আজ (রোববার) মালয়েশিয়ার উদ্দেশে সরকারি সফরে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রোববার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীনে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সফরে মালয়েশিয়া অংশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক নথি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি দল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, যেখানে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।
চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ২৩ থেকে ২৫ জুন লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন।
আগামী ২৫ জুন তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
আজ (রোববার) মালয়েশিয়ার উদ্দেশে সরকারি সফরে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রোববার বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবেন বলে জানা গেছে।
মালয়েশিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি চীনে যাবেন। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সফরে মালয়েশিয়া অংশে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ ও উন্নয়ন সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক, দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপাক্ষিক নথি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এ সময় বহু প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি দল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, যেখানে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।
চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ২৩ থেকে ২৫ জুন লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে অনুষ্ঠিতব্য ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেবেন।
আগামী ২৫ জুন তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন এবং ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।
সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
