ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোল আর কার্লো আনচেলত্তির কৌশলী ফুটবল—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে দাপুটে এক জয় তুলে নিল ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটের টিকিট কাটল সেলেসাওরা। একই গ্রুপ থেকে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে রানার্সআপ হয়ে শেষ বত্রিশে পা রেখেছে মরক্কো। তবে হারলেও তৃতীয় স্থানে থাকা স্কটিশদের নকআউটের আশা এখনো বেঁচে আছে।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপ দলের, যেখানে বর্তমান সমীকরণে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে জাপানের। অন্যদিকে, মরক্কোকে লড়তে হবে গ্রুপ ‘এফ’-এর শীর্ষ দল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।
নেইমার চমক ও ভিনির জোড়া আঘাত
ম্যাচের আগে সব আলো কেড়ে নিয়েছিলেন নেইমার জুনিয়র। তাকে প্রথম একাদশে না রাখায় গ্যালারিতে আলোচনা-সমালোচনা চললেও কোচ আনচেলত্তি নিজের পরিকল্পনাতেই অটুট ছিলেন। তবে বিরতির পর ঠিকই নেইমারকে মাঠে নামান তিনি।
নেইমারকে ছাড়াই ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
৭ম মিনিট (১-০): স্কটিশ ডিফেন্ডার ম্যাককেনার এক দৃষ্টিকটু ভুলের সুযোগ নেন ভিনিসিয়ুস। অসাধারণ ড্রিবলিংয়ে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
৪৫+৩ মিনিট (২-০): প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ছন্নছাড়া ডিফেন্সের ফায়দা তোলে ব্রাজিল। পেছনের পোস্টে ভেসে আসা এক নিখুঁত ক্রসে সহজ হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ভিনি।
কুনিয়ার গোলে কফিনবন্দি স্কটল্যান্ড
দ্বিতীয়ার্ধেও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে ম্যাচের শেষ গোলটি। মাঝমাঠে ব্রুনো গিমারাইসের একটি দুর্দান্ত ট্যাকল থেকে বল পান মাতেউস কুনিয়া। গিমারাইসের বাড়িয়ে দেওয়া নিখুঁত পাসে জোরালো শটে স্কটল্যান্ডের জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন কুনিয়া (৩-০)।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। মাঠজুড়ে স্কটিশ ডিফেন্ডার নাথান প্যাটারসন ও গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের সমন্বয়হীনতা তাদের বড় হারের অন্যতম কারণ হিসেবে মূর্ত হয়ে ছিল।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোড়া গোল আর কার্লো আনচেলত্তির কৌশলী ফুটবল—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে দাপুটে এক জয় তুলে নিল ব্রাজিল। স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটের টিকিট কাটল সেলেসাওরা। একই গ্রুপ থেকে হাইতিকে ৪-২ গোলে হারিয়ে রানার্সআপ হয়ে শেষ বত্রিশে পা রেখেছে মরক্কো। তবে হারলেও তৃতীয় স্থানে থাকা স্কটিশদের নকআউটের আশা এখনো বেঁচে আছে।
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিল মুখোমুখি হতে যাচ্ছে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্সআপ দলের, যেখানে বর্তমান সমীকরণে সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে জাপানের। অন্যদিকে, মরক্কোকে লড়তে হবে গ্রুপ ‘এফ’-এর শীর্ষ দল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।
নেইমার চমক ও ভিনির জোড়া আঘাত
ম্যাচের আগে সব আলো কেড়ে নিয়েছিলেন নেইমার জুনিয়র। তাকে প্রথম একাদশে না রাখায় গ্যালারিতে আলোচনা-সমালোচনা চললেও কোচ আনচেলত্তি নিজের পরিকল্পনাতেই অটুট ছিলেন। তবে বিরতির পর ঠিকই নেইমারকে মাঠে নামান তিনি।
নেইমারকে ছাড়াই ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
৭ম মিনিট (১-০): স্কটিশ ডিফেন্ডার ম্যাককেনার এক দৃষ্টিকটু ভুলের সুযোগ নেন ভিনিসিয়ুস। অসাধারণ ড্রিবলিংয়ে গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়ান এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
৪৫+৩ মিনিট (২-০): প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগের ছন্নছাড়া ডিফেন্সের ফায়দা তোলে ব্রাজিল। পেছনের পোস্টে ভেসে আসা এক নিখুঁত ক্রসে সহজ হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ভিনি।
কুনিয়ার গোলে কফিনবন্দি স্কটল্যান্ড
দ্বিতীয়ার্ধেও ব্রাজিলের আক্রমণের ধার কমেনি। ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে ম্যাচের শেষ গোলটি। মাঝমাঠে ব্রুনো গিমারাইসের একটি দুর্দান্ত ট্যাকল থেকে বল পান মাতেউস কুনিয়া। গিমারাইসের বাড়িয়ে দেওয়া নিখুঁত পাসে জোরালো শটে স্কটল্যান্ডের জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন কুনিয়া (৩-০)।
বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। মাঠজুড়ে স্কটিশ ডিফেন্ডার নাথান প্যাটারসন ও গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানের সমন্বয়হীনতা তাদের বড় হারের অন্যতম কারণ হিসেবে মূর্ত হয়ে ছিল।
