খবর প্রতিদিন ২৪

তানোরে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সিন্ডিকেটে ধান সংগ্রহ বঞ্চিত কৃষকরা



তানোরে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সিন্ডিকেটে ধান সংগ্রহ বঞ্চিত কৃষকরা
রাজশাহীর তানোরে সরকারি ভাবে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ও কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশে খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষি কার্ড হাতিয়ে নিয়ে বিএনপি ও আ"লীগ নেতা ও পন্থী চাতাল বব্যবসায়ীরা এই সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তারা কৃষক কার্ড সংগ্রহ করে ধান দিচ্ছেন বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। প্রতি নিয়তই ঝড় বৃষ্টির মধ্যে কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির মালারমোড়ে অবস্থিত ইউপি আ"লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজি সেলিমের চাতাল থেকে গোল্লাপাড়া খাদ্য গুদামে টনের টন ধান  দিচ্ছেন গুদামে। তিনি সরকারি ভাবে চালও সংগ্রহ করে থাকেন। আর তাকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছেন কিছু বিএনপি পন্থী নেতা ও চাতাল ব্যবসায়ী নেতারা। অথচ বাজারে ধানের দাম কম থাকার কারনে কৃষক তার উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেনা। আর হাজি সেলিমের নেতৃত্বে গড়ে উঠা সিন্ডিকেট চক্র বাহির থেকে নিম্মমানের হাইব্রিড জাতের ধান কম টাকায় কিনে গুদামে দিচ্ছেন। যা তদন্ত করলেই এসব ধান সংগ্রহের অনিযম বেরিয়ে আসবে।

 এছাড়াও কামারগাঁ খাদ্য গুদামে একই কায়দায় ধান দিচ্ছেন জুয়েল নামের ব্যবসায়ী। তিনি আ"লীগ সরকারের সময় দলে যোগদান করে খাদ্য গুদামে দেদারসে ব্যবসা করত। প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের পর খোলস পাল্টিয়ে পুনরায় বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয় হয়েছেন। সেই সুবাদে গুদামে একচেটিয়া ব্যবসা করছেন। আর তাকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছেন গুদাম কর্মকর্তা আতিক বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। কৃষক দের ধান না নেয়ার কারনে প্রতি নিয়তই হট্টগোল সহ গেট বন্ধের মত ঘটনা ঘটতেই আছে। তারপরও সিন্ডিকেট চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, উপজেলায় দুটি খাদ্য গুদাম রয়েছে। একটি তানোর পৌর সদর গোল্লাপাড়া বাজারে, অপরটি কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির বাজারে। গোল্লাপাড়া বাজারের গুদামে কামারগাঁ ইউপি আ"লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজি সেলিম কৃষকের বরাদ্দ করা ধান দিচ্ছেন। অথচ তিনি কোন ধরনের চাষাবাদ করেননা। হাজি সেলিম বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় একক আদিপত্য বিস্তার করে এক চেটিয়ে ব্যবসা করতেন। সে সময় থেকেই তিনি সিন্ডিকেট চক্রের অন্যতম মুল হোতা। স্বৈরাচার সরকারের পালিয়ে যাওয়ার পর হাজি সেলিম দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তিনি বিএনপি পন্থি কিছু চাতাল ব্যবসায়ীর স্বয়ংস্পর্শ্বে এসে পুনরায় একই কায়দায় ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি।

এছাড়াও পাঁচন্দর ইউনিয়ন ইউপির যোগিশো মোড়ের ধান ব্যবসায়ী আক্কাস নিজেই প্রায় ৬০/৭০ টন ধান দিয়েছেন গুদামে। তিনি জানান, কৃষকের কাছ থেকে বাজার দরে ধান কিনে কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ৬৫ টনের মত ধান দিয়েছি বলেও অকপটে শিকার করেন।

কৃষকরা জানান, বিলের জমির বোরো ধান আলু ও আলুর জমির বোরো, আউশ ধানে ব্যাপক লোকসান গুনতে হয়েছে। বিলের জমিতে ফলন ভাল হলেও দাম নেই। আলুর জমির ধানে ফলনও কম দাম নেই। বিঘায় দুই দফায় প্রচুর লোকসান গুনতে হয়েছে। একের পর এক ফসলে লোকসান গুনে হাহাকারের মধ্যে পড়েছেন কৃষকরা। বর্তমানে ধানের বাজার ৯৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা। বিঘায় জমির ধান কাটা মাড়ায় করতেই সাড়ে ৬ হাজার টাকা থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়েছে। উৎপাদন খরচতো দূরে থাক ঘরে ধান আনতে পারছেনা। আবার একটু ভিজে হলে দুই মনের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকায়। অথচ সরকারি ভাবে ৩৬ টাকা কেজি দরে ধান কিনা হচ্ছে। সরকারের গুদামে কোনভাবেই কৃষক ধান দিতে পারেনা। নানা ধরনের জামেলা ও কর্তৃপক্ষ কে তুষ্ট করতে পারেনা প্রান্তিক কৃষকরা। যার কারনে সরকারের গুদামে ধান দিতে পারেনা কৃষকরা।

কৃষক মুনসুর, জারদিস, মিনারুল, হাফিজসহ অনেকে জানান, গুদামে ধান নিয়ে গেলে ঝামেলার শেষ থাকেনা। শুকনা না, অজন সঠিক নাই, ধানের রং ভালো না ইত্যাদি ইত্যাদি কারন দেখানো হয়। আবার ব্যাংক একাউন্ট কর।ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা নিতে হবে। এজন্য বাজারে কম দামে বিক্রি করা হয়। একমন ধান সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তাও শুকনো ঝরঝরে হতে হবে। আর সরকার কিনছে ১৪৪০ টাকা মনে। সরকারের গুদামে ধান দিচ্ছে চাতাল ব্যবসায়ীরা। তারা কৃষক কার্ড হাতিয়ে নিয়ে বাহির থেকে হাইব্রিড জাতের নিম্নমানের ধান দিচ্ছে। তাদের কোন সমস্যা নাই। কারন তাদের সাথে কর্তৃপক্ষের হিসেব নিকেশ আছে। একারনে তাদের ধানে কোন ঝড় ঝামেলা হয়না।

এক চাতাল ব্যবসায়ী জানান, এটা সত্য যে কৃষকরা গুদামে ধান দিতে চাইলে হয়রানির শেষ থাকেনা। কারন কৃষক তো টন প্রতি কর্তাকে কিছু দিতে পারবেনা। আর কর্তারা মাশুল ছাড়া কোনভাবেই ধান নিবেনা। নানা কারন দেখিয়ে ধান ফেরত দেয়। কারা ধান সংগ্রহ করেছে তা সরেজমিনে কৃষি কার্ড দেখে তদন্ত করলেই ধরা পড়বে। কিন্তু কে করবে তদন্ত। খাদ্য অফিস ও গুদাম থেকে স্বৈরাচারী ভূত যায়নি। আগের নিয়মেই চলছে। বরং আগের চেয়ে আরো দাপটে সিন্ডিকেট শুরু হয়েছে।

এছাড়াও কামারগা খাদ্য গুদামের ওসিএলএসডি আতিক টন প্রতি ২ হাজার থেকে তিন হাজার টাকা করে নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান নিয়েছেন। ওই গুদামে ধান দিয়েছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। তারা হলেন, আ"লীগে যোগদানকৃত নেতা সার ব্যবসায়ী কামারগা বাজারের প্রভাবশালী ব্যক্তি জুয়েল, ধান ব্যবসায়ী মতি, উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক মাসুদ করিম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক কলমা বাজারের বাসিন্দা রায়হান বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।

কামারগাঁ গুদাম কর্মকর্তা আতিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ধান নেয়া হয়েছে। আপনি টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়ীরা কাছ থেকে ধান নিয়েছেন জানতে চাইলে অস্বীকার করেন তিনি।

সদরের গুদাম কর্মকর্তা আফরোজা জানান, কৃষকের কাছ থেকে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। কৃষকের কাছ থেকে নেয়া হয়নি ব্যবসায়ীরা কাছ থেকে নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি ছুটিতে আছি। অফিসে গিয়ে কথা হবে।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা পারভীন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দান সংগ্রহের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, উপজেলায় ৩৬ টাকা কেজি ধরে ১ হাজার ৫৬৩ মে;টন ধান সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে সদরের গুদামে ১ হাজার টন ও কামারগাঁ গুদামে ৫৬৩ মে:টন। এপর্যন্ত ১ হাজার ১৯৯টন ধান সংগ্রহ হয়েছে।

এই সংবাদটি আপনার কেমন লেগেছে?


খবরটি রেটিং দিন

গড় রেটিং: /৫ ( ভোট)

ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

খবর প্রতিদিন ২৪

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬


তানোরে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সিন্ডিকেটে ধান সংগ্রহ বঞ্চিত কৃষকরা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬

featured Image
রাজশাহীর তানোরে সরকারি ভাবে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ও কর্তৃপক্ষের সাথে যোগসাজশে খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কৃষি কার্ড হাতিয়ে নিয়ে বিএনপি ও আ"লীগ নেতা ও পন্থী চাতাল বব্যবসায়ীরা এই সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। তারা কৃষক কার্ড সংগ্রহ করে ধান দিচ্ছেন বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। প্রতি নিয়তই ঝড় বৃষ্টির মধ্যে কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির মালারমোড়ে অবস্থিত ইউপি আ"লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজি সেলিমের চাতাল থেকে গোল্লাপাড়া খাদ্য গুদামে টনের টন ধান  দিচ্ছেন গুদামে। তিনি সরকারি ভাবে চালও সংগ্রহ করে থাকেন। আর তাকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছেন কিছু বিএনপি পন্থী নেতা ও চাতাল ব্যবসায়ী নেতারা। অথচ বাজারে ধানের দাম কম থাকার কারনে কৃষক তার উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেনা। আর হাজি সেলিমের নেতৃত্বে গড়ে উঠা সিন্ডিকেট চক্র বাহির থেকে নিম্মমানের হাইব্রিড জাতের ধান কম টাকায় কিনে গুদামে দিচ্ছেন। যা তদন্ত করলেই এসব ধান সংগ্রহের অনিযম বেরিয়ে আসবে।

 এছাড়াও কামারগাঁ খাদ্য গুদামে একই কায়দায় ধান দিচ্ছেন জুয়েল নামের ব্যবসায়ী। তিনি আ"লীগ সরকারের সময় দলে যোগদান করে খাদ্য গুদামে দেদারসে ব্যবসা করত। প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের পর খোলস পাল্টিয়ে পুনরায় বিএনপির রাজনীতির সাথে সক্রিয় হয়েছেন। সেই সুবাদে গুদামে একচেটিয়া ব্যবসা করছেন। আর তাকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করছেন গুদাম কর্মকর্তা আতিক বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। কৃষক দের ধান না নেয়ার কারনে প্রতি নিয়তই হট্টগোল সহ গেট বন্ধের মত ঘটনা ঘটতেই আছে। তারপরও সিন্ডিকেট চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, উপজেলায় দুটি খাদ্য গুদাম রয়েছে। একটি তানোর পৌর সদর গোল্লাপাড়া বাজারে, অপরটি কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির বাজারে। গোল্লাপাড়া বাজারের গুদামে কামারগাঁ ইউপি আ"লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাজি সেলিম কৃষকের বরাদ্দ করা ধান দিচ্ছেন। অথচ তিনি কোন ধরনের চাষাবাদ করেননা। হাজি সেলিম বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় একক আদিপত্য বিস্তার করে এক চেটিয়ে ব্যবসা করতেন। সে সময় থেকেই তিনি সিন্ডিকেট চক্রের অন্যতম মুল হোতা। স্বৈরাচার সরকারের পালিয়ে যাওয়ার পর হাজি সেলিম দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তিনি বিএনপি পন্থি কিছু চাতাল ব্যবসায়ীর স্বয়ংস্পর্শ্বে এসে পুনরায় একই কায়দায় ব্যবসা শুরু করেছেন তিনি।

এছাড়াও পাঁচন্দর ইউনিয়ন ইউপির যোগিশো মোড়ের ধান ব্যবসায়ী আক্কাস নিজেই প্রায় ৬০/৭০ টন ধান দিয়েছেন গুদামে। তিনি জানান, কৃষকের কাছ থেকে বাজার দরে ধান কিনে কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ৬৫ টনের মত ধান দিয়েছি বলেও অকপটে শিকার করেন।

কৃষকরা জানান, বিলের জমির বোরো ধান আলু ও আলুর জমির বোরো, আউশ ধানে ব্যাপক লোকসান গুনতে হয়েছে। বিলের জমিতে ফলন ভাল হলেও দাম নেই। আলুর জমির ধানে ফলনও কম দাম নেই। বিঘায় দুই দফায় প্রচুর লোকসান গুনতে হয়েছে। একের পর এক ফসলে লোকসান গুনে হাহাকারের মধ্যে পড়েছেন কৃষকরা। বর্তমানে ধানের বাজার ৯৫০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা। বিঘায় জমির ধান কাটা মাড়ায় করতেই সাড়ে ৬ হাজার টাকা থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়েছে। উৎপাদন খরচতো দূরে থাক ঘরে ধান আনতে পারছেনা। আবার একটু ভিজে হলে দুই মনের বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১৫৫০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকায়। অথচ সরকারি ভাবে ৩৬ টাকা কেজি দরে ধান কিনা হচ্ছে। সরকারের গুদামে কোনভাবেই কৃষক ধান দিতে পারেনা। নানা ধরনের জামেলা ও কর্তৃপক্ষ কে তুষ্ট করতে পারেনা প্রান্তিক কৃষকরা। যার কারনে সরকারের গুদামে ধান দিতে পারেনা কৃষকরা।

কৃষক মুনসুর, জারদিস, মিনারুল, হাফিজসহ অনেকে জানান, গুদামে ধান নিয়ে গেলে ঝামেলার শেষ থাকেনা। শুকনা না, অজন সঠিক নাই, ধানের রং ভালো না ইত্যাদি ইত্যাদি কারন দেখানো হয়। আবার ব্যাংক একাউন্ট কর।ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা নিতে হবে। এজন্য বাজারে কম দামে বিক্রি করা হয়। একমন ধান সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তাও শুকনো ঝরঝরে হতে হবে। আর সরকার কিনছে ১৪৪০ টাকা মনে। সরকারের গুদামে ধান দিচ্ছে চাতাল ব্যবসায়ীরা। তারা কৃষক কার্ড হাতিয়ে নিয়ে বাহির থেকে হাইব্রিড জাতের নিম্নমানের ধান দিচ্ছে। তাদের কোন সমস্যা নাই। কারন তাদের সাথে কর্তৃপক্ষের হিসেব নিকেশ আছে। একারনে তাদের ধানে কোন ঝড় ঝামেলা হয়না।

এক চাতাল ব্যবসায়ী জানান, এটা সত্য যে কৃষকরা গুদামে ধান দিতে চাইলে হয়রানির শেষ থাকেনা। কারন কৃষক তো টন প্রতি কর্তাকে কিছু দিতে পারবেনা। আর কর্তারা মাশুল ছাড়া কোনভাবেই ধান নিবেনা। নানা কারন দেখিয়ে ধান ফেরত দেয়। কারা ধান সংগ্রহ করেছে তা সরেজমিনে কৃষি কার্ড দেখে তদন্ত করলেই ধরা পড়বে। কিন্তু কে করবে তদন্ত। খাদ্য অফিস ও গুদাম থেকে স্বৈরাচারী ভূত যায়নি। আগের নিয়মেই চলছে। বরং আগের চেয়ে আরো দাপটে সিন্ডিকেট শুরু হয়েছে।

এছাড়াও কামারগা খাদ্য গুদামের ওসিএলএসডি আতিক টন প্রতি ২ হাজার থেকে তিন হাজার টাকা করে নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান নিয়েছেন। ওই গুদামে ধান দিয়েছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। তারা হলেন, আ"লীগে যোগদানকৃত নেতা সার ব্যবসায়ী কামারগা বাজারের প্রভাবশালী ব্যক্তি জুয়েল, ধান ব্যবসায়ী মতি, উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক মাসুদ করিম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক কলমা বাজারের বাসিন্দা রায়হান বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন।

কামারগাঁ গুদাম কর্মকর্তা আতিক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ধান নেয়া হয়েছে। আপনি টাকার বিনিময়ে ব্যবসায়ীরা কাছ থেকে ধান নিয়েছেন জানতে চাইলে অস্বীকার করেন তিনি।

সদরের গুদাম কর্মকর্তা আফরোজা জানান, কৃষকের কাছ থেকে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। কৃষকের কাছ থেকে নেয়া হয়নি ব্যবসায়ীরা কাছ থেকে নেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান আমি ছুটিতে আছি। অফিসে গিয়ে কথা হবে।

উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা পারভীন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দান সংগ্রহের বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, উপজেলায় ৩৬ টাকা কেজি ধরে ১ হাজার ৫৬৩ মে;টন ধান সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে সদরের গুদামে ১ হাজার টন ও কামারগাঁ গুদামে ৫৬৩ মে:টন। এপর্যন্ত ১ হাজার ১৯৯টন ধান সংগ্রহ হয়েছে।


খবর প্রতিদিন ২৪

প্রকাশক
মোঃ মামুনুর হাসান (টিপু)
সম্পাদক
খন্দকার আমিনুর রহমান
বার্তা সম্পাদক
মোঃ তরিকুল ইসলাম
উপদেষ্টা মন্ডলীর সভাপতি
বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম [পরিচালক] বাংলাদেশ স্যাটেলাইট
আইন উপদেষ্টা
মুহাম্মদ গোলাম হোসেন (এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
তানোরে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সিন্ডিকেটে ধান সংগ্রহ বঞ্চিত কৃষকরা
0:00 / 0:00
1x