পাবনার হিমাইতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি নির্বিঘেœ পরিচালনা নিশ্চিতকরণ এবং হস্তান্তরের দাবীতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা জেলা প্রশাসেকর কার্যালয়ে গিয়ে আবেদনপত্রটি জমা দেন। এ সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরুজ্জামান আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।
বুধবার সকাল ১১ টার দিকে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনে সমবেত হন।
সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ মান্নান মালিথা, মোঃ আবুল কালাম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, পাবনার হিমাইতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে স্থানীয় জনগণের নিকট শ্রদ্ধা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে এবং এর সেবামূলক কর্মকা-ে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। কিন্তু সম্প্রতি কিছু বহিরাগত ব্যক্তি ও একটি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম কর্তৃক পরিচালিত নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রমে বিঘœ সৃষ্টি এবং ঠাকুরের জন্মস্থান দখলের পায়তারা করছেন।
তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ, হিমাইতপুর-পাবনা সংগঠন-কে দেয়া ঠাকুরের জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি হস্তান্তর ও নির্বিঘেœ পরিচালনা নিশ্চিতকরণের দাবীও তারা জানান।
জেলা প্রশাসক অনুপস্থিত থাকায় সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক এর পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরুজ্জামান স্থানীয় এলাকাবাসীর হাত থেকে আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরুজ্জামান বলেন, স্যার অনুপস্থিত থাকায় স্যারের পক্ষে আমি আবেদনটি গ্রহণ করেছি। আবেদনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর তাই স্যার আসলে স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
পাবনার হিমাইতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি নির্বিঘেœ পরিচালনা নিশ্চিতকরণ এবং হস্তান্তরের দাবীতে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাবনা জেলা প্রশাসেকর কার্যালয়ে গিয়ে আবেদনপত্রটি জমা দেন। এ সময় জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরুজ্জামান আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।
বুধবার সকাল ১১ টার দিকে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম এলাকার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সামনে সমবেত হন।
সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ আফজাল হোসেন, মোঃ মান্নান মালিথা, মোঃ আবুল কালাম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, পাবনার হিমাইতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে স্থানীয় জনগণের নিকট শ্রদ্ধা ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে এবং এর সেবামূলক কর্মকা-ে বহু মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। কিন্তু সম্প্রতি কিছু বহিরাগত ব্যক্তি ও একটি সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম কর্তৃক পরিচালিত নিয়মিত ধর্মীয় কার্যক্রমে বিঘœ সৃষ্টি এবং ঠাকুরের জন্মস্থান দখলের পায়তারা করছেন।
তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ, হিমাইতপুর-পাবনা সংগঠন-কে দেয়া ঠাকুরের জন্মস্থানের ০.১৫ একর জমি হস্তান্তর ও নির্বিঘেœ পরিচালনা নিশ্চিতকরণের দাবীও তারা জানান।
জেলা প্রশাসক অনুপস্থিত থাকায় সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসক এর পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরুজ্জামান স্থানীয় এলাকাবাসীর হাত থেকে আবেদনপত্রটি গ্রহণ করেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরুজ্জামান বলেন, স্যার অনুপস্থিত থাকায় স্যারের পক্ষে আমি আবেদনটি গ্রহণ করেছি। আবেদনটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর তাই স্যার আসলে স্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
