এক অভাবনীয় চমক দেখাল ইকুয়েডর, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ 'ই'-এর শেষ ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল জার্মানির অনুকূলে। ম্যাচের মাত্র ২ মিনিটেই ফরোয়ার্ড লিরয় সানে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শটটি ছিল নিখুঁত, যা ইকুয়েডরের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করতে কোনো সুযোগই রাখেনি। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি জার্মানরা।
তবে জার্মানির এই দাপট বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি নিলসন আনহুলো। ৯ মিনিটের মাথায় অসাধারণ দক্ষতায় গোল করে ইকুয়েডরকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি। এটিই এবারের বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের প্রথম গোল, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এরপর প্রথমার্ধে দুই দলের কেউই গোলের দেখা পায়নি।
বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। রক্ষণ সামলে ইকুয়েডরও মাঝে মাঝেই আক্রমণে ওঠে। এরপর দীর্ঘ সময় ম্যাচটি ১-১ সমতায় থাকলেও, ৭৬ মিনিটে গঞ্জালো প্লাটার গোল ইকুয়েডরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত সেই লিড ধরে রেখেই জার্মানির বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে ইকুয়েডর।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
এক অভাবনীয় চমক দেখাল ইকুয়েডর, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ 'ই'-এর শেষ ম্যাচে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আমেরিকার দলটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল জার্মানির অনুকূলে। ম্যাচের মাত্র ২ মিনিটেই ফরোয়ার্ড লিরয় সানে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার বাঁকানো শটটি ছিল নিখুঁত, যা ইকুয়েডরের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করতে কোনো সুযোগই রাখেনি। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি জার্মানরা।
তবে জার্মানির এই দাপট বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি নিলসন আনহুলো। ৯ মিনিটের মাথায় অসাধারণ দক্ষতায় গোল করে ইকুয়েডরকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি। এটিই এবারের বিশ্বকাপে ইকুয়েডরের প্রথম গোল, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। এরপর প্রথমার্ধে দুই দলের কেউই গোলের দেখা পায়নি।
বিরতি থেকে ফিরে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। রক্ষণ সামলে ইকুয়েডরও মাঝে মাঝেই আক্রমণে ওঠে। এরপর দীর্ঘ সময় ম্যাচটি ১-১ সমতায় থাকলেও, ৭৬ মিনিটে গঞ্জালো প্লাটার গোল ইকুয়েডরকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত সেই লিড ধরে রেখেই জার্মানির বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে ইকুয়েডর।
