ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ সিইও মাসুদ খান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পুঁজিবাজার-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ সিইও মাসুদ খানকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী যোগদানের তারিখ হতে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। তার বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাদি সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি দ্বারা নির্ধারিত হবে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।
এর আগে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদ থেকে খন্দকার রাশেদ মাকসুদসহ চার কমিশনার পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগের পর এক লিখিত বক্তব্যে খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর, ব্যক্তিগত কারণে এই পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বিএসইসির বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেন,আমরা অত্যন্ত বৈরী ও সংকটময় সময়ে নেতৃত্বের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই আমরা আইনি কাঠামো সংস্কার এবং বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজ শুরু করি।
তিনি আরও বলেন, সংক্ষিপ্ত এই সময়ে আমরা ইতোমধ্যে ৫টি বিধিমালা (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ডেবট সিকিউরিটিজ ও হুইসেলব্লোয়ার) গেজেট আকারে প্রকাশ করেছি। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জনমত যাচাইয়ের জন্য ৩টি খসড়া বিধিমালা (করপোরেট গভর্ন্যান্স, অডিট এবং করপোরেট রিস্ট্রাকচারিং) প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) অনুমোদনের উদ্দেশ্যে আমরা দুটি আইনের খসড়া (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন এবং ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন) তৈরি করেছি।
খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মু. মোহসীন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ এবং মো. সাইফুদ্দিন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। পুঁজিবাজারে টানা দরপতন, আস্থা সংকট, বাজার উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব ও বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনার মুখে ছিল এই কমিশন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন সময় কর্মবিরতিসহ আন্দোলন করেছেন সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও তার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন সময় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন।
বিএসইসির নতুন চেয়্যারম্যান মাসুদ খান
বিএসইসির নতুন চেয়্যারম্যান মাসুদ খান
ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ সিইও মাসুদ খান, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের পুঁজিবাজার-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসির গ্রুপ সিইও মাসুদ খানকে অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী যোগদানের তারিখ হতে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। তার বেতন-ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাদি সরকারের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি দ্বারা নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়। এর আগে বিএসইসির চেয়ারম্যান পদ
থেকে খন্দকার রাশেদ মাকসুদসহ চার কমিশনার পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের পর এক লিখিত বক্তব্যে খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে ২১ মাস দায়িত্ব পালনের পর, ব্যক্তিগত কারণে এই পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বিএসইসির বিদায়ী চেয়ারম্যান বলেন,আমরা অত্যন্ত বৈরী ও সংকটময় সময়ে নেতৃত্বের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই আমরা আইনি কাঠামো সংস্কার এবং বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজ শুরু করি। তিনি আরও বলেন, সংক্ষিপ্ত এই সময়ে আমরা ইতোমধ্যে ৫টি বিধিমালা (মার্জিন, আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড, ডেবট সিকিউরিটিজ ও হুইসেলব্লোয়ার) গেজেট আকারে প্রকাশ করেছি। এ ছাড়া সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে জনমত যাচাইয়ের জন্য ৩টি খসড়া বিধিমালা (করপোরেট গভর্ন্যান্স, অডিট এবং করপোরেট রিস্ট্রাকচারিং) প্রকাশ করা হয়েছে। একইসঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি)
অনুমোদনের উদ্দেশ্যে আমরা দুটি আইনের খসড়া (বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন এবং ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন) তৈরি করেছি। খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মু. মোহসীন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ এবং মো. সাইফুদ্দিন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন। পুঁজিবাজারে টানা দরপতন, আস্থা সংকট, বাজার উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতির অভাব ও বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনার মুখে ছিল এই কমিশন। বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন সময় কর্মবিরতিসহ আন্দোলন করেছেন সংস্থাটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও তার পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন সময় মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধের মতো কর্মসূচি পালন করেছেন।
সম্পাদক: খন্দকার আমিনুর রহমান
[email protected] | ০১৫৩৫৭৭৩৩১৪
গভ: জি: নং-সি-১৩১৫৯৬
প্রধান কার্যালয়: ৩০৬/এ, দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ঢাকা ১২০৪/
50/F,Inner Circular Road,Naya Paltan, Dhaka, 1000
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত