Logo
আজঃ বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে শেয়ারট্রিপের বিশেষ লাইফস্টাইল ক্যাম্পেইন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:[ঢাকা, ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪] ভালোবাসা দিবসকে সামনে রেখে আকর্ষণীয় ক্যাম্পেইনের ঘোষণা দিয়েছে অনলাইন ট্রাভেল প্ল্যাটফর্ম শেয়ারট্রিপ। ক্রেতাদের কেনাকাটার অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করতে লাইফস্টাইল ব্র্যান্ডগুলোর অংশীদারিত্বে ০৮-২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই ক্যাম্পেইন।

জুতা, পোশাক, রেস্তোরাঁ, গ্যাজেট ও মোবাইল অ্যাক্সেসরিজের শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর সহায়তায় ভালোবাসা দিবসের কেনাকাটায় আলাদা বিশেষত্ব যোগ করতে চায় শেয়ারট্রিপ। ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে জুতা ক্যাটাগরিতে বাটা, এপেক্স, লা মোড; পোশাক ও ফ্যাশনে আড়ং, ফ্যাব্রিলাইফ, গরুর ঘাস এবং গ্যাজেট ও মোবাইল অ্যাক্সেসরিজের মধ্যে মোশন ভিউ, ওয়ানপ্লাস, স্যামসাং ও শাওমি রয়েছে।

শেয়ারট্রিপ অ্যাপের শপ অপশন থেকে কেনাকাটা করে ৬,০০০ টাকা পর্যন্ত ট্রাভেল ভাউচার পাওয়ার সুযোগ এই ক্যাম্পেইনকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তুলেছে। ক্যাম্পেইন চলাকালীন শেয়ারট্রিপ শপ থেকে কেনাকাটায় থাকছে বাটা

গিফট ভাউচারে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়; অ্যাপেক্স গিফট ভাউচারে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়; বে গিফট ভাউচারে ২৫ শতাংশ ছাড়; লা মোড গিফট ভাউচারে ১৫ শতাংশ ছাড়; আড়ং অনলাইন গিফট কার্ডে ১০ শতাংশ ছাড়; ফ্যাব্রিলাইফ-এ ১২ শতাংশ ছাড়; ক্রোকোডাইল গিফট ভাউচারে ১৫ শতাংশ ছাড়; গরুর ঘাসে ২০ শতাংশ ছাড়; এবং কালারকিউ লাইফস্টাইলে ২৫

শতাংশ ছাড়। যারা ইলেকট্রনিক্স কিনতে ইচ্ছুক তাদের জন্য সকল ইলেকট্রনিক্স পণ্যে রয়েছে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়সহ শাওমিতে ৬০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়; স্যামসাংয়ে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়; মোশন ভিউতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়;

এবং ওয়ান প্লাসে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত ছাড়৷ শেয়ারট্রিপ ভাউচার থেকে কেনাকাটার ক্ষেত্রে শেয়ারট্রিপ ব্যবহারকারীরা আরও উপভোগ করতে পারবেন বার্গার ল্যাবে ১৭ শতাংশ ছাড়ের গিফট ভাউচার; চা টাইমে ১৫ শতাংশ ছাড়ের গিফট ভাউচার; ওয়াফেল টাইমে ১৫ শতাংশ ছাড়ের গিফট ভাউচার; লেকশোরে ১৫ শতাংশ ছাড়ের গিফট ভাউচার; এবং টুম-এ ২০

শতাংশ ছাড়ের গিফট ভাউচার। কেনাকাটার অভিজ্ঞতা উন্নত করার পাশাপাশি ভবিষ্যত ভ্রমণের পথকে সুগম করাই এই ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য।এই ক্যাম্পেইন পছন্দের মানুষের জন্য সেরা উপহার ক্রয় বা বিশেষ কিছু করার জন্য দুর্দান্ত সুযোগ, সাথে থাকছে পরবর্তী ভ্রমণের জন্য রিওয়ার্ড। স্টাইলিশ জুতা বা কোনো ট্রেন্ডি পোশাক, আধুনিক গ্যাজেট বা প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে কোনো রেস্তোরাঁয় রোমান্টিক ডিনার; শেয়ারট্রিপ আপনার ভালোবাসা দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রস্তুত।

তাই, এবারের ভালোবাসা দিবসে শেয়ারট্রিপের লাইফস্টাইল ক্যাম্পেইনে যোগ দিন আর আপনার কেনাকাটার অভিজ্ঞতায় যোগ করুন নতুন মাত্রা। মানসম্মত পণ্য কেনার সাথে সাথে আকর্ষণীয় রিওয়ার্ড অর্জন এবং পরবর্তী ভ্রমণের পরিকল্পনা করার এটাই সুযোগ।


আরও খবর

"নোবেলের ম্যাজিক শুধু প্রতারণা"

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24

ভালোবাসার দিন আজ

বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মাগুরায় মুক্তিযোদ্ধার ভাতা আত্নসাতের অভিযোগ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫০জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল মুক্তিযুদ্ধে গত ২৫ জুন ১৯৭১  সালে ডুমাইন অপারেশনের সময় শহীদ হন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোক্তার হোসেন মল্লিক। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার ভাতার টাকা আপন তিন ভাইয়ে জালিয়াতীর মাধ্যমে আত্নসাত করে আসছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার কাদিরপাড়া ইউনিয়নের ঘাসিয়ারা গ্রামের মৃত সোনাউল্লাহ মল্লিক ও মা মোছাঃ আমেনা বেগমের সেজো পুত্র মোক্তার হোসেন মল্লিক।

তার স্বজনরা জানান, শহীদ মোক্তার বিবাহিত  না হওয়ায় ভাতার টাকা পেতেন তার পিতামাতা। পিতার মৃত্যুর পর তার মা ওই ভাতার টাকা পেতেন। পরে পহেলা আগষ্ট ২০১২ সালে মায়ের মৃত্যুর পর ওয়ারিশ হিসেবে আপন তিন ভাই আঃ সত্তার মল্লিক, মোঃ আতিয়ার রহমান মল্লিক ও মোঃ আবু বক্কার মল্লিকসহ তাদের তিন বোন লাইলি বেগম, সোভা বেগম ও দোলেনা খাতুন টাকা পাবে। কিন্তু কাগজপত্র জাল-জালিয়াতি ও চক্রান্ত করে বড়ভাই সত্তার মল্লিক তিন বোনকে ফাঁকি দিয়ে নিজেদের নামে একাউন্ট করে ওই ভাতার টাকা উত্তোলন করে তা আত্নসাত করে আসছে বলে অভিযোগ করেন তিনবোন।

কাগজপত্র ও অভিযোগসূত্রে জানা যায়, কাগজপত্রে তার মায়ের মৃত্যুর তারিখ পরিবর্তন করা, ওয়ারিশ হিসেবে এফিডেভিট কাগজে তিন বোনের স্বাক্ষর নকল করাসহ ওই টাকা বোনদের ভাগ দিবে বলে কৌশলে নিজের নামে একাউন্ট করে টাকা তুলে আসছে। এসব জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা পেতে ওয়ারিশ হিসেবে প্রাপ্য টাকা বুঝে পাওয়ার জন্য ভুক্তোভোগী তিন বোন লাইলি, শোভা ও দোলেনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করাসহ আদালতে মামলা করেন।

এফিডেভিট কপিতে স্বাক্ষরকারী মাগুরা জজ কোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে জানান, এফিডেভিট কপিতে উল্লিখিত প্রথমপক্ষ ও দ্বিতীয় পক্ষের কেউ তার সামনে আসেননি। এগুলো ভুয়া ভাবে তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অভিযোগের ভিত্তিতে সত্তার মল্লিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে সিস্টেম প্রসেস করে তিনি তার নামে একাউন্ট করে টাকা উত্তোলন করেন এবং দুই ভাইকে টাকার কিছু অংশভাগ দেন বলে স্বীকার করেন। কিন্তু বোনদের টাকার ভাগ কেনো দেওয়া হতো না এই বিষয়ে কোনো কথা বলেননি। এছাড়াও বোনেরা টাকা দাবি করায় বিভিন্ন সময়ে হুমকি ও হামলা করে সত্তার মল্লিকের ছেলে ও তার লোকজন। এঘটনা জানতে গেলে দোলেনার স্বামী মিঠু মোল্যার উপর হামলা হয়। পরে মিঠু মোল্যা বাদি হয়ে মাগুরার আদালতে মামলা করেন।

এঘটনায় স্থানীয় কাদিরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আইয়ুব খান জানান, বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর উপস্থিততে কয়েকবার মিমাংশার জন্য সালিশও হয়েছে। সুরাহার জন্য কোনো ভাই আগ্রহ দেখায়নি। তবে এভাবে ওয়ারিশ ফাঁকি দিয়ে টাকা তুলে আত্নসাৎ করার কোনো সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

এবিষয়ে কাদিরপাড়া ইউনিয়ন মুক্তযোদ্ধা কমান্ডার বীর-মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু বক্কার মোল্যা জানান, তিনি এই ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন এবং ভুক্তোভগী তিন বোনকে শিগগিরই তাদের ভাতার টাকা বুঝে দেওয়ার জোর দাবি জানান তিনি। 

