খবর প্রতিদিন ২৪

তানোরে টানা বৃষ্টির দোহায়ে সবজির বাজারে আগুন



তানোরে টানা বৃষ্টির দোহায়ে সবজির বাজারে আগুন

রাজশাহীর তানোরে টানা বৃষ্টির দোহায়ে কয়েকগুণ বেড়েছে প্রতিটি সবজির দাম। বাজারে গিয়ে সবজিতে হাত দিলেই মনে হচ্ছে আগুনে পুড়ে ছারখারের মত অবস্থা। তবে এটা সেই পুড়িয়ে যাওয়া আগুন না। এত পরিমান দাম বৃদ্ধি পেয়েছে আগুনে পুড়ে যাওয়ার মত ক্রেতাদের পকেট পুড়ে একাকার হয়ে পড়ছে। বাজারে গিয়ে কোন ভাবেই হিসেব মিলাতে পারছেনা ক্রেতারা। 

যে সবজি দশ থেকে ১৫ টাকা কেজি বা তার চেয়ে কমে বিক্রি হল। আর হঠাৎ বৃষ্টির দোহায়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেল। অথচ এসব এলাকায় বন্যা নেই, সবজি খেত নষ্ট হয়নি। তারপরও এত পরিমান দামে হিমসিম অবস্থা। অবশ্য দামের আরেকটা অন্যতম কারন অতিরিক্ত খাজনা আদায়। যার কারনে কেজিতে দশ থেকে বার টাকা বেড়ে যায়। ফলো সঠিক ও নিয়মিত বাজার তদারকির জোর দাবি তুলেছেন ভোক্তারা।

গত মঙ্গলবারে তানোর পৌর সদরে গোল্লাপাড়া ও কালি গঞ  হাটবার ছিল। হাটে ক্রেতারা এসে সবজির দাম শুনে পকেটে হাত দেয়া শুরু করেন।

বাবু নামের এক ক্রেতা জানান, হাটে ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত সবজির কেজি। অথচ গত সপ্তাহে ছিল স্বাভাবিক দাম। তিনি জানান, করলা ৮০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ৩০ টাকা ছিল, তার আগে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। কচু ৮০ টাকা কেজি, বেগুন ১২০ টাকা কেজি, পেপে ৫০ টাকা কেজি, কাচা কলা ৩০টাকা হালি, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, দেশি ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, হিমাগারের আলু ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আলু আর ধান ছাড়া  প্রতিটি সবজির দাম আকাশ ছোয়া।

ক্রেতা মনি জানান, কি কিনব, একা হাজার টাকা বাজারে নিয়ে গিয়ে কয়েকটা সবজি আর মসলা কিনতেই পকেট ফাকা।


জানা গেছে, জুলাই মাসের ৫ তারিখের পর টানা বৃষ্টি। বৃষ্টি ও পাহাড়ি উজানের ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাল, বিল, নদ নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। নষ্ট হয় সবজি খেত। তবে এসব এলাকায় টানা বৃষ্টি হলেও তেমন বন্যা নেই। নষ্ট হয়নি সবজি খেত। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে সবজির দাম।

বিক্রেতারা জানান, প্রগি হাটে যে পরিমান সবজি আমদানি হয় সে তুলনায় আমদানি কম হয়েছে। পাইকারি ভাবে দিগুন দাম বেড়েছে। যার কারনে হঠাৎ করেই সবজির দাম বাড়তি। এভাবে চলতে থাকলে আরো দাম বাড়বে।

বুধবার তালন্দ হাটবারের দিন। সদরের হাট থেকে কিছুটা হলেও সবজি থেকে শুরু করে প্রতিটি পণ্যের দাম কম থাকে। কিন্তু বুধবার হাটের চিত্র ছিল উল্টো। সেখানেও সবজির দাম গত হাটের চেয়ে আকাশ চোয়া। সবজি, মাছ ও বয়লার, সোনালী, লেয়ার মুরগীর দামও বাড়তি।

ক্রেতারা কোনভাবেই বাজারে গিয়ে হিসাব মিলাতে পারছেনা। কারন ধান আলুর দাম নেই। অথচ এউপজেলার জনসাধারণের আয়ের প্রধান উৎস ধান ও আলু। কিন্তু সে ফসলের দাম না থাকার কারনে চরম হতাশায় পড়েছেন এউপজেলার বেশির ভাগ জনসাধারণ

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

খবর প্রতিদিন ২৪

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


তানোরে টানা বৃষ্টির দোহায়ে সবজির বাজারে আগুন

প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬

featured Image

রাজশাহীর তানোরে টানা বৃষ্টির দোহায়ে কয়েকগুণ বেড়েছে প্রতিটি সবজির দাম। বাজারে গিয়ে সবজিতে হাত দিলেই মনে হচ্ছে আগুনে পুড়ে ছারখারের মত অবস্থা। তবে এটা সেই পুড়িয়ে যাওয়া আগুন না। এত পরিমান দাম বৃদ্ধি পেয়েছে আগুনে পুড়ে যাওয়ার মত ক্রেতাদের পকেট পুড়ে একাকার হয়ে পড়ছে। বাজারে গিয়ে কোন ভাবেই হিসেব মিলাতে পারছেনা ক্রেতারা। 

যে সবজি দশ থেকে ১৫ টাকা কেজি বা তার চেয়ে কমে বিক্রি হল। আর হঠাৎ বৃষ্টির দোহায়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেল। অথচ এসব এলাকায় বন্যা নেই, সবজি খেত নষ্ট হয়নি। তারপরও এত পরিমান দামে হিমসিম অবস্থা। অবশ্য দামের আরেকটা অন্যতম কারন অতিরিক্ত খাজনা আদায়। যার কারনে কেজিতে দশ থেকে বার টাকা বেড়ে যায়। ফলো সঠিক ও নিয়মিত বাজার তদারকির জোর দাবি তুলেছেন ভোক্তারা।

গত মঙ্গলবারে তানোর পৌর সদরে গোল্লাপাড়া ও কালি গঞ  হাটবার ছিল। হাটে ক্রেতারা এসে সবজির দাম শুনে পকেটে হাত দেয়া শুরু করেন।

বাবু নামের এক ক্রেতা জানান, হাটে ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত সবজির কেজি। অথচ গত সপ্তাহে ছিল স্বাভাবিক দাম। তিনি জানান, করলা ৮০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ৩০ টাকা ছিল, তার আগে ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। কচু ৮০ টাকা কেজি, বেগুন ১২০ টাকা কেজি, পেপে ৫০ টাকা কেজি, কাচা কলা ৩০টাকা হালি, কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, দেশি ৩৫ থেকে ৫০ টাকা, হিমাগারের আলু ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আলু আর ধান ছাড়া  প্রতিটি সবজির দাম আকাশ ছোয়া।

ক্রেতা মনি জানান, কি কিনব, একা হাজার টাকা বাজারে নিয়ে গিয়ে কয়েকটা সবজি আর মসলা কিনতেই পকেট ফাকা।


জানা গেছে, জুলাই মাসের ৫ তারিখের পর টানা বৃষ্টি। বৃষ্টি ও পাহাড়ি উজানের ঢলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খাল, বিল, নদ নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পায়। নষ্ট হয় সবজি খেত। তবে এসব এলাকায় টানা বৃষ্টি হলেও তেমন বন্যা নেই। নষ্ট হয়নি সবজি খেত। কিন্তু বিভিন্ন অজুহাতে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে সবজির দাম।

বিক্রেতারা জানান, প্রগি হাটে যে পরিমান সবজি আমদানি হয় সে তুলনায় আমদানি কম হয়েছে। পাইকারি ভাবে দিগুন দাম বেড়েছে। যার কারনে হঠাৎ করেই সবজির দাম বাড়তি। এভাবে চলতে থাকলে আরো দাম বাড়বে।

বুধবার তালন্দ হাটবারের দিন। সদরের হাট থেকে কিছুটা হলেও সবজি থেকে শুরু করে প্রতিটি পণ্যের দাম কম থাকে। কিন্তু বুধবার হাটের চিত্র ছিল উল্টো। সেখানেও সবজির দাম গত হাটের চেয়ে আকাশ চোয়া। সবজি, মাছ ও বয়লার, সোনালী, লেয়ার মুরগীর দামও বাড়তি।

ক্রেতারা কোনভাবেই বাজারে গিয়ে হিসাব মিলাতে পারছেনা। কারন ধান আলুর দাম নেই। অথচ এউপজেলার জনসাধারণের আয়ের প্রধান উৎস ধান ও আলু। কিন্তু সে ফসলের দাম না থাকার কারনে চরম হতাশায় পড়েছেন এউপজেলার বেশির ভাগ জনসাধারণ


খবর প্রতিদিন ২৪

প্রকাশক
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)
সম্পাদক
খন্দকার আমিনুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
মোঃ তরিকুল ইসলাম
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম
আইন উপদেষ্টা
মুহাম্মদ গোলাম হোসেন (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
তানোরে টানা বৃষ্টির দোহায়ে সবজির বাজারে আগুন
0:00 / 0:00
1x