ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বহিরাগত অতিথিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ জুন ২০২৬ থেকে ক্যাম্পাসে বহিরাগত অতিথিদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলেও বিশেষ বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, বার্ন ইউনিট, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড, পলাশী মোড় ও নীলক্ষেতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলোতে যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন এবং জরুরি সেবাসংক্রান্ত গাড়ি যেমন অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক ও রোগীবাহী গাড়ি, সাংবাদিকদের যানবাহন, রাইড শেয়ার সেবা, খাবার পরিবহন ও অনলাইন শপিংয়ের বাহনসহ অন্যান্য সরকারি গাড়ি এই নিয়ন্ত্রণের আওতার বাইরে থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গণপরিবহন ও ভারী যানবাহনের প্রবেশ আগের মতোই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বহিরাগত অতিথিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা এবং যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে ২৪ জুন ২০২৬ থেকে ক্যাম্পাসে বহিরাগত অতিথিদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। একই সঙ্গে যানবাহন চলাচলেও বিশেষ বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ চলাকালে শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, বার্ন ইউনিট, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড, পলাশী মোড় ও নীলক্ষেতসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথগুলোতে যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন এবং জরুরি সেবাসংক্রান্ত গাড়ি যেমন অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক ও রোগীবাহী গাড়ি, সাংবাদিকদের যানবাহন, রাইড শেয়ার সেবা, খাবার পরিবহন ও অনলাইন শপিংয়ের বাহনসহ অন্যান্য সরকারি গাড়ি এই নিয়ন্ত্রণের আওতার বাইরে থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, গণপরিবহন ও ভারী যানবাহনের প্রবেশ আগের মতোই নিয়ন্ত্রিত থাকবে।
