বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে কর্মসংস্থান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। দিনমজুর, রিকশাচালক, খেতমজুর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। কাজ না থাকায় অনেকের ঘরেই জ্বলছে না চুলা। বন্যাকবলিত এলাকার এক দিনমজুর ক্ষোভ ও আর্তনাদ প্রকাশ করে বলেন, "ঘরে পানি উঠায় রান্না করার জায়গা নেই, আবার বাইরে গিয়ে যে একটা কাজ করে চাল কিনব, সেই উপায়ও নেই। আমাদের দেখার কেউ নেই।"
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্লাবিত অঞ্চলের মানুষের মাঝে এখন তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন চরম বিপত্তিতে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা উঁচু রাস্তায়।
স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কিছু এলাকায় ত্রাণ বিতরণ শুরু করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল বলে দাবি করছেন দুর্গতরা। উপদ্রুত এলাকার মানুষ জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং সরকারি-বেসরকারি বড় ধরনের মানবিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
বন্যা কবলিত এলাকাগুলোতে কর্মসংস্থান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। দিনমজুর, রিকশাচালক, খেতমজুর এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়। কাজ না থাকায় অনেকের ঘরেই জ্বলছে না চুলা। বন্যাকবলিত এলাকার এক দিনমজুর ক্ষোভ ও আর্তনাদ প্রকাশ করে বলেন, "ঘরে পানি উঠায় রান্না করার জায়গা নেই, আবার বাইরে গিয়ে যে একটা কাজ করে চাল কিনব, সেই উপায়ও নেই। আমাদের দেখার কেউ নেই।"
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্লাবিত অঞ্চলের মানুষের মাঝে এখন তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন চরম বিপত্তিতে। মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বাঁধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা উঁচু রাস্তায়।
স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন কিছু এলাকায় ত্রাণ বিতরণ শুরু করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল বলে দাবি করছেন দুর্গতরা। উপদ্রুত এলাকার মানুষ জরুরি ভিত্তিতে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ এবং সরকারি-বেসরকারি বড় ধরনের মানবিক সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছে।