ভুক্তভোগী লাইলি-শোভা ও দোলেনা অভিযোগ করে বলেন, এই চক্রান্তের মূলহোতা তাদের বড়ভাই আঃ সত্তার মল্লিক ও সাত্তারের বড়ছেলে মিজানুর মল্লিক। সুরাহা পেতে মাগুরা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ  সবার প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করেন।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সৈয়দপুরে ফসলি জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:- নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির উর্বর মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়।এতে কৃষি নির্ভর জমি গুলো পুকুর কিংবা ডোবায় পরিনত হয়ে চাষাবাদে ব্যাঘাত ঘটছে। স্হানীয় প্রশাসনে এ বিষয়ে  অভিযোগ দিয়ে ও প্রতিকার মিলছেনা বলে একাধিক কৃষকের অভিযোগ। 

অভিযোগে প্রকাশ,সৈয়দপুর উপজেলাটি ৫ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভা নিয়ে  গঠিত। ব্যবসা ও কৃষি খাতে এ উপজেলাটি দেশ জুড়ে পরিচিতি পেলেও বর্তমানে চাষাবাদে ধস নেমেছে শুরু মাত্র ফসলি জমির উর্বর মাটি ইটভাটায় যাওয়ার কারনে।

ভুক্তভুগীরা বলছেন,কামারপুকুর ইউনিয়নের তোফায়েলের মোড় এলাকার জয়নুল নামের এক ব্যাক্তি সরল শান্ত কৃষকদের লোভ দেখিয়ে কম দামে জমির উর্বর মাটি ক্রয় করে সেই মাটি চড়া দামে বিক্রি করছেন ইটভাটায়।একসময়ের লেবার শ্রেনীর এই মানুষ টি ফসলি জমির মাটি বিক্রি করে বর্তমানে ১০ ট্রাকটারের মালিক।এলাকা বাসী তার মাটি বিক্রির অভিযোগ উপজেলা প্রশাসনকে দেয়ার কথা বললেও কোন কর্নপাতই করেন না তিনি। ফসলি জমির মাটি খেকো জয়নুলের বিরুদ্ধে এখনই পদক্ষেপ না নিলে এ উপজেলায় তিন ফসলি জমিতে চাষাবাদ অর্ধেকে নেমে আসবে বলে জানান তারা। অন্য দিকে একই ইউনিয়নের সোহাগ নামের অপর এক ব্যাক্তি প্রায় প্রতিদিনই ১০/১২ টি ট্রাকটার লাগিয়ে কৃষকের জমির মাটি নিয়ে যাচ্ছে ইটভাটায়। কামার পুকুর ইউনিয়ন এর মাটি খেকো জয়নুল ও সোহাগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্হা না নিলে সৈয়দপুর উপজেলায় তিন ফসলি জমিতে ফলন অর্ধেকে নেমে আসবে বলে শতাধিক কৃষক মতামত ব্যাক্ত করেন।

গত ৩০ জানুয়ারি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে মাটি খেকো জয়নুল ও সোহাগ।অথচ গত ২/৩ বছর আগেও ওইসব জমিতে ফলন ফলেছে বছরে তিন ফসল। গোলা ভর্তি করা ধান,আর আগাম৷ সবজি চাষাবাদ করে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। 

জানা যায়, মাটি খেকো জয়নুল ও সোহাগের মাথায় হাত রয়েছে অবৈধ ক'জন ইটভাটা মালিকের।যার ফলে অসহায় অনেক কৃষকদের একপ্রকার হুমকির মধ্যে কমদামে ফসলি জমির মাটি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। জয়নুল ও সোহাগ সহ ইটভাটার মালিকরা অর্থ ও বিত্তশালী হওয়ায় প্রতিবাদ করতে কেউ সাহস পাচ্ছেন না। 

জানতে চাইলে জয়নুল ও সোহাগ জানান, কামার পুকুর ইউনিয়ন এর অনেকেই মাটির ব্যবসা করেন।অন্যরা মাটি বিক্রি করলে দোষ হয়না কিন্তু আমরা বিক্রি করলে দোষ কিসের। একই ইউনিয়নের টোকাই সেলিম নামের এক যুবক উপজেলা প্রশাসনের সাথে থেকে প্রায় সব ইউনিয়নের মাটি নিয়ে আবাসন প্রকল্পো ভরাটের নামে অনত্র মাটি বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার মালিক হলেও তার বিরুদ্ধে কেউই কোন অভিযোগ করেন না।

