বাগেরহাটে সংসদীয় আসন সংখ্যা কমানোর প্রতিবাদে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকে দিনব্যাপী হরতাল পালিত হচ্ছে। আজ সোমবার ০৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে এ হরতাল শুরু হয়, যা জেলায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন সংখ্যা ৪ থেকে কমিয়ে ৩-এ আনা হয়। এর প্রতিবাদে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি “৪ আসন বহাল রাখার” দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচি পালন করছে।সকাল থেকেই বাগেরহাট জেলার সকল প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয় হরতালকারীরা।
জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা জজকোর্টসহ সরকারি-বেসরকারি অফিসে কার্যক্রম বন্ধ থাকে। স্কুল-কলেজেও পাঠদান বন্ধ হয়ে যায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই নেই বললেই চলে। শহরের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো অধিকাংশই বন্ধ ছিল।
শনিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি ৩ দিনের হরতালসহ টানা ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। তাদের মূল দাবি—বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন সংখ্যা পুনরায় ৪-এ ফিরিয়ে আনা। হরতালকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বাগেরহাটে ৪ টি আসন পূনর্বহালের দাবিতে সর্বদলীয় কমিটির দাবিতে দিন ব্যাপী স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালিত হচ্ছে।
বাগেরহাটে সিইসি কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ১ টি আসন কমিয়ে ৩ টি আসন করার প্রতিবাদে ৪ আসন ফিরে পাবার দাবিতে দিনব্যাপী এ হরতাল চলছে।
বাগেরহাট জেলার সকল প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একই সাথে বাগেরহাটের জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা জজকোর্টের প্রবেশদ্বারসহ সকল অফিস আদালত স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে।
মংলা থেকে আবু বকর সিদ্দিক জানান, হরতালে মংলার সব ধরনের অফিস, গার্মেন্টস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবা হিসেবে ফার্মেসি, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। মংলা ইপিজেড ও বন্দরের কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মংলা ঘাট দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন, হরতালের কারণে তাদের চলাচলে তীব্র ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
কাটাখালী সহকর্মী নাসির উদ্দিন জানান, কাটাখালীতে হরতালের প্রভাব স্পষ্ট। সড়কে পরিবহন ও বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল ছিল খুবই সীমিত, মাঝে মাঝে দুই-একটি যানবাহন চলতে দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষকে গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।
ফকিরহাট ফকিরহাট থেকে সহকর্মী আব্দুল আউয়াল জানান, উপজেলাজুড়ে কঠোরভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে। সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, বাজার-হাট কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
চিতলমারী
চিতলমারি থেকে একরামুল হক মুন্সী জানান, জেলার অন্যান্য উপজেলার মতো এখানেও হরতাল কঠোরভাবে পালিত হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সাধারণ মানুষ ঘরে অবস্থান করছে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হরতালকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
মংলা বাগেরহাটের সংসদীয় আসন ৪সংখ্যা কমানোর প্রতিবাদে পুনর্বহালের দাবিতে হরতাল
মংলা বাগেরহাটের সংসদীয় আসন ৪সংখ্যা কমানোর প্রতিবাদে পুনর্বহালের দাবিতে হরতাল
বাগেরহাটে সংসদীয় আসন সংখ্যা কমানোর প্রতিবাদে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির ডাকে দিনব্যাপী হরতাল পালিত হচ্ছে। আজ সোমবার ০৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে এ হরতাল শুরু হয়, যা জেলায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন সংখ্যা ৪ থেকে কমিয়ে ৩-এ আনা হয়। এর প্রতিবাদে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি “৪ আসন বহাল রাখার” দাবি জানিয়ে এ কর্মসূচি পালন করছে।সকাল থেকেই বাগেরহাট জেলার সকল প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয় হরতালকারীরা।জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা জজকোর্টসহ সরকারি-বেসরকারি অফিসে কার্যক্রম বন্ধ থাকে। স্কুল-কলেজেও পাঠদান বন্ধ হয়ে যায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই নেই বললেই চলে। শহরের দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো অধিকাংশই বন্ধ ছিল। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের ধানসিঁড়ি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি ৩ দিনের হরতালসহ টানা ৫ দিনব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। তাদের মূল দাবি—বাগেরহাট জেলার সংসদীয় আসন সংখ্যা
পুনরায় ৪-এ ফিরিয়ে আনা। হরতালকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।বাগেরহাটে ৪ টি আসন পূনর্বহালের দাবিতে সর্বদলীয় কমিটির দাবিতে দিন ব্যাপী স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালিত হচ্ছে। বাগেরহাটে সিইসি কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ১ টি আসন কমিয়ে ৩ টি আসন করার প্রতিবাদে ৪ আসন ফিরে পাবার দাবিতে দিনব্যাপী এ হরতাল চলছে। বাগেরহাট জেলার সকল প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। একই সাথে বাগেরহাটের জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, জেলা জজকোর্টের প্রবেশদ্বারসহ সকল অফিস আদালত স্কুল কলেজ বন্ধ রয়েছে।মংলা থেকে আবু বকর সিদ্দিক জানান, হরতালে মংলার সব ধরনের অফিস, গার্মেন্টস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবা হিসেবে ফার্মেসি, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যসেবামূলক প্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। মংলা ইপিজেড ও বন্দরের কার্যক্রমেও প্রভাব পড়ে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ মংলা ঘাট
দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন, হরতালের কারণে তাদের চলাচলে তীব্র ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।কাটাখালী সহকর্মী নাসির উদ্দিন জানান, কাটাখালীতে হরতালের প্রভাব স্পষ্ট। সড়কে পরিবহন ও বিভিন্ন যানবাহনের চলাচল ছিল খুবই সীমিত, মাঝে মাঝে দুই-একটি যানবাহন চলতে দেখা গেছে। এতে সাধারণ মানুষকে গন্তব্যে পৌঁছাতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।ফকিরহাট ফকিরহাট থেকে সহকর্মী আব্দুল আউয়াল জানান, উপজেলাজুড়ে কঠোরভাবে হরতাল পালিত হচ্ছে। সকল ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, বাজার-হাট কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।চিতলমারীচিতলমারি থেকে একরামুল হক মুন্সী জানান, জেলার অন্যান্য উপজেলার মতো এখানেও হরতাল কঠোরভাবে পালিত হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সাধারণ মানুষ ঘরে অবস্থান করছে।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হরতালকে কেন্দ্র করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।-খবরপ্রতিদিন/ সি.ব
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত