বরিশালে নগর পরিবহনে অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া বৃদ্ধি এবং চালকদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের(ববি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৫ জুন) প্রদত্ত স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বরিশাল নগরীতে অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভাড়া কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিতকরণ এবং চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবে সাধারণ যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা তাদের এবং তাদের পরিবারের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাছে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে অটোরিকশা ও সিএনজির জন্য অভিন্ন ভাড়া চার্ট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং তা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
২. অটোরিকশা চালকদের আচরণ, যাত্রীসেবা ও আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
৩. নগরবাসীর নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে আধুনিক ও টেকসই গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বরিশাল নগরীর পরিবহন ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াত সহজতর হবে। একই সঙ্গে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে চলমান অসন্তোষও কমে আসবে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জুন ২০২৬
বরিশালে নগর পরিবহনে অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া বৃদ্ধি এবং চালকদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের(ববি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (২৫ জুন) প্রদত্ত স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বরিশাল নগরীতে অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভাড়া কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ, নির্ধারিত ভাড়া নিশ্চিতকরণ এবং চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের অভাবে সাধারণ যাত্রীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ভাড়া বৃদ্ধির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা তাদের এবং তাদের পরিবারের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে।
এ অবস্থায় শিক্ষার্থীরা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কাছে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে অটোরিকশা ও সিএনজির জন্য অভিন্ন ভাড়া চার্ট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং তা দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা।
২. অটোরিকশা চালকদের আচরণ, যাত্রীসেবা ও আইন মেনে চলা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।
৩. নগরবাসীর নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে আধুনিক ও টেকসই গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে বরিশাল নগরীর পরিবহন ব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের যাতায়াত সহজতর হবে। একই সঙ্গে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে চলমান অসন্তোষও কমে আসবে।
