মারা গেছেন প্রাবন্ধিক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
তিনি বলেন,স্যার দুপুরে অসুস্থ হয়ে পড়লে মিরপুরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলা একাডেমি থেকে আমরা স্যারের বাসায় যাচ্ছি। দাফন এবং শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিরপেক্ষ রাজনীতি, রাষ্ট্রচিন্তা ও তাত্ত্বিক লেখালেখির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ সাময়িকপত্র সম্পাদনার পাশাপাশি তিনি ২০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। তার উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’রাজনীতি দর্শন’সাহিত্য চিন্তা’ এবং ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’। এছাড়া তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘স্বদেশচিন্তা’সহ একাধিক গ্রন্থ।
সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
মারা গেছেন প্রাবন্ধিক, রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
তিনি বলেন,স্যার দুপুরে অসুস্থ হয়ে পড়লে মিরপুরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলা একাডেমি থেকে আমরা স্যারের বাসায় যাচ্ছি। দাফন এবং শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে জানানো হবে।
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বাংলা একাডেমির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিরপেক্ষ রাজনীতি, রাষ্ট্রচিন্তা ও তাত্ত্বিক লেখালেখির জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন।
তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ সাময়িকপত্র সম্পাদনার পাশাপাশি তিনি ২০টিরও বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। তার উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’রাজনীতি দর্শন’সাহিত্য চিন্তা’ এবং ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’। এছাড়া তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘স্বদেশচিন্তা’সহ একাধিক গ্রন্থ।
সাহিত্য ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
