রাজধানীর সবুজবাগে পূর্বশত্রুতা ও তর্কাতর্কির জের ধরে মো. ইব্রাহিম পলাশ (৩৬) নামের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তার দুই হাতের কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ বাজার এলাকার পানির পাম্প সংলগ্ন একটি গলিতে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় থাকতেন এবং পেশায় সাবেক প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
ঘটনার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্র:
নিহতের স্বজন ও সঙ্গীদের অভিযোগ, ঘটনার সময় ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল রাজারবাগ বাজারের মুদি দোকানের সামনে পলাশকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। স্থানীয় এক মাদক কারবারি ও রিকশা চোর চক্রের মূলহোতা 'রয়েল' এবং তার সহযোগীরা এ হামলায় সরাসরি অংশ নেয় বলে নিহতের বন্ধু হিরা অভিযোগ করেছেন।
জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রিকশা চুরির অভিযোগে সবুজ নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হলে রয়েল তাকে ছাড়িয়ে নেন। এ নিয়ে পলাশের সঙ্গে রয়েলের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের বক্তব্য:
সবুজবাগ থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়েই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঢাকা মেডিকেলে নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারে এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর সবুজবাগে পূর্বশত্রুতা ও তর্কাতর্কির জের ধরে মো. ইব্রাহিম পলাশ (৩৬) নামের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির এক কর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হামলায় তার দুই হাতের কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সবুজবাগের রাজারবাগ বাজার এলাকার পানির পাম্প সংলগ্ন একটি গলিতে এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় থাকতেন এবং পেশায় সাবেক প্রাইভেটকার চালক ছিলেন। প্রায় ছয় মাস আগে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
ঘটনার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্র:
নিহতের স্বজন ও সঙ্গীদের অভিযোগ, ঘটনার সময় ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল রাজারবাগ বাজারের মুদি দোকানের সামনে পলাশকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। স্থানীয় এক মাদক কারবারি ও রিকশা চোর চক্রের মূলহোতা 'রয়েল' এবং তার সহযোগীরা এ হামলায় সরাসরি অংশ নেয় বলে নিহতের বন্ধু হিরা অভিযোগ করেছেন।
জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে রিকশা চুরির অভিযোগে সবুজ নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হলে রয়েল তাকে ছাড়িয়ে নেন। এ নিয়ে পলাশের সঙ্গে রয়েলের বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এই আক্রমণ চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের বক্তব্য:
সবুজবাগ থানার পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়েই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঢাকা মেডিকেলে নিহতের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারে এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
