুর, তালতলা ও আশপাশের তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, মোহনপুর বাজার থেকে তালতলা গ্রামের একমাত্র প্রধান সংযোগ সড়কটি সামান্য বৃষ্টিতেই কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। কোথাও হাঁটুসমান কাদা, কোথাও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই প্রতিদিন চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বর্ষা মৌসুমে সড়কটি প্রায় অচল হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। রিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান কিংবা পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করতে না পারায় কৃষিপণ্য বাজারজাত করতেও চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে কৃষকদের। জরুরি রোগী, গর্ভবতী নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেওয়াও হয়ে ওঠে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য। প্রায়ই কাদায় পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
তালতলা গ্রামের বাসিন্দা জয়নাল আবেদিন বলেন, এই রাস্তা যেন আমাদের জন্য মরণফাঁদ। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো রাস্তা কাদায় ঢেকে যায়। তখন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে পারে না, বয়স্ক মানুষ হাঁটতেও পারেন না। বাজার থেকে প্রয়োজনীয় মালামাল আনা-নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। দেশের সব জায়গায় উন্নয়ন হলেও আমাদের এই সড়কটি এখনো অবহেলিত। দ্রুত রাস্তা পাকাকরণ করা হলে মানুষ দুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়ে এলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিয়ে সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী বেলাল হাসান বলেন, মোহনপুর-তালতলা সড়কটি পাকাকরণের জন্য প্রাক্কলন (এস্টিমেট) প্রকল্প পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলেই টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে সড়ক পাকাকরণের কাজ শুরু করা হবে।
