ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসা থেকে স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছোটপর্দার পরিচিত অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।
আদালতে যা ঘটলো
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর হারুন অর রশীদ জানান, অভিনেতা যাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। তার পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী (ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ) জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আলভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ইকরার বাবা কবির হায়াত খানকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এর আগে, গত ৪ জুন এই মামলার অপর আসামি—যাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
জামিন আবেদনে আসামিপক্ষের যুক্তি
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন:
যাহের আলভী এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনেই ৫ জুন তিনি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন এবং আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
ভিকটিম (ইকরা) আত্মহত্যা করেছেন এবং তাদের একটি শিশু সন্তান রয়েছে।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় যেকোনো শর্তে তার জামিন পাওয়া উচিত।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবী ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবার। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন মানসিক-শারীরিক নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসা থেকে স্ত্রী ইকরার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছোটপর্দার পরিচিত অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন তাকে কারাগারে পাঠানোর এই নির্দেশ দেন।
আদালতে যা ঘটলো
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর হারুন অর রশীদ জানান, অভিনেতা যাহের আলভী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন। তার পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ এবং বাদীপক্ষের আইনজীবী (ঢাকা আইনজীবী সমিতির সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ) জামিনের তীব্র বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আলভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত ইকরার বাবা কবির হায়াত খানকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। এর আগে, গত ৪ জুন এই মামলার অপর আসামি—যাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন।
জামিন আবেদনে আসামিপক্ষের যুক্তি
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে দাবি করেন:
যাহের আলভী এই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নন।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনেই ৫ জুন তিনি বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন এবং আইনি প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।
ভিকটিম (ইকরা) আত্মহত্যা করেছেন এবং তাদের একটি শিশু সন্তান রয়েছে।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হওয়ায় যেকোনো শর্তে তার জামিন পাওয়া উচিত।
ঘটনার প্রেক্ষাপট
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পল্লবী ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করে পরিবার। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন মানসিক-শারীরিক নির্যাতনের কারণেই ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন।
