ইরাকের কারবালা প্রান্তরে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.) এবং তাঁর ৭২ জন সঙ্গী-সাথীর আত্মত্যাগের স্মরণে আঞ্জুমান-এ-পাঞ্জাতানী ট্রাস্টের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী শোক আলোচনা সভা ও শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র মহররম উপলক্ষে আয়োজিত ১ হতে ১০ মহররম পর্যন্ত এই আলোচনা সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী। সমাপনী দিনে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র শাহাদত স্মরণে নগরীর আলতাপোল লেনস্থ কাসরে হোসাইনী ইমামবাড়ি হতে একটি বিশাল শোক মিছিল বের করা হয়।
শোক মিছিলপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী তাঁর বক্তব্যে কারবালার ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
"কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনার মাঝে মুসলমানদের জন্য গভীর শিক্ষা নিহিত রয়েছে। এই আদর্শ আমাদের অন্যায় ও মিথ্যার সাথে আপোশ না করতে এবং সত্যের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে অনুপ্রাণিত করে। ইমাম হুসাইন (আ.)-এর এই আত্মত্যাগ কোনো ক্ষমতার লড়াই ছিল না; এটি ছিল জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের এবং অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের চিরন্তন সংগ্রাম।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জীবন দিয়ে হলেও কীভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয়, কারবালা আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়। আজ বিশ্বজুড়ে যেখানেই নিপীড়ন, সেখানেই কারবালার চেতনা শোষিত মানুষের মূল প্রেরণা।
স্মরণসভার সমাপনী বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রায় চৌদ্দশত বছর পেরিয়ে গেলেও কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা এবং ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর বিশ্বস্ত সঙ্গীদের শাহাদাতের গুরুত্ব ও মর্যাদা বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং সময়ের সাথে সাথে আশুরার এই চেতনা বিশ্বব্যাপী আরও বেশি বিস্তৃত ও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ইরাকের কারবালা প্রান্তরে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হুসাইন (আ.) এবং তাঁর ৭২ জন সঙ্গী-সাথীর আত্মত্যাগের স্মরণে আঞ্জুমান-এ-পাঞ্জাতানী ট্রাস্টের উদ্যোগে ১০ দিনব্যাপী শোক আলোচনা সভা ও শোক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র মহররম উপলক্ষে আয়োজিত ১ হতে ১০ মহররম পর্যন্ত এই আলোচনা সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি শিক্ষা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হুজ্জাতুল ইসলাম সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী। সমাপনী দিনে হযরত ইমাম হোসাইন (আ.)-এর পবিত্র শাহাদত স্মরণে নগরীর আলতাপোল লেনস্থ কাসরে হোসাইনী ইমামবাড়ি হতে একটি বিশাল শোক মিছিল বের করা হয়।
শোক মিছিলপূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা সৈয়দ ইব্রাহীম খলিল রাজাভী তাঁর বক্তব্যে কারবালার ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
"কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনার মাঝে মুসলমানদের জন্য গভীর শিক্ষা নিহিত রয়েছে। এই আদর্শ আমাদের অন্যায় ও মিথ্যার সাথে আপোশ না করতে এবং সত্যের পতাকাকে সমুন্নত রাখতে অনুপ্রাণিত করে। ইমাম হুসাইন (আ.)-এর এই আত্মত্যাগ কোনো ক্ষমতার লড়াই ছিল না; এটি ছিল জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের এবং অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের চিরন্তন সংগ্রাম।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জীবন দিয়ে হলেও কীভাবে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হয়, কারবালা আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়। আজ বিশ্বজুড়ে যেখানেই নিপীড়ন, সেখানেই কারবালার চেতনা শোষিত মানুষের মূল প্রেরণা।
স্মরণসভার সমাপনী বক্তব্যে তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রায় চৌদ্দশত বছর পেরিয়ে গেলেও কারবালার মর্মান্তিক ঘটনা এবং ইমাম হুসাইন (আ.) ও তাঁর বিশ্বস্ত সঙ্গীদের শাহাদাতের গুরুত্ব ও মর্যাদা বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং সময়ের সাথে সাথে আশুরার এই চেতনা বিশ্বব্যাপী আরও বেশি বিস্তৃত ও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।
