বুধবার বিকেলে শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিমাঞ্চলে। এতে রাজধানী কারাকাসে একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশজুড়ে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্র ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কারাকাস থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রথমে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারিভাবে কোনো হতাহতের সংখ্যা জানানো হয়নি।
ভূমিকম্পে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার
সংস্থাটি জানিয়েছে, বড় ধরনের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে এবং পরিস্থিতি দেশজুড়ে বিপর্যয়কর হতে পারে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখ পর্যন্ত হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বহু ভবন ধসে পড়েছে, উদ্ধার অভিযান চলছে এবং আহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক বিজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় অনেক মানুষ তখন বাড়িতেই ছিলেন।
কারাকাসের পশ্চিমাঞ্চলের ৪১ বছর বয়সী এক বাসিন্দা জানান, যেই এটি শুরু হলো, আমরা চিৎকার শুনতে শুরু করি। সবাই দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল।
১৯৬৭ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কারাকাসে এবারও অনেক ভবন কেঁপে ওঠায় মানুষ আতঙ্কে দ্রুত ভবন ত্যাগ করে।
পূর্ব কারাকাসের ৫৬ বছর বয়সী এক বাসিন্দা বলেন,ভেতরে জিনিসপত্র পড়ে যাচ্ছিল, ফ্রিজের ভেতরের জিনিসও ছিটকে পড়ে। আমি জীবনে এমন কিছু দেখিনি।
দক্ষিণ কারাকাসের ৮০ বছর বয়সী এক নারী জানান, পুলিশ তাকে নিরাপদে বাইরে বের হতে সাহায্য করে। তিনি বলেন,এই ভূমিকম্প ছিল ভয়াবহ, ১৯৬৭ সালের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
বুধবার বিকেলে শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিমাঞ্চলে। এতে রাজধানী কারাকাসে একাধিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশজুড়ে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্র ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, কারাকাস থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রথমে ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে আরও শক্তিশালী ৭.৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে সরকারিভাবে কোনো হতাহতের সংখ্যা জানানো হয়নি।
ভূমিকম্পে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্র ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার
সংস্থাটি জানিয়েছে, বড় ধরনের প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে এবং পরিস্থিতি দেশজুড়ে বিপর্যয়কর হতে পারে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখ পর্যন্ত হতে পারে।
স্থানীয় প্রশাসন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বহু ভবন ধসে পড়েছে, উদ্ধার অভিযান চলছে এবং আহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।
জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক বিজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় অনেক মানুষ তখন বাড়িতেই ছিলেন।
কারাকাসের পশ্চিমাঞ্চলের ৪১ বছর বয়সী এক বাসিন্দা জানান, যেই এটি শুরু হলো, আমরা চিৎকার শুনতে শুরু করি। সবাই দৌড়ে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল।
১৯৬৭ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কারাকাসে এবারও অনেক ভবন কেঁপে ওঠায় মানুষ আতঙ্কে দ্রুত ভবন ত্যাগ করে।
পূর্ব কারাকাসের ৫৬ বছর বয়সী এক বাসিন্দা বলেন,ভেতরে জিনিসপত্র পড়ে যাচ্ছিল, ফ্রিজের ভেতরের জিনিসও ছিটকে পড়ে। আমি জীবনে এমন কিছু দেখিনি।
দক্ষিণ কারাকাসের ৮০ বছর বয়সী এক নারী জানান, পুলিশ তাকে নিরাপদে বাইরে বের হতে সাহায্য করে। তিনি বলেন,এই ভূমিকম্প ছিল ভয়াবহ, ১৯৬৭ সালের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর।
