খুলনা মহানগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কুখ্যাত 'আশিক গ্রুপ'-এর প্রধান শুটার পারভেজ ওরফে মো. পারভেজ গাজীকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর লবণচরা এলাকা থেকে তাকে জালে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গ্রেপ্তারকৃত পারভেজ লবণচরা থানার মোক্তার হোসেন রোডের ৭ নম্বর গলির নূর ইসলাম গাজীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
যেভাবে ধরা পড়লো দুর্ধর্ষ এই শুটার
লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, পারভেজের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সোমবার গভীর রাতে এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। রাত আড়াইটার দিকে তাকে লবণচরা এলাকা থেকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেই দিনের সেই রোমহর্ষক হামলা
পুলিশের তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে দুপুরে পুটিমারী বাজারের পাশে অবস্থিত স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে একটি ভয়াবহ হামলার নেতৃত্ব দেয় এই পারভেজ।
হামলার ধরণ: ভরদুপুরে মোটরসাইকেলে করে আকস্মিক আগমন।
টার্গেট: বিএনপি কার্যালয়ে থাকা যুবদল নেতা তথা পুটিমারী বাজার কমিটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ এবং জাহিদ।
ক্ষয়ক্ষতি: পারভেজ অফিসে ঢুকেই তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এতে একটি গুলি মাসুমের বাঁ পায়ের ঊরুতে এবং আরেকটি জাহিদের ডান হাতে বিদ্ধ হয়।
পুলিশের বক্তব্য: "পারভেজ ওই অঞ্চলের একটি তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের মূল শুটার। দীর্ঘদিন ধরে তাকে আমরা খুঁজছিলাম। তার গ্রেপ্তারে ওই এলাকায় স্বস্তি ফিরবে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা পূর্বের মামলাগুলোর পাশাপাশি এই হামলার বিষয়েও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
গড় রেটিং: ০/৫ (০ ভোট)
ধন্যবাদ! আপনার মতামত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
খুলনা মহানগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কুখ্যাত 'আশিক গ্রুপ'-এর প্রধান শুটার পারভেজ ওরফে মো. পারভেজ গাজীকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর লবণচরা এলাকা থেকে তাকে জালে তোলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
গ্রেপ্তারকৃত পারভেজ লবণচরা থানার মোক্তার হোসেন রোডের ৭ নম্বর গলির নূর ইসলাম গাজীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অস্ত্র মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
যেভাবে ধরা পড়লো দুর্ধর্ষ এই শুটার
লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানান, পারভেজের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে সোমবার গভীর রাতে এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। রাত আড়াইটার দিকে তাকে লবণচরা এলাকা থেকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে গ্রেপ্তার করা হয়।
সেই দিনের সেই রোমহর্ষক হামলা
পুলিশের তদন্ত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে দুপুরে পুটিমারী বাজারের পাশে অবস্থিত স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে একটি ভয়াবহ হামলার নেতৃত্ব দেয় এই পারভেজ।
হামলার ধরণ: ভরদুপুরে মোটরসাইকেলে করে আকস্মিক আগমন।
টার্গেট: বিএনপি কার্যালয়ে থাকা যুবদল নেতা তথা পুটিমারী বাজার কমিটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ এবং জাহিদ।
ক্ষয়ক্ষতি: পারভেজ অফিসে ঢুকেই তাঁদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এতে একটি গুলি মাসুমের বাঁ পায়ের ঊরুতে এবং আরেকটি জাহিদের ডান হাতে বিদ্ধ হয়।
পুলিশের বক্তব্য: "পারভেজ ওই অঞ্চলের একটি তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের মূল শুটার। দীর্ঘদিন ধরে তাকে আমরা খুঁজছিলাম। তার গ্রেপ্তারে ওই এলাকায় স্বস্তি ফিরবে এবং তার বিরুদ্ধে থাকা পূর্বের মামলাগুলোর পাশাপাশি এই হামলার বিষয়েও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
