শুরুর একাদশে ছিলেন না দলের সেরা তারকা। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মাঠে নেমেছিল আগের ম্যাচের ৯ পরিবর্তন নিয়ে। কিন্তু তাতে কী? ডাগআউট থেকে লিওনেল মেসি যখন মাঠে নামলেন, তখন কেবল আর্জেন্টিনার জয়ই নিশ্চিত হলো না, লেখা হলো ফুটবলের নতুন এক ইতিহাস। জর্ডানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়লেন এলএমটেন (LM10)।
এর আগে টানা ৬ ম্যাচে গোল করে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) ও ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন মেসি। আজ জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে সেই লিজেন্ডদের ছাড়িয়ে একা চূড়ায় বসলেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। একই সাথে চলতি বিশ্বকাপে নিজের ৬ষ্ঠ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও বাকিদের চেয়ে দুই গোল এগিয়ে গেলেন তিনি।
ম্যাচের হাইলাইটস:
লো সেলসোর ম্যাজিক (১৯ মিনিট): ম্যাচের শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলে আর্জেন্টিনা। ১৯তম মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর দুর্দান্ত এক শটে লিড নেয় আলবিসেলেস্তেরা। জর্ডানের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জড়ায় জালের ওপরের কোণায়।
লাউতারোর পেনাল্টি (৩১ মিনিট): মারকোস সেনেসিকে বক্সের ভেতর ফাউল করা হলে ভিএআর (VAR) রিভিউ দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ভুল করেননি লাউতারো মার্তিনেস।
জর্ডানের লড়াই (৫৫ মিনিট): প্রথমার্ধে ২-০ তে পিছিয়ে থাকার পর বিরতি থেকে ফিরেই ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয় জর্ডান। বদলি খেলোয়াড় মুসা আল-তামারির চমৎকার ফিনিশিংয়ে ব্যবধান কমায় তারা। নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করার এক দারুণ কীর্তি গড়ল জর্ডান।
মেসি শো ও বিশ্বরেকর্ড (৮০ মিনিট): দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন মেসি। ৮০তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। জর্ডানের রক্ষণভাগের দেয়াল ও ফাঁক গলে নিজের সেই চেনা বাঁ পায়ের নিখুঁত জাদুতে বল জালে পাঠান মেসি। আর তাতেই নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানের দুর্দান্ত জয় এবং মেসির ঐতিহাসিক রেকর্ড।
এক নজরে নতুন রূপের আর্জেন্টিনা:
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলা আগের ম্যাচের একাদশ থেকে ৯টি পরিবর্তন এনে আজ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন কোচ। শুধু গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস এবং স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছিলেন। এমনকি এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন হুলিয়ান আলভারেসও। তবে দিনশেষে সব আলো কেড়ে নিলেন বেঞ্চ থেকে আসা সেই মহাতারকাই!
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
শুরুর একাদশে ছিলেন না দলের সেরা তারকা। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা মাঠে নেমেছিল আগের ম্যাচের ৯ পরিবর্তন নিয়ে। কিন্তু তাতে কী? ডাগআউট থেকে লিওনেল মেসি যখন মাঠে নামলেন, তখন কেবল আর্জেন্টিনার জয়ই নিশ্চিত হলো না, লেখা হলো ফুটবলের নতুন এক ইতিহাস। জর্ডানকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়লেন এলএমটেন (LM10)।
এর আগে টানা ৬ ম্যাচে গোল করে ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৮) ও ব্রাজিলের জেয়াজিনহোর (১৯৭০) রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন মেসি। আজ জর্ডানের বিপক্ষে গোল করে সেই লিজেন্ডদের ছাড়িয়ে একা চূড়ায় বসলেন এই আর্জেন্টাইন জাদুকর। একই সাথে চলতি বিশ্বকাপে নিজের ৬ষ্ঠ গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়েও বাকিদের চেয়ে দুই গোল এগিয়ে গেলেন তিনি।
ম্যাচের হাইলাইটস:
লো সেলসোর ম্যাজিক (১৯ মিনিট): ম্যাচের শুরু থেকেই চড়াও হয়ে খেলে আর্জেন্টিনা। ১৯তম মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর দুর্দান্ত এক শটে লিড নেয় আলবিসেলেস্তেরা। জর্ডানের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জড়ায় জালের ওপরের কোণায়।
লাউতারোর পেনাল্টি (৩১ মিনিট): মারকোস সেনেসিকে বক্সের ভেতর ফাউল করা হলে ভিএআর (VAR) রিভিউ দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ভুল করেননি লাউতারো মার্তিনেস।
জর্ডানের লড়াই (৫৫ মিনিট): প্রথমার্ধে ২-০ তে পিছিয়ে থাকার পর বিরতি থেকে ফিরেই ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয় জর্ডান। বদলি খেলোয়াড় মুসা আল-তামারির চমৎকার ফিনিশিংয়ে ব্যবধান কমায় তারা। নিজেদের প্রথম বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই গোল করার এক দারুণ কীর্তি গড়ল জর্ডান।
মেসি শো ও বিশ্বরেকর্ড (৮০ মিনিট): দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন মেসি। ৮০তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। জর্ডানের রক্ষণভাগের দেয়াল ও ফাঁক গলে নিজের সেই চেনা বাঁ পায়ের নিখুঁত জাদুতে বল জালে পাঠান মেসি। আর তাতেই নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার ৩-১ ব্যবধানের দুর্দান্ত জয় এবং মেসির ঐতিহাসিক রেকর্ড।
এক নজরে নতুন রূপের আর্জেন্টিনা:
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলা আগের ম্যাচের একাদশ থেকে ৯টি পরিবর্তন এনে আজ পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন কোচ। শুধু গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেস এবং স্ট্রাইকার লাউতারো মার্তিনেস নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছিলেন। এমনকি এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন হুলিয়ান আলভারেসও। তবে দিনশেষে সব আলো কেড়ে নিলেন বেঞ্চ থেকে আসা সেই মহাতারকাই!
