'করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব রারো মাস' এই প্রতিপাদ্যে জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে এ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খানের সভাপতিত্বে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়ারেছ আলী মামুন এমপি বলেন, আগের দিনের মানুষ বেশি দিন বাঁচার কারণ হচ্ছে, তারা যা কিছু খাবার খেতো তার মধ্যে কোন ফরমালিন বা কেমিক্যাল ছিল না। আর আমরা এখন যা কিছু খাই তা হলো হাইব্রিড বা ফরমালিন যুক্ত খাবার। মাছ থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুতেই ফরমালিন। আমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যার বাড়িতে দুই একটা গাছ লাগানোর জায়গা নেই। যে লোক ভিক্ষা করে খায় তার বাড়িতেও দুইটা গাছ লাগানোর জায়গা আছে।
তিনি আরও বলেন, আসলে আমরা কেউ উদ্যোগ নেই না। বাড়ির আঙ্গিনায় যদি ফলের বা কাঠের গাছও লাগাই তাহলে দেখা যাবে এক সময় সেই গাছটি বিক্রি করে এক বা দুই লাখ টাকা পাওয়া যাবে। আর সেই গাছ বিক্রির টাকা পরিবারের বিপদের সময় কাজে লাগবে। আর যদি আমরা ফলের গাছও লাগাই তাহলে আমাদের সন্তানরা ফরমালিন মুক্ত টাটকা ফল খেতে পারবে। আমরা যদি সবাই উৎসাহিত হয়ে গাছ লাগাই তাহলে এক সময় সবাই এর সুফল পাব। তাই বাড়ির আঙ্গিনাসহ সব জায়গাতেই বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির প্রশিক্ষণ অফিসার পিকন কুমার সাহা।
জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আক্তার, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব গাউসুল আলম শাহীন, উদ্যােক্তা শিমু বেগম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পুরস্কার বিতরণ শেষে সকলের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ বিতরণ করা হয়।
পরে জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পূর্নবাসন সহয়তা কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষক ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বিনামূল্যে গাছের চারা ও সার, আমন ধানের বীজ ও সার, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, হাইব্রিড মরিচ এবং লেবুর চারা বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে এই ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
'করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব রারো মাস' এই প্রতিপাদ্যে জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বিকেলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে এ সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খানের সভাপতিত্বে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী শাহ্ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওয়ারেছ আলী মামুন এমপি বলেন, আগের দিনের মানুষ বেশি দিন বাঁচার কারণ হচ্ছে, তারা যা কিছু খাবার খেতো তার মধ্যে কোন ফরমালিন বা কেমিক্যাল ছিল না। আর আমরা এখন যা কিছু খাই তা হলো হাইব্রিড বা ফরমালিন যুক্ত খাবার। মাছ থেকে শুরু করে ফলমূল সবকিছুতেই ফরমালিন। আমাদের মাঝে এমন কেউ নেই যার বাড়িতে দুই একটা গাছ লাগানোর জায়গা নেই। যে লোক ভিক্ষা করে খায় তার বাড়িতেও দুইটা গাছ লাগানোর জায়গা আছে।
তিনি আরও বলেন, আসলে আমরা কেউ উদ্যোগ নেই না। বাড়ির আঙ্গিনায় যদি ফলের বা কাঠের গাছও লাগাই তাহলে দেখা যাবে এক সময় সেই গাছটি বিক্রি করে এক বা দুই লাখ টাকা পাওয়া যাবে। আর সেই গাছ বিক্রির টাকা পরিবারের বিপদের সময় কাজে লাগবে। আর যদি আমরা ফলের গাছও লাগাই তাহলে আমাদের সন্তানরা ফরমালিন মুক্ত টাটকা ফল খেতে পারবে। আমরা যদি সবাই উৎসাহিত হয়ে গাছ লাগাই তাহলে এক সময় সবাই এর সুফল পাব। তাই বাড়ির আঙ্গিনাসহ সব জায়গাতেই বেশি বেশি করে গাছ লাগাবো এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির প্রশিক্ষণ অফিসার পিকন কুমার সাহা।
জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আক্তার, জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব গাউসুল আলম শাহীন, উদ্যােক্তা শিমু বেগম প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
পুরস্কার বিতরণ শেষে সকলের মাঝে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ বিতরণ করা হয়।
পরে জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষি পূর্নবাসন সহয়তা কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষক ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে বিনামূল্যে গাছের চারা ও সার, আমন ধানের বীজ ও সার, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, হাইব্রিড মরিচ এবং লেবুর চারা বিতরণের শুভ উদ্বোধন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৮ জুন সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে এই ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন করা হয়।
