বাঁশখালী ও অন্যান্য সকল বন্যা কবলিত সকল ইউনিয়নে ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা শাখার পক্ষ থেকে বন্যায় কবলিত মানুষদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান । তবে সম্প্রতি এই এলাকাগুলোতে বন্যা ও দুর্যোগের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সহ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংস্থা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে। টানা ৪ দিন ধরে সমুদ্র উপকূলবর্তী চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুরোটাই পানির নিচে।
বন্যাকবলিত এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরমে। পানিবন্দি শত শত পরিবার। অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, তলিয়ে গেছে সড়ক, ফসলি জমি। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। অনেক এলাকা বিদ্যুৎবিহীন। গরু ছাগল গবাদি পশুদের নিয়ে মানবতার জীবন অতিবাহিত করছে। এছাড়াও বন্যা পরিস্থিতির কারণে বাঁশখালীতে পুঁইছড়ি, শেখের খিল, কাথারিয়া ও গন্ডামারা-সহ ৫ থেকে ৬টি ইউনিয়নের বেশির ভাগ গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অঞ্চল পানি বন্দী মানুষকে উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য সামগ্রী এবং ঔষধ সরবরাহ করতে সদস্যরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেক ঝুঁকি নিয়ে কয়েকশত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনে, ত্রাণ সহায়তা করছে, অনেক কষ্টে থাকা পানিবন্দী মানুষের মাঝে টিম গঠন করে প্রত্যেকে বিভিন্ন দিকে তাদের ত্রান ও উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। তারা জানায়, এ সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাবে। দেশ ও দেশের বাইরে থাকা সকল মানবিক মানুষদের প্রতি তারা এ সংকটে সার্বিকভাবে এগিয়ে আসারও আহবান জানায়।
অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্য তারা একটি ফ্রি মেডিকেল টিম গঠন করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একইসাথে বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বাঁশখালী ও অন্যান্য সকল বন্যা কবলিত জেলায় পানিবন্দী অঞ্চলেও অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তার জন্য সেখানকার দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা কাজ করছে বলে জানা যায়। এসময় তারা উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের সাথেও দূর্গম অঞ্চলে ভলেন্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত দেশ ও দেশের বাইরে সকল বিত্তবানদের অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, বন্যার কারণে বন্যা কবলিত সকল ইউনিয়নে বন্যাত্যদের ও তাদের গবাদি পশুর এই মানবতের জীবন অত্যন্ত দুঃখজনক।
খাদ্যাভাব, আশ্রয়হীনতা ও পানিবাহিত রোগের কারণে গরু-ছাগল চরম ঝুঁকিতে আছে , দ্রুত নিরাপদ উঁচু স্থান, গো-খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা এখন অত্যন্ত জরুরী , এটি একটি অত্যন্ত মহৎ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। বন্যার্ত, যেকোনো দুর্যোগে এই ধরণের মানবিক আবেদন সমাজের বৈষম্য দূর করতে এবং সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করতে সাহায্য করে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
বাঁশখালী ও অন্যান্য সকল বন্যা কবলিত সকল ইউনিয়নে ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জেলা শাখার পক্ষ থেকে বন্যায় কবলিত মানুষদের ত্রান সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান । তবে সম্প্রতি এই এলাকাগুলোতে বন্যা ও দুর্যোগের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সহ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংস্থা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান করছে। টানা ৪ দিন ধরে সমুদ্র উপকূলবর্তী চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পুরোটাই পানির নিচে।
বন্যাকবলিত এই এলাকার মানুষের দুর্ভোগ চরমে। পানিবন্দি শত শত পরিবার। অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, তলিয়ে গেছে সড়ক, ফসলি জমি। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। অনেক এলাকা বিদ্যুৎবিহীন। গরু ছাগল গবাদি পশুদের নিয়ে মানবতার জীবন অতিবাহিত করছে। এছাড়াও বন্যা পরিস্থিতির কারণে বাঁশখালীতে পুঁইছড়ি, শেখের খিল, কাথারিয়া ও গন্ডামারা-সহ ৫ থেকে ৬টি ইউনিয়নের বেশির ভাগ গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে বন্যাদুর্গত অঞ্চল পানি বন্দী মানুষকে উদ্ধার ও প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য সামগ্রী এবং ঔষধ সরবরাহ করতে সদস্যরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেক ঝুঁকি নিয়ে কয়েকশত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনে, ত্রাণ সহায়তা করছে, অনেক কষ্টে থাকা পানিবন্দী মানুষের মাঝে টিম গঠন করে প্রত্যেকে বিভিন্ন দিকে তাদের ত্রান ও উদ্ধার কাজ চলমান রেখেছে। তারা জানায়, এ সহায়তা কার্যক্রম পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাবে। দেশ ও দেশের বাইরে থাকা সকল মানবিক মানুষদের প্রতি তারা এ সংকটে সার্বিকভাবে এগিয়ে আসারও আহবান জানায়।
অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার জন্য তারা একটি ফ্রি মেডিকেল টিম গঠন করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একইসাথে বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বাঁশখালী ও অন্যান্য সকল বন্যা কবলিত জেলায় পানিবন্দী অঞ্চলেও অসহায় মানুষদের উদ্ধার ও ত্রাণ সহায়তার জন্য সেখানকার দায়িত্বশীল প্রতিনিধিরা কাজ করছে বলে জানা যায়। এসময় তারা উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের সাথেও দূর্গম অঞ্চলে ভলেন্টিয়ারের দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত দেশ ও দেশের বাইরে সকল বিত্তবানদের অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এগিয়ে আসার আহবান জানিয়ে বলেন, বন্যার কারণে বন্যা কবলিত সকল ইউনিয়নে বন্যাত্যদের ও তাদের গবাদি পশুর এই মানবতের জীবন অত্যন্ত দুঃখজনক।
খাদ্যাভাব, আশ্রয়হীনতা ও পানিবাহিত রোগের কারণে গরু-ছাগল চরম ঝুঁকিতে আছে , দ্রুত নিরাপদ উঁচু স্থান, গো-খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা এখন অত্যন্ত জরুরী , এটি একটি অত্যন্ত মহৎ ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। বন্যার্ত, যেকোনো দুর্যোগে এই ধরণের মানবিক আবেদন সমাজের বৈষম্য দূর করতে এবং সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করতে সাহায্য করে।