এবিষয়ে কামার পুকুর ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বলেন,উপজেলা প্রশাসন কঠোর হলেই ফসলি জমির মাটি কেটে কেউই বিক্রি করতে পারবেন না।উপজেলা প্রশাসনের কঠোরতা নেই বলেই তি ফসলি জমির উর্বর মাটি চলে যাচ্ছে বিভিন্ন ইটভাটায়। ফলে আবাদ কমে এসেছে অর্ধেকে।
এ বিষয়ে উপজেলার সহকারী কমিশনার( ভুমি) আমিনুল ইসলাম বলেন কৃষকরা অভিযোগ দিলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্হা নেয়া হবে।

আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মেহেরপুরে পাখিদের জন্য গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ,মেহেরপুর:মেহেরপুর সরকারি কলেজে পাখিদের অবাধ বিচরণ, নিরাপদ আশ্রয় তৈরি ও বংশবৃদ্ধির জন্য গাছে গাছে মাটির হাঁড়ি বসানো হয়েছে। এতে ঝড়, বৃষ্টি, রোদ থেকেও বাঁচবে পাখিরা। ভলেন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) মেহেরপুরের সদস্যরা এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।পক্ষীকুলের আনন্দমেল্য়াঁড়ঃ; নামক ইভেন্ট শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সংগঠন সূত্র জানায়, পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়, রক্ষা ও তাদের বংশ বৃদ্ধির জন্য কলেজের উঁচু গাছগুলোতে হাঁড়ি বসানো হয়েছে। হাঁড়িগুলোতে ছোট ছোট ছিদ্র করে দেওয়া হয়েছে। এতে বৃষ্টির পানি ঢুকলেও নিচের ছিদ্রগুলো দিয়ে পড়ে যাবে। তাছাড়া হাঁড়ির দুই দিকে বড় দুটি মুখ রাখা হয়েছে। ফলে হাঁড়ির মধ্যে প্রবেশ ও বের হতে পাখিদের কোন সমস্যা হবে না।

ভলেন্টিয়ার ফর বাংলাদেশ (ভিবিডি) মেহেরপুর জেলা শাখার সভাপতি তানজীমুল ইসলাম বলেন, জীব বৈচিত্র রক্ষার দায়িত্ব সবার। জীববৈচিত্র ভালো থাকলে আমাদের পরিবেশ ভালো থাকবে। আমরাও ভালো থাকবো। এই হাঁড়িগুলো বসানোর মাধ্যমে পাখিরা নিরাপদ আবাস্থল পাবে।

এ কার্যক্রমের তদারকিতে রয়েছেন- সংগঠনটির সহ সভাপতি আশিক রাব্বি, সাধারণ সম্পাদক নাফিউল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আনাস আহমেদ, প্রজেক্ট অফিসার মাহফুজুর রহমান ও এইচআরও হিউম্যান রিসোর্স অফিসার ইমতিয়াজ আহমেদ।


আরও খবর

সন্দ্বীপ থানার ওসি কবীর পিপিএম পদকে ভূষিত

মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




রেমিট্যান্স ৯ দিনে এলো ৭ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:৬৩ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স (প্রবাসী আয়) এসেছে,চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ৯ দিনে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ ৬ হাজার ৯৪৯ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। আর প্রতিদিন আসছে ৭ কোটি ডলারের বেশি। রেমিট্যান্সের এই গতি থাকলে চলতি মাসেও দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে বলে প্রত্যাশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বলছে, চলতি মাসের ৯ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ২ কোটি ৯৬ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৫৩ কোটি ১৬ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে এই সময়ে ১৩টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক এবং বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।

সদ্য বিদায়ী মাস জানুয়ারির পুরো সময়ে ২১০ কোটি ডলার বা ২৩ হাজার ১০০ কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। বিদায়ী বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের পুরো সময়ে আসে ১৯৮ কোটি ৯৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার যা ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি।


আরও খবর



মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃদিনাজপুর জেলার বিরামপুর পৌর শহরের মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৪ ইং সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ, দো'আ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়নুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র শিক্ষক (আইসিটি) মিজানুর রহমান মিজানের সঞ্চালনা ২০২৪ ইং সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ, দো'আ ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি প্যানেল মেয়র আবুল কালাম আজাদ (বকুল), বিশেষ অতিথি অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন মন্ডল, বিশেষ অতিথি মুক্তিযোদ্ধা ইছাহক আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক সুলতান মাহমুদ,শিক্ষার্থীদের অভিভাবক আবুল কাশেম, সিনিয়র শিক্ষক শামীম উর রহমান প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ,ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকবৃন্দ, সুধীমন্ডলী ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ প্রমুখ।

আলোচনা সভা শেষে ২০২৪ ইং সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দো'আ পরিচালনা করেন অত্র বিদ্যালয়ের মাওলানা শিক্ষক এমদাদুল হক।


আরও খবর