রাজশাহীর তানোরে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ পালন করা হয়েছে। এ-উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, নায়েবে আমীর আনিসুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ডিএম আক্কাস আলী, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মোল্লা,সাবেক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ, উপজেলা ছাত্র সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন প্রমুখ। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনে পুলিশের গুলির সামনে বুক পেতে শহিদ হন রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদ। তার শাহাদাতের মাধ্যমে দেশের আনাচে কানাচে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কোটা সংস্কার থেকে বৈষম্য বিরোধী, তারপর একদফা আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতন ঘটে। তারপর থেকে ১৬ জুলাই রাস্ট্রীয় ভাবে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সারা দেশের মত তানোরেও আলোচনা এবং দোয়ার মাধ্যমে শহিদদের স্মরণ করা হয়।
বক্তারা আরো বলেন, বৈষম্য হীন দেশ ও সমাজ গড়তেই আবু সাইদ বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে গেছেন যারাই ফ্যাসিজম কায়েম করবেন, এক নায়ক শাসন ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধেই আপামর জনতা আন্দোলন গড়ে তুলবে।
কিন্তু দূ:খের বিষয় ফ্যাসিস্ট পরিবর্তন হলেও যেন সবকিছু একই নিয়মে চলমান রয়েছে। কিন্তু ৩৬ জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন তারা একটা বৈষম্য হীন রাস্ট্র দেখার স্বপ্ন একেছিলেন। সুতরাং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আহবান জানানো হয়।
আলোচনা শেষে জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীর তানোরে জুলাই শহিদ দিবস ২০২৬ পালন করা হয়েছে। এ-উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ওসি এসএম মাসুদ পারভেজ, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আখেরুজ্জামান হান্নান, তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আলমগীর হোসেন, নায়েবে আমীর আনিসুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ডিএম আক্কাস আলী, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মোল্লা,সাবেক উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ও সরনজাই ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, উপজেলা কৃষি অফিসার সাইফুল্লাহ আহমেদ, উপজেলা ছাত্র সমন্বয়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা খাতুন প্রমুখ। এসময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী, বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনে পুলিশের গুলির সামনে বুক পেতে শহিদ হন রংপুর রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদ। তার শাহাদাতের মাধ্যমে দেশের আনাচে কানাচে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কোটা সংস্কার থেকে বৈষম্য বিরোধী, তারপর একদফা আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারের পতন ঘটে। তারপর থেকে ১৬ জুলাই রাস্ট্রীয় ভাবে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সারা দেশের মত তানোরেও আলোচনা এবং দোয়ার মাধ্যমে শহিদদের স্মরণ করা হয়।
বক্তারা আরো বলেন, বৈষম্য হীন দেশ ও সমাজ গড়তেই আবু সাইদ বুকের তাজা রক্ত বিলিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে গেছেন যারাই ফ্যাসিজম কায়েম করবেন, এক নায়ক শাসন ব্যবস্থা চালু করার চেষ্টা করবেন তাদের বিরুদ্ধেই আপামর জনতা আন্দোলন গড়ে তুলবে।
কিন্তু দূ:খের বিষয় ফ্যাসিস্ট পরিবর্তন হলেও যেন সবকিছু একই নিয়মে চলমান রয়েছে। কিন্তু ৩৬ জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ হয়েছেন তারা একটা বৈষম্য হীন রাস্ট্র দেখার স্বপ্ন একেছিলেন। সুতরাং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন আহবান জানানো হয়।
আলোচনা শেষে জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত ও দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা
