ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় এক কিশোরকে হত্যা করার পর তার মরদেহ বালুর নিচে চাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত রোববার গভীর রাতে আশুলিয়ার সাধুপাড়া এলাকার একটি বালুচর থেকে নাহিদ হাসান (১৫) নামে এক কিশোর নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার অভিযোগ ওঠে।
নিহত নাহিদ লালমনিরহাট জেলায় বাড়ি। তিনি পরিবারের সঙ্গে আশুলিয়ায় বেড়াতে এসেছিলেন।
পরিবারের দাবি, কয়েকজন পরিচিত যুবক নাহিদকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়, এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ বালুর নিচে চাপা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নিহতের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে, মরদেহ উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে,তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় এক কিশোরকে হত্যা করার পর তার মরদেহ বালুর নিচে চাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত রোববার গভীর রাতে আশুলিয়ার সাধুপাড়া এলাকার একটি বালুচর থেকে নাহিদ হাসান (১৫) নামে এক কিশোর নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার অভিযোগ ওঠে।
নিহত নাহিদ লালমনিরহাট জেলায় বাড়ি। তিনি পরিবারের সঙ্গে আশুলিয়ায় বেড়াতে এসেছিলেন।
পরিবারের দাবি, কয়েকজন পরিচিত যুবক নাহিদকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়, এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে তাকে হত্যা করে মরদেহ বালুর নিচে চাপা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। নিহতের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে, মরদেহ উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে,তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
